রবিবার-২৯শে মার্চ, ২০২০ ইং-১৫ই চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: বিকাল ৫:২৬, English Version
উমাদিনী ত্রিপুরার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক ডোমার পৌর শহরে চলছে জীবাণু নাশক ছিটানো কার্যক্রম। লালপুরে দুস্থদের মাঝে নিজ উদ্যোগে খাবার সামগ্রী বিতরণ পার্বতীপুরে করোনা ঠেকাতে আদা, লং, কালিজিরার চা খাওয়ার গুজব! চাঁপাইনবাবগঞ্জে খেটে খাওয়া গরীব দুঃখি মানুষের মাঝে চাল বিতরণ শুরু ‘করোনা চিকিৎসায় ২৫০ ভেন্টিলেটর প্রস্তুত’ সংবাদপত্র সংক্রান্ত সকল ধরনের কাজ পরিচালনায় কোনো বাধা নেই

বাম জোট প্রার্থী দিচ্ছে দেড় শর বেশি আসনে

প্রকাশ: শনিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৮ , ৫:৫৬ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ : জাতীয়,

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেড় শতাধিক আসনে প্রার্থী দিচ্ছে বাম গণতান্ত্রিক জোট। জোটের হাতে বর্তমানে ১৭৭ জন প্রার্থীর তালিকা আছে বলে জানা গেছে। তবে কয়েকটি আসনে জোটের একাধিক দলের প্রার্থী থাকায় শেষ পর্যন্ত প্রার্থীর সংখ্যা কিছুটা কমতে পারে। আজ শনিবারই প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হবে।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী), গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশের ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টি ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন—এ আটটি দল নিয়ে বাম গণতান্ত্রিক জোট।

জোটের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রে জানা গেছে, শরিক দলগুলো প্রাথমিকভাবে দুই শতাধিক প্রার্থীর নাম দিয়েছিল। তাতে ছিল সিপিবির ৮৮, বাসদের ৬০, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ২১, বাসদের (মার্কসবাদী) ২২, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির ৯, গণসংহতি আন্দোলনের তিন, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের তিন, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের তিনজনের নাম।

জোটের অন্যতম নেতা ও সিপিবির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বাছাইপ্রক্রিয়ার এ পর্যায়ে আমাদের কাছে ১৭৭ জন প্রার্থীর নাম আছে। কয়েকটি আসনে একাধিক দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী থাকায় জোটের মোট প্রার্থী কত হচ্ছে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। কাল (শনিবার) এটি চূড়ান্ত হবে।’

সিপিবির কেন্দ্রীয় সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স কালের কণ্ঠকে জানান, সিপিবির প্রাথমিক তালিকায় শতাধিক প্রার্থীর নাম ছিল। যাচাই-বাছাই শেষে ৮৮ আসনে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হলেও জোটের শরিকদের ছাড় দেওয়ার কারণে প্রার্থী দাঁড়িয়েছে ৮২ জনে। দলীয় কাস্তে প্রতীক নিয়ে এই প্রার্থীরা লড়বেন। পাশাপাশি নিবন্ধন না থাকা কয়েকটি শরিক দলের প্রার্থীরাও লড়বেন কাস্তে মার্কা নিয়ে। তিনি আরো জানান, বাম জোটের প্রার্থী তালিকা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে দেড় শতাধিক আসনে প্রার্থী থাকবে।

সিপিবির কেন্দ্রীয় সদস্য শামসুজ্জামান সেলিম কালের কণ্ঠকে জানান, বাম গণতান্ত্রিক জোটের বাইরে থাকা ঐক্য ন্যাপের একাধিক প্রার্থী কাস্তে প্রতীক ব্যবহার করবেন।

একটি সূত্র জানা গেছে, খুলনার ছয়টি আসনে সিপিবির চারজন, বাসদের একজন এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির একজন প্রার্থী হচ্ছেন।

সিপিবির ৮২ প্রার্থী : দলীয় সূত্রে সিপিবির যে ৮২ জন প্রার্থীর নাম জানা গেছে তাঁরা হলেন— আশরাফুল আলম (পঞ্চগড়-২), প্রভাত সমীর শাজাহান আলম (ঠাকুরগাঁও-৩), বদিউজ্জামান বাদল (দিনাজপুর-৩), রিয়াজুল ইসলাম রাজু (দিনাজপুর-৪), কামরুজ্জামান (রংপুর-৬), উপেন্দ্রনাথ (কুড়িগ্রাম-২), দেলোয়ার হোসেন (কুড়িগ্রাম-৩), নূরে আলম মানিক (গাইবান্ধা-১), মিহির ঘোষ (গাইবান্ধা-২), যজ্ঞেশ্বর বর্মণ (গাইবান্ধা-৫), সন্তোষ পাল (বগুড়া-৫), আমিনুল

ফরিদ (বগুড়া-৬), ডা. ফজলুর রহমান (নওগাঁ-৪), মনসুর রহমান (নওগাঁ-৬), এনামুল হক (রাজশাহী-২), মোস্তফা নূরুল আমিন (সিরাজগঞ্জ-৩), অহিদুজ্জামান পিন্টু (কুষ্টিয়া-২), ফণীভূষণ রায় (ঝিনাইদহ-৪), আনিসুর রহমান (মাগুরা-১), খান সেকেন্দার আলী (বাগেরহাট-২), শরিফুজ্জামান শরিফ (বাগেরহাট-৪), অশোক সরকার (খুলনা-১), এইচ এম শাহাদাৎ (খুলনা-২), চিত্ত গোলদার (খুলনা-৫), সুভাষ সানা মহিম (খুলনা-৬), মোতালেব মোল্লা (পটুয়াখালী-১), শাহাবুদ্দিন আহমেদ (পটুয়াখালী-২), অ্যাডভোকেট সোহেল আহমেদ (ভোলা-১), ডা. তপন বসু (পিরোজপুর-১), হাজি হামিদ (পিরোজপুর-২), দিলীপ পাইক (পিরোজপুর-৩), জাহিদ হোসেন খান (টাঙ্গাইল-২), মনজুরুল আহসান খান (জামালপুর-২), শিবলুল বারী রাজু (জামালপুর-৩), আলী আক্কাস (জামালপুর-৫), আফিল শেখ (শেরপুর-১), আব্দুর রেজ্জাক (ময়মনসিংহ-১), হারুন-আল বারী (ময়মনসিংহ-৩), অ্যাডভোকেট এমদাদুল হক মিল্লাত (ময়মনসিংহ-৪), ডা. দিবালোক সিংহ (নেত্রকোনা-১), মোশতাক আহমেদ (নেত্রকোনা-২), অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন (নেত্রকোনা-৩), জলি তালুকদার (নেত্রকোনা-৪), অ্যাডভোকেট এনামুল হক (কিশোরগঞ্জ-১), নূরুল ইসলাম (কিশোরগঞ্জ-২), ডা. এনামুল হক ইদ্রিস (কিশোরগঞ্জ-৩), অধ্যক্ষ ফরিদ আহমেদ (কিশোরগঞ্জ-৫), নাসিরউদ্দিন (মানিকগঞ্জ-২), সমর দত্ত (মুন্সীগঞ্জ-১), শ ম কামাল হোসেন (মুন্সীগঞ্জ-৩), আবিদ হোসেন (ঢাকা-১), সুকান্ত শফী চৌধুরী কমল (ঢাকা-২), আবু তাহের বকুল (ঢাকা-৬), আহসান হাবিব লাবলু (ঢাকা-১৩), রিয়াজউদ্দিন (ঢাকা-১৪), ডা. সাজেদুল হক রুবেল (ঢাকা-১৫), লীনা চক্রবর্তী (ঢাকা-১৯), মো. হানিফ মাহমুদ (গাজীপুর-১), জিয়াউল কবীর খোকন (গাজীপুর-২), মানবেন্দ্র দেব (গাজীপুর-৪), কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন (নরসিংদী-৪), মো. মনিরুজ্জামান চন্দন (নারায়ণগঞ্জ-১), হাফিজুল ইসলাম (নারায়ণগঞ্জ-২), আব্দুস সালাম বাবুল (নারায়ণগঞ্জ-৩), ইকবাল হোসেন (নারায়ণগঞ্জ-৪), অ্যাডভোকেট মন্টু ঘোষ (নারায়ণগঞ্জ-৫), হাফিজুর রহমান (ফরিদপুর-২), রফিকুজ্জামান লায়েক (ফরিদপুর-৩), আতাউর রহমান কালু (ফরিদপুর-৪), সুশান্ত ভাওয়াল (শরীয়তপুর-৩), নিরঞ্জন দাশ খোকন (সুনামগঞ্জ-২), পীযূষ চক্রবর্তী (হবিগঞ্জ-৩), ঈশা খান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২), শাহরিয়ার মো. ফিরোজ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩), শাহীন খান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫), অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোহাম্মদ জামাল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬), আবদুল্লাহ কাফী রতন (কুমিল্লা-৫), মজিবুল হক (নোয়াখালী-৩), সেহাব উদ্দিন সাইফু (চট্টগ্রাম-৮), মৃণাল চৌধুরী (চট্টগ্রাম-৯), আব্দুল নবী (চট্টগ্রাম-১৪) ও দীপক বড়ুয়া (কক্সবাজার-৩)।সূত্র:কালের কন্ঠ

আপনার মতামত লিখুন

জাতীয় বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ