সোমবার-৬ই এপ্রিল, ২০২০ ইং-২৩শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: বিকাল ৫:৩৯, English Version
দেশের কোনো মানুষ না খেয়ে থাকবে না : হুইপ ইকবালুর রহিম চা, কফি বা গরম পানি খেয়ে কি করোনাভাইরাস দূর করা যায়? মুসল্লিদের ঘরে নামাজ পড়ার নির্দেশ গাইবান্ধায় হোম কোয়ারেন্টাইনে ১৬৩ বাড়ি ফিরে গেছে ৪ জন আক্রান্ত ৫ প্রধানমন্ত্রী যে খাদ্য ও নগদ অর্থ বরাদ্দ দিয়েছেন কেও না খেয়ে থাকবেন না..জেসী এমপি গাইবান্ধায় উপসর্গ নিয়ে যুবকের মৃত্যু ফুলবাড়ীতে কিশোরী অপহরণ আটক -১

কাল নন্দীগ্রাম হানাদারমুক্ত দিবস

প্রকাশ: বুধবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮ , ৯:৪৬ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ : জাতীয়,সারাদেশ,

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক:  কাল ১৩ ডিসেম্বর নন্দীগ্রাম হানাদারমুক্ত হয়। এই দিনটি নন্দীগ্রাম থানা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে পালন করে থাকে।

মুক্তিযোদ্ধাদের ইতিহাসে জানা গেছে, ভারতে ইউপি ডেরাডং সাব-ডিভিশনে ভান্ডুয়া সামরিক প্রশিক্ষণকেন্দ্রের ৭ নম্বর সেক্টরের প্রশিক্ষণ গ্রহন করে বাংলাদেশের হিলি সীমান্ত ও আক্কেলপুর হয়ে দেশে প্রবেশ করেন। এই সময় তারা প্রথমে সেখান থেকেই পাকিস্তানি সেনা ও রাজাকারদের সাথে যুদ্ধ শুরু করেন।

এরপর তারা নন্দীগ্রাম আশার পথে কাহালু থানার কড়ই নামুজা গ্রামে পাকিস্তানি হানাদারদের সাথে যুদ্ধ হয়। এই যুদ্ধে ২৮ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়। অতঃপর নন্দীগ্রাম থানার দায়িত্ব নিয়ে তিনি ডেপুটি কমান্ডার বদিউজ্জামান মন্টু, টিম কমান্ডার আজিজুল হক, সিরাজুল ইসলাম ও জাহাঙ্গীরসহ আরো কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধাকে সঙ্গে নিয়ে ৭১ এর ৯ ডিসেম্বর নন্দীগ্রামে প্রবেশ করে।

৩ দফায় নন্দীগ্রামে যুদ্ধ শুরু হয়। প্রথমে ১১ ডিসেম্বর নন্দীগ্রাম পৌর এলাকার মন্ডল পুকুর সিঅ্যান্ডবির ব্রিজের পার্শ্বে থেকে পাকিস্তানি সেনা ও তাদের দোসরদের ওপর আক্রমন হয়। ওই দিন রণবাঘা বড় ব্রিজের নিকট স্থানীয় রাজাকারদের সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের যুদ্ধ হয়।

অপরদিকে, বেলঘরিয়ায় পাকিস্তানি সেনাদের সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখযুদ্ধ সংঘটিত হয়। সেই যুদ্ধে পূর্ণখান নামে একজন পাকিস্তানি সেনা আত্মসমর্পণ করে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে কিছু মুক্তিযোদ্ধাকে পাকিস্তানি সেনা ও তাদের দোসররা ধরে নিয়ে গিয়ে গুলি করে হত্যা করে। তাদের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে মানুষের হ্নদয়ে।সূত্র: কালের কন্ঠ

আপনার মতামত লিখুন

জাতীয়,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ