বুধবার-২০শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং-৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: সকাল ৯:৩৩, English Version
বেশী দামে লবন বিক্রির অপরাধে চার দোকানে ১ লাখ টাকা জরিমানা কলাপাড়ায় দুই লবন ব্যবসায়ীসহ ছয় ব্যবসায়ীকে অর্থদন্ড, গুজব ঠেকাতে প্রশাসনের মাইকিং।। সৈয়দপুরে লবন নিয়ে তুলকালাম সুন্দরগঞ্জে চড়ামূল্যে লবণ বিক্রিতে ৫ ব্যবসায়ীর জরিমানা লবনের দাম বেশি বিক্রির দায়ে ১৬ ব্যাবসায়ীকে জরিমানা ২ জনের সাজা শিবগঞ্জের মনাকষায় লবণের গুজবে আটক-১ জন পার্বতীপুরে অতিরিক্ত দামে লবন বিক্রির অভিযোগে ৩০ হাজার ৫শত টাকা জরিমানা

ফুলবাড়ীতে খরায় রোপা আমন আবাদ হুমকির মুখে

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৬ , ৮:১১ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ : কৃষি,রংপুর,সারাদেশ,

Phulbarite Kharay Ropa Amon Abad Humkir Mukhe897

মোস্তাফিজুর রহমান সুমন, ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে গত কয়েক সপ্তাহের একটানা খরার ফলে রোপা আমন আবাদ হুমকির মুখে পড়েছে। অনেক মাঠের মাটি ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত রোদের তীব্রতা ও তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে প্রচন্ড গরম। কাঙ্খিত বৃষ্টি না হওয়ায় এই পরিস্থিতি। তবে আর্থিক অবস্থাসম্পন্ন চাষীরা খরার হাত থেকে রা পেতে শ্যালো মেশিন দিয়ে আবাদ বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা চালাচ্ছেন। কিন্তু প্রান্তিক চাষিরা অপো করছেন বৃষ্টির জন্য।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি আমন চাষ মৌসুমে উপজেলায় আবাদের ল্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ১৭ হাজার ৬৬ হেক্টর জমি। কিন্তু চাষিরা ইতোমধ্যে চাষ করেছেন ১৭ হাজার ২৬০ হেক্টর জমি।

ফুলবাড়ী উপজেলার চকচকা গ্রামের আদর্শ কৃষক সাইদুর রহমান জানান, ভরা বর্ষায় এমন খরা ইতিপূর্বে দেখা যায়নি। উচু জমির আমন চারা একেবারেই নষ্ট হয়ে গেছে এবং নিচু জমির আমন চারাও নষ্টের উপক্রম হয়েছে বলে তিনি জানান। একই কথা জানালেন, ভিমলপুর গ্রামের আকবর আলী। উত্তর রঘুনাথপুর গ্রামের মহিদুল ইসলাম, আলাদীপুর গ্রামের তারাপদ জানান, আমন আবাদ মৌসুমে কাঙ্খিত বৃষ্টি না হওয়ায় অবস্থা সম্পন্ন চাষীরা শ্যালো মেশিনে সেচ দিয়ে আমন চারা রোপণ করেছেন।

আর প্রান্তিক চাষিরা মাঝেমধ্যে ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হওয়ায় সেই পানিতে কোনোমতে চারা রোপণ করেছেন। কিন্তু খরার কারণে রোপা আমন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন চাষিরা। পানির অভাবে জমিতে ইউরিয়া সার প্রয়োগ করতে পারছেন না। গাছ বাড়ছে না, পানির অভাবে তে শুকিয়ে চৌচির হয়ে যাচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এটিএম হামিম আশরাফ বলেন, প্রচণ্ড রোদের কারণে উঁচু জমিগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়েছে। ইতোমধ্যে বিএমডিএ ও বিএডিসি কর্তৃপকে আমন তেগুলোতে দ্রুত সেচের ব্যবস্থা করার জন্য বলা হয়েছে। এ সময় সেচ না দিলে ফলন কমে যাবে, উত্পাদনের ল্যমাত্রা অর্জিত হওয়া নিয়ে শঙ্কা দেখা দিবে।

আপনার মতামত লিখুন

কৃষি,রংপুর,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ