বৃহস্পতিবার-২১শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং-৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ২:০০, English Version
ক্রেডিট কার্ড: গ্রাহকরা কী করতে পারেন, কী পারেন না প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ৬৪ জেলায় বিশাল রদবদল সরকার চলচ্চিত্রের স্বর্ণযুগ ফিরিয়ে আনতে চায়: হাছান মাহমুদ ইডেন টেস্টের প্রথম চার দিনের টিকিট শেষ : গাঙ্গুলী সরকার টেনিসকে যথাযথ গুরুত্ব দিচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী ইরানের বিক্ষোভে নিহত ১০৬ : অ্যামনেস্টি টিকাটুলির রাজধানী সুপার মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

চিরিরবন্দরে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলে বেকারত্বের মুক্তি

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৬ , ৮:০০ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ : রংপুর,সারাদেশ,

Chirirbandar-motorcikal manik

মোহাম্মাদ মানিক হোসেন, চিরিরবন্দর(দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার বিন্যাকুড়ি বাজারসহ সর্বত্র পাওয়া যায় ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল। যোগাযোগের সহজ মাধ্যম হিসেবে চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে প্রতিনিয়ত। দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এর সংখ্যা। ফলে কর্মসংস্থান হয়েছে অনেক যুবকের।

উপজেলার বিভিন্ন সড়কে কয়েক’শ ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চিরিরবন্দর উপজেলাসহ পাশ্ববর্তী জেলা উপজেলায় চলাচল করছে। বর্তমানে পেশাটির চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের হাটবাজারে গড়ে উঠছে মোটরসাইকেল বিক্রির শো’রুম। এসব শো’রুম থেকে নগদ বা সহজ কিস্তির মাধ্যমে মোটরসাইকেল নিয়ে অনেকেই এখন উপজেলার বিভিন্ন রাস্তায় ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন। একাধিক চালকের সাথে কথা বলে জানা যায়, আগে অনেকেই কর্মসংস্থানের অভাবে হতাশাগ্রস্ত ছিলেন আবার অনেকে পরিবারের অশান্তির কারণ ছিলেন। এখন তারা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন। চালক খায়রুজ্জামান জানান, প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সঠিক ভাবে চালালে ৫শত থেকে ৬শত আয় করা যায়। এ আয় দিয়ে সুন্দর ভাবে সংসার চলছে। সংসারে আর অশান্তি নেই।

চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির লাইসেন্স প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আল-আমিন নামে এক চালক জানান, আমরা গরিব মানুষ, কিস্তিতে মোটরসাইকেল নিয়ে কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে হিমশিম খাই। লাইসেন্স করবো কি করে?

উপজেলার বিন্যাকুড়ি বাজারের জাহাঙ্গীর, পরিমল, বাচ্চু, আজিজার, মজিদ, মমতাজ, রতন, আজিদ, আকতারসহ প্রায়সকল মোটরসাইকেল চালক জানান, উপজেলায় ভাড়ায় চালিত যত মোটরসাইকেল রয়েছে তার মধ্যে বিন্যাকুড়ি বাজারে বেশি।

তাই উপজেলার সকল ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালকদের নিয়ে বিন্যাকুড়ি বাজারে মোটরসাইকেল চালক সমিতি তৈরি প্রক্রিয়া চলছে। আমরা প্রত্যেকেই এ পেশায় এসে পরিবারের আশা-ভরশার একমাত্র অবলম্বন হয়ে দাড়িঁয়েছি। সমিতি হলে প্রত্যেক চালক ও মোটরসাইকেলের লাইসেসেন্সের আওতায় আনা হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

উপজেলার সচেতন মহলেরা জানান, এ এলাকার ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালকদের অনেকেই কর্মসংস্থানের অভাবে হতাশাগ্রস্ত হয়ে অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত ছিলেন আবার অনেকে পরিবারের অশান্তির কারণ ছিলেন। তারা এ পেশায় যুক্ত হয়ে সুন্দর ভাবে সংসার চলছে। সংসারে শান্তি ফিরে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন

রংপুর,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ