মঙ্গলবার-১২ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং-২৭শে কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: সকাল ৭:২৭
ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতে ছয়জনের মৃত্যু বরিশালে কাঁচা ঘরবাড়ি গাছপালা ও আমন ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি ঠাকুরগাঁওয়ে যুবলীগের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন পার্বতীপুরে যুবলীগের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সৈয়দপুরে বখাদের হাতে নিহত শ্রমিক সোহেলের ২ জন আসামী গ্রেফতার উপজেলা সভাপতি পদে মনোনীত হওয়ায় সৈয়দপুরে আ’লীগ নেতা বাদলের সংবর্ধনা ঠাকুরগাঁওয়ে ৬০তম রুহিয়া আজাদ মেলার উদ্বোধন উন্নয়নের জন্য শান্তি এবং সম্প্রীতি বজায় রাখা জরুরি : প্রধানমন্ত্রী

বেড়ি বাঁধ ভেঙে তিন গ্রাম প্লাবিত

প্রকাশ: বুধবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৮ , ৪:৫৩ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ : খুলনা,সারাদেশ,

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক:  বাগেরহাটের শরণখোলার সাউথখালী ইউনিয়নের বগী এলাকায় প্রায় ২০০ মিটার বেড়ি বাঁধ ভেঙে তিন গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

উপকূলীয় বাঁধ উন্নয়ন প্রকল্পের (সিইআইপি) মাধ্যমে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে নির্মাণাধীন বেড়ি বাঁধে এ ভাঙনের ফলে জোয়ারের পানির সঙ্গে ভেসে আসা কচুরিপানায় কয়েক শ একর আমন ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিন শতাধিক ঘরবাড়ি, পাঁচ শতাধিক পুকুর ও ঘেরের মাছ ভেসে গেছে। বগী থেকে গাবতলা আশার আলো মসজিদ পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার বাঁধের অন্তত ১০টি স্থানে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

সরেজমিনে ভাঙন এলাকায় দেখা যায়, ফসলের মাঠ থেকে পানি নামছে। বিস্তীর্ণ আমন ক্ষেত কচুরিপানায় ঢেকে রয়েছে।

ভাঙন এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জোয়ারের পানিতে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ায় গতকাল মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে বহু পরিবারে রান্নাবান্না হয়নি।

মুক্তিযোদ্ধা রুস্তম মুন্সী (৬৫) জানান, ব্যাংক থেকে তিনি লাখ টাকা লোন নিয়ে আমনের চাষ করেছেন তিনি। বাঁধ ভেঙে তাঁর সব শেষ হয়ে গেছে।

কৃষক জাকারিয়া (৩৫), আফজাল তালুকদার, কামাল পঞ্চায়েত (৩৮) জানান, বাঁধ ভেঙে বগী, দশ ঘর ও সাত ঘর গ্রামের প্রায় ৫০০ একর জমির আমন ক্ষেত পানির সঙ্গে ভেসে আসা কচুরিপানায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানি নামলেও কচুরিপানা জমিতেই রয়ে গেছে।

সাউথখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোজাম্মেল হোসেন বলেন, বাঁধ ভেঙে তিনটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। রাতে জোয়ারে আারো পানির চাপ বেশি হবে। এতে ঝুঁকিপূর্ণ আরো দুই-তিনটি স্থানে ভাঙনের আশঙ্কা রয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিংকন বিশ্বাস বলেন, বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সিইআইপি প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলীকে ভাঙনরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। তবে, ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি এখনো নিরূপণ করা হয়নি।

সিইআইপি প্রকল্পের প্রকৌশলী শ্যামল দত্ত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বলেন, ‘ভাঙন এলাকায় রিং বাঁধ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।’সূত্র: কালের কন্ঠ

আপনার মতামত লিখুন

খুলনা,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ