বৃহস্পতিবার-২১শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং-৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ১০:২৩, English Version
বাংলাদেশ-ভারত টেস্ট ম্যাচ দেখতে কাল কলকাতা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিকে বড় সুখবর আসছে ছাতকে ক্যান্সার আক্রাকে মাকে বাঁচাতে মেয়ের আকুতি চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশ লাইন্স মিলনায়তনে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত গোবিন্দগঞ্জ প্রান্তিক চাষীদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরন সৈয়দপুরে ইউএনও কে পৌর পরিষদের বিদায়ী সংবর্ধনা চাঁপাইনবাবগঞ্জে দিনব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

‘মানুষের ভালোবাসায় মা-বাবা হারানোর বেদনা ভুলে গেছি’

প্রকাশ: বুধবার, ১২ জুলাই, ২০১৭ , ৪:১৪ অপরাহ্ণ , বিভাগ : জাতীয়,সারাদেশ,

মুক্তিনিউজ24.কম ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মানুষের ভালোবাসায় মা-বাবা হারানোর বেদনা ভুলে গেছি। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর মানুষ যখন একটু শান্তি পেতে শুরু করে এবং বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশের যখন সম্ভাবনার স্বর্ণদোয়ার খুলে যায়, তখনই ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপিরবারে হত্যা করা হয়। আমি এবং আমার বোন রেহানা দেশের বাইরে থাকায় প্রাণে বেঁচে যাই। মানুষ একটা শোক সইতে পারে না। আর আমরা একদিনে নিঃস্ব রিক্ত হয়ে গিয়েছিলাম। এদেশের মানুষের ভালবাসায় মা-বাবা হারানোর বেদনা ভুলে গেছি।

প্রধানমন্ত্রী আজ সংসদে তাঁর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য ফজিলাতুন নেসা বাপ্পির এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি গ্রামের পর গ্রাম হেটেছি। সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। কখনও দুর্ভিক্ষ হয়েছে, দুর্ভিক্ষ পীড়িত এলাকায় গিয়েছি। কখনও ঝড় হয়েছে, সেখানে রিলিফ দিতে গিয়েছি। পেয়েছি সাধারণ মানুষের ভালবাসা। কত মা-বোন ছুটে এসেছে, কাছে টেনে নিয়েছে, বুকে টেনে নিয়েছে। মাটির ঘরে বসিয়েছে। ডাব কেটে দিয়ে বলেছেন, ‘মা এটা খাও’। মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে শুধু বলেছে, ‘বাবা জীবনটা দিয়ে গেছে তুমিও পথে নেমেছো মা? তুমি পথে নামছো আমাদের জন্য?

শেখ হাসিনা বলেন, এই যে ভালোবাসার পরশ, মা-বাবা হারানোর বেদনাতো সেখান থেকেই ভুলে গেছি। সেখান থেকেই শক্তি পেয়েছি। এই মানুষগুলোর জন্যইতো আমার বাবা জীবন দিয়েছেন। তাই এদের জন্য জীবনের যে কোন ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত।

তিনি বলেন, কোন ব্যাক্তিগত আকাঙ্খা নয়, আজকে ক্ষমতা আমার জন্য ব্যাক্তিগত আকাঙ্খা পুরণের জন্য নয়। আমি রাষ্ট্রপতি-প্রানমন্ত্রীর মেয়ে ছিলাম। আমি নিজে প্রধানমন্ত্রী ছিলাম এবার নিয়ে তিনবার। নিজের জন্য কি করব সে কথা জীবনেও চিন্তা করিনি। ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া শিখিয়েছি, আল্লাহর রহমতে তারাও আমাকে সাহায্য করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে মানুষের জন্য যে কিছু করতে পারছি এটাই আনন্দ। ক্ষমতাটা হচ্ছে মানুষের সেবা করার সুযোগ। সে সুযোগটা যে পাচ্ছি এবং জনগণ যে ভোট দিয়ে আমাকে বারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছে এবং আমাদের পার্লামেন্টারি পার্টি আমাকে তাদের নেতা বানিয়েছে, আমি প্রধানমন্ত্রী হয়ে দেশের সেবা করতে পারছি। এটাইতো সবচেয়ে বড় পাওয়া যে, দেশের মানুষের জন্য কিছু করার সুযোগ পেয়েছি।

আপনার মতামত লিখুন

জাতীয়,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ