বৃহস্পতিবার-১৭ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং-২রা কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: সকাল ৮:২৮
বড়পুকুরিয়ার সাবেক ১ এমডিসহ ৩ কর্মকর্তা জেলহাজতে বড়পুকুরিয়া সাবেক এক এমডিসহ ৩ কর্মকর্তা জেল হাজতে আবরারের নামে হলের নাম! সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে নৌ মন্ত্রী ও নানক মেডিকেলে চান্স পেলো সৈয়দপুরের রাজমিস্ত্রির মেয়ে জাকিয়া সুলতানা বিজ্ঞান জাদুঘরে ভ্রাম্যমাণ বিজ্ঞান বাসের উদ্বোধন করলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় বিরামপুর থেকে আবরার হত্যা মামলার আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

হাজার কোটি টাকার পরিত্যক্ত বাড়ি ফেরত পেল সরকার

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৪ আগস্ট, ২০১৮ , ১:০৩ অপরাহ্ণ , বিভাগ : চট্রগ্রাম,সারাদেশ,

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: চট্টগ্রামের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত ভবন, একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার কার্যালয়, শহীদ ও যুদ্ধাহত ১০ জন মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির নামে বরাদ্দ ৪৩টি পরিত্যক্ত বাড়ি নিয়ে সাড়ে তিন বছর আগের রায় বাতিল করেছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল সোমবার এ রায় দেন। এ রায়ের ফলে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রায় হাজার কোটি টাকা মূল্যের সম্পদ রক্ষা পেল বলে জানিয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু। একই সঙ্গে সরকারের পক্ষ থেকে বরাদ্দপ্রাপ্তদের এই সম্পদ ভোগ করার ক্ষেত্রেও বাধা কাটল।

এর আগে ২০১৪ সালের ৩০ নভেম্বর এক রিট আবেদনে হাইকোর্ট সরকারের বরাদ্দ বাতিল করে ‘দি চিটাগাং কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি লিমিটেড’-এর অনুকূলে রায় দেন। এই সমিতির সাধারণ সম্পাদক চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের বর্তমান মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের করা রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ওই রায় দিয়েছিলেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে সরকার ও বরাদ্দ পাওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের করা এক রিভিউ আবেদনে গতকাল হাইকোর্ট আগের রায় বাতিল করে নতুন করে রায় দিলেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট কামরুল হক সিদ্দিকী। রিট আবেদনকারীপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট প্রবীর নিয়োগী ও রিয়াদ হোসেন।

জানা যায়, অবাঙালি পাকিস্তানিদের নিয়ে ১৯৫১ সালে ‘দি চিটাগাং কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি লিমিটেড’ প্রতিষ্ঠিত হয়। স্বাধীনতাযুদ্ধের পর তারা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে পাকিস্তানে চলে যায়। এরপর সমিতির সদস্যদের নামে থাকা ৪৩টি বাড়ি সরকার ১৯৮৬ সালে পরিত্যক্ত ঘোষণা করে। এরপর সেসব বাড়ি সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং শহীদ ও যুদ্ধাহত ১০ জন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের অনুকূলে বরাদ্দ দেয়। পরবর্তী সময়ে ‘দি চিটাগাং কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি লিমিটেড’-এর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আ জ ম নাছির উদ্দীন সরকারের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ২০১৩ সালের ৯ অক্টোবর হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। এ রিট আবেদনে হাইকোর্ট ২০১৪ সালের রায়ে সরকারের সিদ্ধান্ত বাতিল করেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টরা আপিল বিভাগে যায়। আপিল বিভাগ ২০১৬ সালে করা তাঁদের রিভিউ আবেদন নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্টকে নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টে রিভিউ আবেদনের ওপর শুনানি হয়।সূত্র: পূর্বপশ্চিম

আপনার মতামত লিখুন

চট্রগ্রাম,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ