রবিবার-২৯শে মার্চ, ২০২০ ইং-১৫ই চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: বিকাল ৫:৩৫, English Version
উমাদিনী ত্রিপুরার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক ডোমার পৌর শহরে চলছে জীবাণু নাশক ছিটানো কার্যক্রম। লালপুরে দুস্থদের মাঝে নিজ উদ্যোগে খাবার সামগ্রী বিতরণ পার্বতীপুরে করোনা ঠেকাতে আদা, লং, কালিজিরার চা খাওয়ার গুজব! চাঁপাইনবাবগঞ্জে খেটে খাওয়া গরীব দুঃখি মানুষের মাঝে চাল বিতরণ শুরু ‘করোনা চিকিৎসায় ২৫০ ভেন্টিলেটর প্রস্তুত’ সংবাদপত্র সংক্রান্ত সকল ধরনের কাজ পরিচালনায় কোনো বাধা নেই

সরকাররে র্দীঘ সময়ইে শক্ষিা উন্নয়নরে বাস্তবায়ন ও পরকিল্পনা

প্রকাশ: সোমবার, ৫ নভেম্বর, ২০১৮ , ৯:৫৪ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ : জাতীয়,

নজরুল ইসলাম তোফা:: শক্ষিা বা জ্ঞানই মানুষরে জীবন ধারণ ও উন্নতরি জন্যে প্রধানতম সহায়ক বা নয়িামক। একদা গুহা বাসী আদমি মানব আজ যে বস্মিয়কর সভ্যতার বকিাশ ঘটয়িছেে তার পছেনইে রয়ছেে মানুষরে যুগ যুগান্তররে র্অজতি জ্ঞান এবং র্অজনরে প্রক্রয়িা। সইে প্রক্রয়িার নামই শক্ষিা। তাই শক্ষিাকে জাতরি মরেুদণ্ড বা শক্ষিা জাতরি উন্নতরি র্পূবর্শত। মরেুদণ্ড ছাড়া মানুষ কখনোই চলতে পারে না, তমেনি সুশক্ষিতি লোক ছাড়া একটি দশে চলতে পারে না। জানা দরকার য,ে এই বাংলা শক্ষিা শব্দটি এসছেে ‍’শাস’ ধাতু থকে।ে যার র্অথই শাসন করা বা উপদশে দান করা। আর শক্ষিার ইংরজেি প্রতশিব্দ ‘এডুকশেন’, তা এসছেে ল্যাটনি শব্দ ‘এডুকযে়ার’ বা ‘এডুকাতুম’ থকে।ে যার র্অথ বরে করে আনা র্অথাৎ ভতেররে সম্ভাবনাকইে বাইরে বরে করে নযি়ে আসা বা বকিশতি করা। সক্রটেসিরে ভাষায়, এ শক্ষিা হল মথ্যিার অপনোদন ও সত্যরে বকিাশ। এরস্টিটলরে মত,ে সুস্থ দহেে সুস্থ মন তরৈি করাই হল শক্ষিা আর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুররে ভাষায় বলতে গলে,ে শক্ষিা হল তাই যা আমাদরে কবেল তথ্য পরবিশেনই করে না, বশ্বি সত্তার সাথইে সামঞ্জস্য রখেে আমাদরে সুন্দর জীবনকে গড়ে তোল।ে সুতরাং, শক্ষিা প্রক্রযি়ায় যে কোন মানুষরে অর্ন্তনহিতি গুণাবলীর র্পূণ বকিাশরে জন্যইে উৎসাহ দযে়া এবং সমাজে তাকইে একজন উৎপাদনশীল সদস্য হসিবেে প্রতষ্ঠিালাভরে জন্যইে যে সব দক্ষতা প্রয়োজন সে গুলো র্অজনে অবশ্যই সহায়তা করা। সাধারণ র্অথে যদি বল,ি জ্ঞান অথবা দক্ষতা র্অজনই শক্ষিা। ব্যাপক র্অথে এমন শক্ষিাকে পদ্ধতগিত ভাবে জ্ঞান লাভরে প্রক্রযি়াটকিইে শক্ষিা বল।ে সুতরাং শক্ষিা হল, সম্ভাবনার পরপর্িূণ বকিাশ সাধনরে অব্যাহত অনুশীলন। একটু অন্য ভাবে বলা যায় য,ে মস্তষ্কিবহিীন মানুষ এবং শক্ষিাবহিীন জাতি কখনোই উন্নতি করতে পারে না। তাই শক্ষিার দকিে যে দশে যত বশেি অগ্রগামী, সে দশেটি যনে ততোই উন্নয়ন মাত্রায় বশেি সমৃদ্ধশালী। তাই তো মানুষকে শক্ষিতি রূপে গড়ে তোলার দ্বায়ত্বিে যারা নয়িোজতি রয়ছেে তারাই হচ্ছে সু-শক্ষিক। কন্তিু স্বাধীন রাষ্ট্ররে যাবতীয় র্কাযক্রমরে মধ্যে শক্ষিাকে আর শক্ষিককে কতটুকু মূল্যবান করছে সরকার, সটেইি এ ভাবনার আবশ্যকি বষিয়। রাষ্ট্র বজ্ঞিানরে সংজ্ঞাতইে বলতে গলেে বলা যায় য,ে একটি কল্যাণ মূলক আধুনকি রাষ্ট্রে যে সব উপাদান থাকা উচতি, তা যদি নশ্চিতি করার প্রয়োজন হয়, তবে শক্ষিাকে প্রথম কাতারইে রাখা কংিবা শক্ষিকদরে র্মযাদা সহ র্আথকি উন্নয়ন কংিবা বতেন বৃদ্ধি প্রয়োজন।
উন্নয়নশীল এমন বাংলাদশেরে পক্ষে অবশ্যই চষ্টো করলে শক্ষিক এবং শক্ষিাকে উচ্চ আসনে বসানো সম্ভব, যদি থাকে সরকাররে সদচ্ছিা। এ শক্ষিাকইে সারা বশ্বিরে দশেগুলো কমেন ভাব,ে কতটুকু গুরুত্ব দয়িে থাকে তারও পরসিংখ্যান জানা দরকার। যদি যুক্তরাষ্ট্ররে শক্ষিা দকিে দৃষ্টি আর্কষণ কর,ি তা হলে দখো যায় শক্ষিকগণদরে ‘ভ,িআই,প’ি র্মযাদা প্রদান করে তারা। ফ্রান্স সরকার তাদরে আদালতে কবেল মাত্র শক্ষিকইে চয়োরে বসতে দনে। আর জাপানওে এই শক্ষিকদরে তাদরে সরকাররে বশিষে অনুমতি ছাড়া কখনো গ্রফেতার করনো। আবার চীন দশেরে শক্ষিা উন্নয়নে সবচয়েে র্মযাদা র্পূণ পদই শক্ষিকতা। তাছাড়াও কোরয়িার দকিে যদি একটি বার দৃষ্টপিাত কর,ি তাহলে এমন শক্ষিকদরে মন্ত্রীদরে মতো সমান সুযোগ দনে। সুতরাং বাংলাদশেরে শক্ষিকরে কমেন অবস্থান কংিবা তাদরে শ্রমরে মূল্য কমেন প্রদান হয় সটেইি বশ্লিষেণরে প্রয়োজন। স্বাধীনতার পর থকে,ে এমন রাষ্ট্রে কতটুকুই উন্নত হয়ছেে বা তার ভবষ্যিৎ কোন দকিে এগোচ্ছ,ে তাকে অবশ্যই বোঝা যাবে এ দশেরে শক্ষিা সংক্রান্ত র্কাযক্রমরে ভতের দয়ি।ে এই দশে,ে এই সরকার এর আমলে আসলইে সু-শক্ষিার গুণগতমান বৃদ্ধি পয়েছেে তাকে কোনো ভাবইে যনে অশকিার করবার উপায় দখেছনিা। প্রধানমন্ত্রী শখে হাসনি র্বতমানে উন্নয়নশীল এইদশেরে শক্ষিা ক্ষত্রেে গভীর মনোযোগী। তাই, বাংলাদশেরে শক্ষিা কংিবা শক্ষিকদরে ভবষ্যিতরে দকিে তাকয়িে বতেন ভাতা বৃদ্ধি করছেে কন্তিু তা এখনও প্রয়োজনরে তুলনায় অনকে কমই বলা চল।ে তবুও এমন আওয়ামী লীগ সরকার দশেরে ক্ষমতা হাতে নয়িইে যনে শক্ষিা সহ শক্ষিকদরে মানর্মযাদার কথা ভাবছ।ে আগামীতওে এখাতে অনকে স্বয়ং সর্ম্পূণ ভাবে কাজ করবে বলে জানা যায়। শক্ষিা ক্ষত্রেে র্বতমান সরকাররে ইচ্ছা ও উন্নয়নরে অবস্থান অনকোংশইে অগ্রসর। উপলব্ধি ও পরমিাপরে ববিচেনায় এখন যদি এ বাংলাদশেরে শক্ষিা ব্যবস্থার দকিে দৃষ্টি আর্কষণ কর,ি তা হলওে এখনও বশ্বিরে শক্ষিা ব্যবস্থার চয়েে এদশেরে শক্ষিা ব্যবস্থা পছিয়িে রয়ছে।ে জানা যায় যে ১৯৭১সালরে ১৪ ডসিম্বের বুদ্ধজিীবী হত্যার প্রধান যে লক্ষ্য ছলি-জাতকিে মধোশূণ্য করে দয়ো, তা অনকোংশইে যনে সফল হয়ছে।ে ঐ সকল বুদ্ধজিীবীদরে অর্বতমানইে জাতীয় শক্ষিা র্কাযক্রমরে ধারাবাহকিতা গুলো চলে গয়িছেলি এক অযোগ্য মহলরে ব্যক্তরি নকিট। তাই বাংলাদশে যে সূচনালগ্নে একবোরইে বুদ্ধজিীবীশূণ্য অবস্থায় ছলি, তা তো নয়। জাতরি জনক ‘বঙ্গবন্ধুর’ আর্দশইে তারা অনুপ্রাণতি হয়ে সু-শক্ষিার আলোকে সে সময়ইে গুরুত্বর্পূণ ব্যক্তি হয়ে ছলি। তাদরে আজ অনকেকইে হারাতে হয়ছে।ে তবুও এ বাংলাদশেকে প্রধানমন্ত্রী শখে হাসনিা অনকেটা এগয়িে নতিে চষ্টো করছ।ে প্রকৃত পক্ষে এ দশেরে সরকার নানা ভাবইে দশেরে শক্ষিা ব্যবস্থার উন্নয়নরে সঙ্গে সে ববিচেনায় প্রতটিি নাগরকিদরে শক্ষিা নশ্চিতি সহ শক্ষিকদরে র্কমমুখী র্কমে গড়ে তোলার ব্যাপক প্রয়াস চালাচ্ছ।ে
টকেসই শান্তি নশ্চিতিরে লক্ষ্যে শক্ষিাকইে সবচযে়ে শক্তশিালী হাতযি়ার হসিবেে উপজীব্য করে ভবষ্যিৎ প্রজন্মকইে নরিাপদ শান্তরি জন্য শক্ষিায় বনিয়িোগ করতে হবে এবং তা আওয়ামীলীগ সরকার করছ।ে শক্ষিা উচ্চাকাঙ্ক্ষা বাড়ায়, নজিরে অবস্থান বজায় রাখতে সাহায্য করে কংিবা জীবনকইে সমৃদ্ধ কর।ে আরও বলা যায় য,ে সামাজকি ব্যাধরি বশেরিভাগই দূর করে ”সু-শক্ষিা”। এটি র্কমসংস্থানরেও সৃষ্টি কর,ে আয় ও দারদ্র্যি নরিসনে ভূমকিা রাখ।ে
জ্ঞান বজ্ঞিানরে বস্মিয়কর উন্নতরি এইযুগে জাতীয় জীবনে শক্ষিার কোনো বকিল্প নইে। জ্ঞান-বজ্ঞিানরে আলোয় আলোকতি নয়, তারা পদে পদে অন্ধকারই দখে।ে জননত্রেী শখে হাসনিা আরও বলনে, একটি র্পূণাঙ্গ কংিবা র্দীঘ ময়োদি শক্ষিা নীতি প্রণয়ন কর,ে দশেরে সকল জনগোষ্ঠীকইে অজ্ঞানতার অন্ধকারে নমিজ্জতি এই নরিক্ষর জাতকিে আলোকতি করতে হব।ে এমন এই শক্ষিা নীতরি যথাযথ প্রয়োগ কংিবা বাস্তবায়নরে অবকাঠামোগত কাজগুলোকে সম্পন্ন করে আরও খুব স্বযত্নইে ডজিটিাল বাংলাদশে গড়ে তোলতে হব।ে শক্ষিকতা পশোকে সারা বশ্বিরে দশে গুলোর মতো শক্ষিকদরে অবশ্যই পারশ্রিমকি দয়িে র্মযাদা পর্ূূণ আসনে বসয়িে এমন শক্ষিকতা পশোকে গুরুত্ব র্পূণ করে তুলতে হব।ে তাছাড়াও শক্ষর্িাথীদরে জন্যে শক্ষিা মূলক বভিন্নি র্কমসূচরি পাশা পাশি বহু ধরনরে বনিোদনরে ব্যবস্থা বৃদ্ধরি প্রয়োজন রয়ছে।ে নতুন প্রজন্মরে শশিুরাই পাবে উন্নত কংিবা সমৃদ্ধরি বাংলাদশে। শখে হাসনিা বলনে, শশিু-কশিোরদরেই উৎসাহতি করা প্রয়োজন চত্রিাঙ্কন ও বষিয় ভত্তিকি রচনা প্রতযিোগতিা এবং খলোধুলা, সাংস্কৃতকি র্চচা সহ অনকে সু-পরকিল্পতি ভাবইে বক্তব্য বা বক্তৃতার অনুশীলন। এই গুলোই ছলেে ময়েদেরে “খুব সুন্দর” জীবন গড়ার সুযোগ সৃৃষ্টি কর।ে তাই শক্ষিার সঙ্গইে ভবষ্যিৎ প্রজন্মরে জীবনকে সুন্দর ও সমৃদ্ধ করতে সরকার সুপরকিল্পতি ভাবইে দশে গড়ার কাজ করে যাচ্ছ।ে আজকরে শশিুরা বড় হয়ইে এদশেরে জন্যে র্গববোধ করব।ে
ইতহিাসরে দকিে ফরিে তাকালে দখো যায়, অতীতে পাবলকি পরীক্ষায় ব্যাপক হারে নকল, র্দুনীত,ি প্রশ্ন ফাঁস কংিবা পরীক্ষা কন্দ্রেে উত্তর বলে দওেয়ার মত কাজ গুলো শক্ত হাতইে এ সরকার বন্ধ করতে চষ্টো করছ।ে কন্তিু কছিু কুচক্রী গোষ্ঠীর ষড়যন্ত্রইে যনে এ সরকার বব্রিত হচ্ছ।ে আসলে বলতইে হয়, সরকার কারগিরি দকি থকেইে বাংলাদশেরে শক্ষিা ব্যবস্থার উন্নত,ি অবশ্যই সইে দকিে দৃষ্টি আর্কষণ করতে যনে সক্ষম হয়ছে।ে তাছাড়াও দশেরে ‘মাদ্রাসা’ শক্ষিাকে অনকে গুরুত্বর্পূণ ভাবইে মূল্যায়ন করছে।ে আল্লামা শাহ আহমদ শফি বলছে,ে প্রধানমন্ত্রী শখে হাসনিাই কওমি সনদরে স্বীকৃতি দয়িে “মাদ্রাসা” শক্ষিা ব্যবস্থা সহ আলমেদরেকে খুবই সম্মানতি করছে।ে সরকার বই-পুস্তক থকেে শুরু করইে যনে- অনকে ল্যাপটপ, তথ্য-প্রযুুক্তরি ব্যবহার, বৃত্তি প্রদান ও বনিা বতেনইে লখো পড়ার সুুুযোগ কংিবা যাতায়াতরে মাধ্যম সহ ইত্যাদরি বৃদ্ধি নঃিসন্দহেে ইতবিাচক। তাই আধুনকি শক্ষিাকে র্কাযকরী সর্ম্পকে প্রয়োজন হবে মানবকি গুণাবলী সমৃদ্ধ শক্ষিা পদ্ধতি কংিবা ছাত্র/ছাত্রীদরে শক্ষিা গ্রহণরে ব্যবস্থায় প্রয়োজন শক্ষিক মহলদরে যুুুুগোপযোগী চন্তিাচতেনা এবং তার যথাযথ ব্যবহার সহ একটি আধুনকি সলিবোস দাঁড় করানো। এতইে শক্ষিার ক্ষত্রেে ন্যায়, সত্য কংিবা অনকে সুন্দর এক উপযোগী শক্ষিার পরবিশে গড়ে তোলা সহ নতৈকি শক্ষিা বা মূল্যবোধরে র্চচাকে প্রাধান্য দয়িইে অনকে আধুনকি সুশক্ষিতি, সচতেন মানুষরে দায়ত্বিে থাকা উচতি। এমন রাষ্ট্র কংিবা সমাজরে প্রতি সইে দায়ত্বি গুলোকইে চহ্নিতি করে তার যথাযথ প্রয়োগ ঘটাতে হব।ে এই শক্ষিাকে নয়িইে দখো যায় বহু র্দুনীতি হয়। তাকে প্রশ্রয় না দয়িইে, সখোনে মানুষ গড়ার একটি প্লাটর্ফম সৃষ্টি করতে হব।ে পরীক্ষা গ্রহণ কর,ে যারা যোগ্য ছাত্র-ছাত্রী তাদরে মূল্যায়নে এনে অযোগ্যকে মূল্যায়নরে নাটক বন্ধ প্রয়োজন। বশিষেত আজকে দখোই যায়, শক্ষিা প্রতষ্ঠিানরে অভ্যন্তরীণ যইে সব পরীক্ষা বাস্তবকি র্অথে তা সামাজকি কাজে ব্যবহার হয় না বললইে চল।ে তাই সখোনে কারগিরি কংিবা ব্যবহারকি শক্ষিা পদ্ধতি প্রসার ঘটাতে হব।ে
শক্ষর্িাথী যাতে ফলে না করে তাকওে শক্ষিকদরেকে নশ্চিতি করা প্রয়োজন। র্বতমানে এই আওয়ামীলীগ সরকার শক্ষিা ক্ষত্রেে প্রসার এবং জনসাধারণকওে শতভাগ সু-শক্ষিার আওতাতইে নয়িে আসার জন্যে বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করছে।ে গবষেণা, বজ্ঞিানরে মতো শক্ষিাতইে গুরুত্ব দয়িছেে সরকার। প্রধানমন্ত্রী জানান, উচ্চশক্ষিা প্রসারে বশিষে ফান্ডও গঠন করা হয়ছে।ে কারগিরি ও বজ্ঞিানসহ সব ধরনরে শক্ষিার ওপর গুরুত্ব দয়িে কারকিুলাম পরর্বিতনও করছে।ে
প্রধানমন্ত্রী আরও বলনে, র্বতমানে আমাদরে ১৫১টা বশ্বিবদ্যিালয় রয়ছে।ে যখোনে ৪৮টা পাবলকি এবং ১০৩টা প্রাইভটে। তার একটাই লক্ষ্য হচ্ছ,ে যত বড় বড় এলাকা রয়ছে,ে যইে সব জলোয় বশ্বিবদ্যিালয় নইে, সে সব জলোয় একটি করে বশ্বিবদ্যিালয় করে দবেে এবং যখোনে বশ্বিবদ্যিালয় নাই, সখোনে তনিি বশ্বিবদ্যিালয় করওে দচ্ছি।ে এই সরকাররে উদ্দশ্যে একটাই যাতে ছলেমেয়েরো ঘরে বসে যাতে শক্ষিাটা পায়। জননত্রেী শখে হাসনিা আবার ক্ষমতায় এলইে বাংলাদশেরে প্রতটিি বভিাগীয় শহরে একটি করইে মডেক্যিাল বশ্বিবদ্যিালয় নর্মিাণ করবে বলে ঘোষণা দনে। তনিি আরও বলনে, এমন বাংলাদশেে কোনো মডেকিলে বশ্বিবদ্যিালয় কখনো ছলিনা। তাঁর লক্ষ্য এইদশেরে মানুষ সুলভে সুচকিৎিসা পাবে ও তাদরে সন্তান সখোনইে পড়াশোনা করে খুব ভালো ডাক্তার হব।ে জাতরি পতিা প্রতটিি উপজলোয় ”দশ” বডেরে হাসপাতাল করছেলি, সখোনইে জনগণ স্বাস্থ্য সবো যুগোপযোগী মানরে পাশাপাশি ডাক্তার তরৈি কংিবা মডেকিলে ছাত্র/ছাত্রীরা চকিৎিসা পদ্ধততিে নজিস্ব মননশীলতা বৃদ্ধি করতে পারবে বলইে তাকে নর্মিাণ করছেলি। কন্তিু জাতরি পতিা আজ নইে, তার স্বপ্ন তো জননত্রেী শখে হাসনিার চন্তিা চতেনায় রয়ছে।ে
জাতরি পতিার স্বপ্ন পুরনে ইতমিধ্যে রাজশাহী এবং চট্টগ্রাম মডেকিলে বশ্বিবদ্যিালয় শুরু করছে।ে আর একটি সলিটে মডেকিলে বশ্বিবদ্যিালয় এর প্রস্তুাবও র্পালামন্টেে পাশও হয়ছে।ে তাছাড়াও বাঁকি “পাঁচট”ি বভিাগরেও ‘মডেকিলে বশ্বিবদ্যিালয়’ হাতে নয়িছে।েআওয়ামী লীগ সরকার আবারও ক্ষমতায় এলে সে গুলোর কাজ শুরু করব।ে স্বাস্থ্যসবোর পাশাপাশওি ছাত্র ছাত্রীদরে সুশক্ষিার প্লাটর্ফম সৃষ্টি হব।ে নওগা, নীলফামার,ি মাগুরায় “মডেকিলে কলজে” করাও হচ্ছ।ে চাঁদপুরওে একটি “মডেকিলে কলজে” করার পরকিল্পনা নওেয়া হয়ছে।ে শক্ষিা কংিবা চকিৎিসার ক্ষত্রেে বঙ্গবন্ধু মডেকিলে বশ্বিবদ্যিালয় হবে অনকে আধুনকি এক সবো ও শক্ষিা উন্নয়নরে সন্টোর অব এক্সসলিন্সে। চকিৎিসার সহতি শক্ষিা, মধো বৃত্তি ও শক্ষিা প্রতষ্ঠিান নর্মিাণ সহ শক্ষিকদরে গবষেণাতওে সমগ্র বশ্বি থকেইে সহায়তা পাচ্ছ।ে প্রধানমন্ত্রী “শখে হাসনিা” বলনে, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বাংলাদশেরে শক্ষিা খাতে উন্নয়ন এবং গবষেণায় কোনো ধরনরে বরাদ্দ ছলি না। ৯৬ সালে প্রথম থকেে বরাদ্দ দয়োর প্ররক্রয়িা চালু হয়। সুতরাং উল্লখে করার মতো এক উদহারণ তা হলো, এ শক্ষিার গুণগত মানোন্নয়নওে লক্ষণীয় মাধ্যমকি শক্ষিা ব্যবস্থার উন্নয়নইে ‘একান্ন কোটি ডলার’ ঋণ সহায়তা পাচ্ছ,ে একটি সহযোগী বশ্বি ব্যাংক থকে।ে তাছাড়াও একই প্রকল্পে আরও ”এক কোটি ডলার”, গ্লোবাল ফনিান্সংি ফসেলিটিরি আওতায় অনুদান সহায়তা দচ্ছিে এমন এ সংস্থাট।িসরকাররে ট্রান্সফরমংি সকেন্ডোরি এডুকশেন ফর রজোল্ট অপারশেন এর র্শীষক একটি র্কমসূচতিওে মোট বাহান্ন কোটি র্মাকনি ডলার দচ্ছিে বশ্বিব্যাংক। এই দশেরে স্থানীয় মুদ্রায় এর পরমিাণ হবে প্রায়- ৪ হাজার ৩১৬ কোটি টাকা। শক্ষিা মন্ত্রণালয়রে এমন এই প্রকল্পটি জানুয়াররি- ২০১৮ থকেে আরম্ভ করে ডসিম্বেররে- ২০২২ সালইে বাস্তবায়ন করব।ে এমন ধরণরে শক্ষিা উন্নয়নে বাংলাদশে একসময় পরচিয় দতিে র্গববোধ করব।ে আজকরে তরুণ প্রজন্মকইে সামনে রখেইে যনে প্রধানমন্ত্রী শখে হাসনিা “ডল্টো প্ল্যান ২১০০” গ্রহণ করছে।েশক্ষিা ক্ষত্রেকে সু-বস্তিৃত করতইে সমগ্র বাংলাদশেরে যখোনে স্কুল নাই এমন পরবিশেে ‘স্কুল প্রতষ্ঠিা’ ও যখোনে সরকারি কলজে এবং স্কুল নাই, সখোনইে ‘সরকারি কলজে’ কংিবা ‘স্কুল’ করওে দচ্ছি।ে তনিশ’র কাছা কাছইি কলজে এবং ‘ছাব্বশি হাজার’ প্রাইমারি স্কুল সরকারি করণ করছে।ে সুতরাং নতুন প্রজন্মকইে আধুনকি শক্ষিায় শক্ষিতি করাই আওয়ামী লীগ সরকাররে মূললক্ষ্য। শশিুরা আগামী প্রজন্মে নান্দনকি সুশক্ষিা নয়িে বড় হয়ইে এমন এ প্রতষ্ঠিানসহ সমগ্র দশেরে গুরুত্ব র্পূণ দ্বায়ত্বি পালন করতে পারব।ে
শুধু এমন ধরনরে উদ্যোগ গ্রহণে এই সরকার ক্ষান্ত হয়ন,ি মুক্তযিুদ্ধরে সপক্ষরে সরকার সে সব উদ্যোগ বাস্তবায়নরে জন্য অগ্রাধকিার ভত্তিতিে কাজ করইে চলছ।ে আবার এদশেে তরৈি পোশাক খাতে র্কমরত শ্রমকিদরে মধোবী ছলে/েময়েদেরে পড়া লখোতওে সহযোগতিা করছেে সরকার এবং শক্ষিাবৃত্তি পাচ্ছে তারা। কারণ সব শ্রণেীর মানুষরে সহায়তায় শক্ষিার মান বৃদ্ধি করে সমাজ ও জাতরি ভাগ্য পরর্বিতনরে লক্ষ্যইে দাঁড় হবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নরে সোনার বাংলা বা ডজিটিাল বাংলাদশে। তাই এই সামষ্টকি উন্নয়নরেই র্বতমানে এ সরকার এমন বষিয়টকিে উপলব্ধি করে উন্নয়নরে সঁিড়ি হসিবেে শক্ষিাকইে বছেে নয়িছেে ও তদানুযায়ী পদক্ষপেও গ্রহণ করছে।ে শক্ষিার নানান স্তর, পাবলকি পরীক্ষা সমূহ, পাঠ্যবই এবং পাঠ্যসূচি থকেে শুরু করে পরীক্ষার ফলাফলরে সঙ্গে আরও যাবতীয় বষিয়াদকিে ব্যাপক পরর্বিতনরে আওতায় নয়িে আসছ।ে তাছাড়াও এনসটিবিি বা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তররে “এটুআই” প্রোগ্রামরে দ্বারাই যৌথ উদ্যোগে প্রাথমকি ও মাধ্যমকি স্তররে ১০৯ টি পাঠ্য পুস্তকরে ই-বুক ওয়বেসাইট তরৈি করছে।ে যার ফলইে আজ পৃথবিীর যে কোনো প্রান্ত থকেে যে কউে, যে কোনো সময় জাতীয় শক্ষিাক্রম কংিবা পাঠ্য পুস্তক র্বোডরে সকল পাঠ্য পুস্তক ব্যবহাররে সুযোগ পাচ্ছ।ে এই ই-বুক কম্পউিটার ও মোবাইল ফোন সটেরে মাধ্যমইে তা সহজে পড়া যাচ্ছ।ে
শক্ষিা মন্ত্রণালয়রে নর্দিশেইে মাধ্যমকি ও উচ্চ শক্ষিা অধদিফতরকে সরকাররে নর্দিশেে আলাদা আদশে জারি হয়। আর সইে আদশে জারতিে ৮ টি সাধারণ শক্ষিা র্বোডরে আওতায় এসএসস,ি দাখলি, আলমি পরীক্ষার ফলরে ভত্তিতিে মধোবৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তি দয়িে এ সরকার এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে।ে তাছাড়া বাংলাদশেরে “বসেরকারি বশ্বিবদ্যিালয়” গুলোতওে শক্ষর্িাথীর জন্য নানা রকম বৃত্তি চালু আছ।ে বভিন্নি “কোটা” ছাড়াও মধোর ভত্তিতিে র্ভতি এবং টউিশন ফরি ক্ষত্রেওে ছাড় পায়। আবারও অনকে হতদরদ্রি শক্ষর্িাথীদরে র্আথকি সহায়তা দয়িে থাকে এমন এই সরকাররে নর্দিশেে বশ্বিবদ্যিালয়রে শক্ষিক। দশেরে বহু ধরনরে বসেরকারি বশ্বিবদ্যিালয় স্নাতক র্পযায়ে পড়ুয়া শক্ষর্িাথীদরে এ সরকাররে আমলে অনকেইে বৃত্তি পাচ্ছ।ে প্রধানমন্ত্রী বলনে, যকেোনো পরবিাররে শশিুরা যনে ঠকিমতো লখো পড়া করতে পারে সইে জন্যইে সরকার সকল প্রকার সুযোগ সুবধিা দচ্ছি।ে দচ্ছিে বনিামূল্যে বই। গরবি এবং মধোবীদরে জন্যে একবোরে প্রাথমকি স্কুল থকেে শুরু করে উচ্চশক্ষিা র্পযন্ত তাদরে “মধো বৃত্ত”ি ব্যবস্থাও করছে।ে তাদরে মায়রে নামরে অ্যাকাউন্ট করইে তাদরে বৃত্তরি টাকা প্ররেণ করে সরকার । শক্ষর্িাথীদরে ঝড়ে পড়াকইে ঠকোতে সরকার বভিন্নি পদক্ষপে নয়িছে—ে উল্লখে করে শখে হাসনি বলনে, প্রাথমকি বদ্যিালয়রে ছাত্র ছাত্রীদরে জন্যে ‘১ কোটি ৪০ লাখ’ শক্ষর্িাথীকে বৃত্তি দয়ো হচ্ছ।ে শক্ষিাব্যবস্থায় তারা আধুনকি প্রযুক্তরি ব্যবহাররেও সুযোগ পাচ্ছ।ে তা ছাড়াও দশেরে স্কুল, কলজে, মাদ্রাসা ও বশ্বিবদ্যিালয়ে শক্ষর্িাথীর সংখ্যা বাড়ানো সহতি ‘মধো বৃত্ত’ি প্রদান করে শক্ষিা ক্ষত্রেে বশেি বশেি বরাদ্দ রাখার সঙ্গইে সকল কাজ করছে এই সরকার। আর্ন্তজাতকি মানরে শক্ষিায় শক্ষিতি জনবল তরৈি ও সঠকি দকিনর্দিশেনার মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ তরৈরি প্রত্যয় নয়িইে এমন সরকাররে অগ্রযাত্রা।
লখেক,
নজরুল ইসলাম তোফা, টভিি ও মঞ্চ অভনিতো, চত্রিশল্পিী, সাংবাদকি, কলামষ্টি এবং প্রভাষক।

আপনার মতামত লিখুন

জাতীয় বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ