বৃহস্পতিবার-২১শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং-৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: সন্ধ্যা ৭:৩৫, English Version
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব এন্টিবায়োটিক সচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষে র‌্যালি পরিবহন ধর্মঘটে সৈয়দপুরসহ নীলফামারী জেলায় চরম জনদূর্ভোগ নাচোলের অন্যতম প্রয়াত নেতা আবু রেজা মোস্তাফা কামাল শামীম বাজার অস্থিতিশীলকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে -রমেশ চন্দ্র সেন গোবিন্দগঞ্জে আগ্নিকান্ডে ৩০০ দোকান পুড়ে ছাই পরিবহন ধর্মঘটের প্রভাব পড়েছে হিলি স্থলবন্দরে গোবিন্দগঞ্জে ট্রাকে ঝরল বৃদ্ধের প্রাণ

শৈলকুপায় সেনা ও পুলিশ সদস্যের বাড়ীতে দূর্ধর্ষ ডাকাতি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি

প্রকাশ: সোমবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৮ , ৯:৫৫ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ : খুলনা,সারাদেশ,

শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি :
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় সেনা সদস্য ও পুলিশের বাড়ীতে গভীর রাতে দূর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। সংঘবদ্ধ ডাকাতদল অস্ত্রের মুখে নগদ টাকা, স্বার্ণালংকার ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাটি ঘটেছে রোববার গভীর রাতে উপজেলার আবাইপুর ইউনিয়নের মীনগ্রাম এলাকায়।
জানা যায়, উপজেলার মীনগ্রাম এলাকার মৃত পুলিশ সদস্য ওলিউজ্জামানের বাড়ীতে গভীর রাতে একদল ডাকাত প্রবেশ করে। এসময় মৃত পুলিশ সদস্যের বড় ছেলে এ্যাডভোকেট মনিরুজ্জামান, মেজো ছেলে বর্তমান পুলিশ কনস্টেবল রাশিদুল ওরফে কালিমউদ্দিন ও ছোট ছেলে সেনা সদস্য আশিকুজ্জামানের পরিবারকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে।
পুলিশ কনস্টেবল রাশিদুল ওরফে কালিমউদ্দিন জানান, ৭/৮ জনের সংঘবদ্ধ ডাকাতদল গভীর রাতে তাদের বাড়ীতে প্রবেশ করে। এসময় তার ৪ বছর বয়সী ছেলের গলায় ধারালো ছুরি ঠেকিয়ে পরিবারের সবাইকে জিম্মি করে ফেলে। এরপর বাড়ীর মহিলাদের ব্যবহৃত প্রায় ১০ ভরি স্বর্ণালংকার, লক্ষাধিক নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে নির্বিঘেœ চলে যায়। পরে পরিবারের লোকজনের চিৎকার চেচামেচিতে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাদেরকে উদ্ধার করে। তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়ার প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে ঘটনাটি ডাকাতি নয়, চুরি বলে দাবী করেন শৈলকুপা থানার ওসি কাজী আয়ুবুর রহমান।
উল্লেখ্য, শৈলকুপা থানায় নতুন ওসি কাজী আয়ুবুর রহমানের যোগদানের পর থেকেই চুরি, ডাকাতি বেড়ে যাওয়ায় জনমনে আতংক বিরাজ করছে। অপরদিকে খুলনা-কুষ্টিয়া মহাসড়কে রাতে গাছ ফেলে প্রায়শ: ডাকাতির চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে সংঘবদ্ধ ডাকাতদল।
গোপন সূত্রে জানা জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ও চুরি ডাকাতি বন্ধে বিশেষ কোন ভূমিকা না থাকলেও নতুন ওসি আটক বাণিজ্যে ব্যস্ত সময় পার করেন। তাছাড়াও প্রায়ই বিশেষ অভিযানের রবাত দিয়ে রাতে উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকা থেকে ১০/১২ জনকে আটক করা হলেও বিভিন্ন মামলা দিয়ে আদালতে প্রেরণ করেন মাত্র ৩/৪ জনকে। বাকীদের মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়া হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আটক বাণিজ্যের সুবিধার্থে ও নিজের অপকর্ম ঢাকতে থানার সিসি ক্যামেরাও অচল করে রেখেছেন। তিনি বেশীরভাগ সময় অফিসে না বসে বাসায় অফিস করেন, ফলে আইনের সহায়তা নিতে আসা অনেক সাধারণ মানুষ আইনী সহযোগিতা না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হন বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন

খুলনা,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ