বুধবার-১৩ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং-২৮শে কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: বিকাল ৫:৩৯
গাইবান্ধায় মানববন্ধন করেছে নারী মুক্তি কেন্দ্র। সৈয়দপুরে নতুন সড়ক পরিবহন আইন বাস্তবায়নে পুলিশের সচেতনতা প্রচারাভিযান ঠাকুরগাঁওয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন পার্বতীপুর রেলওয়ে জংশনে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির লাশ উদ্ধার কৃষ্ণগোবিন্দ পুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১২দরিদ্র ছাত্রীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ পার্বতীপুরে ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত মালিকদের ৪ দফা দাবীতে সংবাদ সম্মেলন আগামীকাল থেকে রোগী দেখবেন, ইনশাআল্লাহ . চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃতি সন্তান,

মমির খুলি দিয়ে তরুণীর ‍মুখ পুনর্গঠন!

প্রকাশ: সোমবার, ৭ নভেম্বর, ২০১৬ , ৪:৫১ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ : তথ্য-প্রযুক্তি,

2000yr-old-womenমুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: বিজ্ঞান তার নানা শাখার নানামুখী ঝলক দিয়ে আমাদের প্রতিদিন বিস্মিত করে চলেছে। প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো বিস্ময় উপহার দিয়ে চলেছে বিজ্ঞান।

আসলে বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ আবিস্কার উম্মুক্ত করে দিতে পারে আরো অনেক বিষয়ের দ্বার। তেমনই এক আবিষ্কার থ্রিডি প্রিন্টার। ইদানিং এর নানামুখী ব্যবহার আমাদের নিয়ে যাচ্ছে বিস্ময়ের অন্য এক উচ্চতায়।

সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার মেলবর্নে ইউনিভার্সিটি অব মেলবর্নের গবেষকরা জন্ম দিয়েছেন অপার এক বিস্ময়। এই ইউনিভার্সিটির বেজমেন্টে প্রায় ৯০ বছর ধরে পরে থাকা এক মমির মাথার খুলি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, মৃতার আসল চেহারা কেমন ছিল! ধারণা করা হচ্ছে প্রায় ২০০০ বছর পূর্বে এই মহিলার মৃত্যু হয়েছিল। ‘মেরিটামুন’ নামের এই মিশরীয় সুন্দরী ১৮ থেকে ২৫ বছরের বলে ধারণা করা হচ্ছে। তার মৃতদেহ মমি করে রাখা হয়েছিল।

সম্প্রতি এক অডিট চলাকালীন সময়ে এই মমির শুধু মাথার অংশ পাওয়া যায়। কোনো এক অজ্ঞাত কারণে মমির বাকি অংশ পাওয়া যায়নি। তবে বাকি অংশের জন্যে গবেষকরা বসে থাকেননি। তারা এই মাথার খুলি নিয়েই চালিয়ে গেছেন গবেষণা।

Women

মেরিটামুন দেখতে কেমন ছিল, সেটা ধারণা করার চেয়ে বিজ্ঞানীরা বাস্তবে দেখতে চেয়েছিলেন। তাই বেশকিছু ধাপে তারা এই অসাধ্যকে সাধ্য করেন। তারা এই খুলির সিটিস্ক্যান করেন। ইউনিভার্সিটি অব মেলবর্ন, ভিক্টোরিয়ান ইনস্টিটিউট অব ফরেনসিক মেডিসিনের সহায়তায় সিটি স্ক্যান এবং থ্রিডি প্রিন্টারের সহায়তায় তৈরি করেন অবিকল এই তরুণীর মুখ, অন্তত বিজ্ঞানীদের দাবি সেরকমই।

ইউনিভার্সিটি অব মেলবর্নের হ্যারি ব্রুকস অ্যালেন মিউজিয়াম কিউরেটর ড. রায়ান জেফারিসের মতে, এই উদ্যোগ অনেক সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে। যেখানে আগে এ ধরনের মমির ক্ষেত্রে জল্পনা কল্পনা করা হতো যে, মমির ব্যক্তিটি দেখতে আসলেই কেমন ছিল? এই ধরনের প্রয়াস মানুষকে প্রকৃত অনুমান করতে সহায়তা করবে।

জেফারিসের মতে, এটা ইউনিভার্সিটি অব মেলবর্নের ছাত্রদের জন্য বিরাট সুযোগ করে দিল। কেননা এই মিউজিয়ামে ১২০০০ এর মতো এ ধরনের এনাটমির অংশ বা স্যাম্পল রয়েছে। যা তাদের ভবিষ্যত গবেষণায় যথেষ্ট সাহায্য করবে।

তবে এখন এই মুখমণ্ডল আবিষ্কারের পরে বিজ্ঞানীরা মেরিটামুনের জীবনযাপন বা কিভাবে মারা গিয়েছে এই সব বিষয় নিয়ে গবেষণা করার উদ্যোগ নিয়েছে। বিজ্ঞানীদের ধারনা, এই প্রয়াস তাদের ২০০০ বছর আগের জীবনযাপন কিংবা তখনকার অনেক তথ্য পেতে সাহায্য করবে।

 

আপনার মতামত লিখুন

তথ্য-প্রযুক্তি বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ