বৃহস্পতিবার-১৭ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং-২রা কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: সকাল ৮:২৪
বড়পুকুরিয়ার সাবেক ১ এমডিসহ ৩ কর্মকর্তা জেলহাজতে বড়পুকুরিয়া সাবেক এক এমডিসহ ৩ কর্মকর্তা জেল হাজতে আবরারের নামে হলের নাম! সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে নৌ মন্ত্রী ও নানক মেডিকেলে চান্স পেলো সৈয়দপুরের রাজমিস্ত্রির মেয়ে জাকিয়া সুলতানা বিজ্ঞান জাদুঘরে ভ্রাম্যমাণ বিজ্ঞান বাসের উদ্বোধন করলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় বিরামপুর থেকে আবরার হত্যা মামলার আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

ছাতকে স্কুলছাত্র ইমন হত্যা এবার সাক্ষ্য দিলেন চিকিৎসক

প্রকাশ: বুধবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৮ , ৪:৩৩ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ : সারাদেশ,সিলেট,
ছাতক প্রতিনিধিঃ
ছাতক উপজেলার চাঞ্চল্যকর শিশু ইমন হত্যা মামলায় এবার সাক্ষ্য দিলেন সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট (সার্জন) ডা. বিশ্বজিত গোলদার। মঙ্গলবার সিলেটের দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রেজাউল করিমের আদালতে তিনি সাক্ষ্য দেন। এরআগে ১২ নভেম্বর হবিগঞ্জের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক মোহাম্মদ শহীদুল আমিন ও সুনামগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শ্যাম কান্ত সিনহা সাক্ষ্য প্রদান করেন। আদালতের এপিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খোকা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ডা. বিশ্বজিত ইমনের ময়না তদন্ত বিষয়ে সাক্ষ্য দিয়েছে। মামলার পরবর্তী তারিখ ১৩ ডিসেম্বর তদন্তকারী কর্মকর্তা সাক্ষ্য প্রদানের কথা রয়েছে।
মঙ্গলবার সাক্ষ্য প্রদানকালে ডা. বিশ্বজিত গোলদার উল্লেখ করেন, তিনি ২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল দুপুরে লাশের আংশিক অংশের ময়না তদন্ত করেন। মেডিকেল বোর্ডে তারা তিনজন ছিলেন। মাথার খুলি, হাড়, দাতসহ বিভিন্ন অংশের ময়না তদন্ত করেন। আদালতে আসামী সুজন, জাহেদ ও রফিকের পক্ষে জেরাকালে ডা. বিশ্বজিত জানান, প্রশাসনিক চাপের মুখে মৃতদেহের পরীক্ষা করে মতামত দেননি। আইনগত বিধান অনুযায়ী তারা ময়না তদন্ত করেন।
ছাতক উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়নের বাতিরকান্দি গ্রামের সৌদি প্রবাসী জহুর আলীর ছেলে ও লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কারখানার কমিউনিটি বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেনীর ছাত্র মোস্তাফিজুর রহমান ইমনকে ২০১৫ সালের ২৭ মার্চ অপহরণ করা হয়। পরে মুক্তিপনের টাকা পাওয়ার পরও অপহরণকারীরা শিশু ইমনকে হত্যা করে। ৮ এপ্রিল মোবাইল ট্যাকিংয়ের মাধ্যমে সিলেটের কদমতলী বাসষ্ট্যান্ড থেকে শিশু ইমনের হত্যাকারী ঘাতক ইমাম সুয়েবুর রহমান সুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পুলিশ হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি, বিষের বোতল ও রক্তমাখা কাপড় উদ্ধার করে। এমনকি বাতিরকান্দি হাওর থেকে ইমনের মাথার খুলি ও হাতের হাড় উদ্ধার করে পুলিশ। গ্রেফতার করে জড়িতদের। বর্তমানে তারা কারাগারে আছেন।
প্রসঙ্গত, মামলাটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের নির্দেশের পর সিলেটের দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১৬ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর মামলাটি ট্রাইব্যুনালে উঠে। মধ্যখানে বিরতির পর গত ২ আগষ্ট থেকে আবার সাক্ষ্য গ্রহন শুরু করেন আদালত। সাক্ষ্যগ্রহন শেষের পথে। ##
আপনার মতামত লিখুন

সারাদেশ,সিলেট বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ