শুক্রবার-৩রা এপ্রিল, ২০২০ ইং-২০শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: সকাল ১০:০৬, English Version
মহামারি করোনায় ওমর সানি প্রশ্ন করলনে—শাকিব তুই চুপ কেন পলাশবাড়ীতে নিরলসভাবে কাজ করছে ক্যাপ্টেন সাদিকের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী টিম সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে সেনাবাহিনীর আহ্বান লালমনিনরহাটের পঞ্চগ্রামের হাট বাজার ও রাস্তা গুলোতে ঔষধ ছিটানো হচ্ছে বাগেরহাটে সামাজিক দূরত্বে কৃষি কাজ অসহায় ও অসচ্ছলদের পাশে দাঁড়িয়েছেন-অপু বিশ্বাস করোনার ভ্যাকসিন তৈরির পথে অস্ট্রেলিয়া

দিনাজপুরে রেল রুটে পাথর নিয়ে ভারতীয় ৪২টি ওয়াগান আমদানী-রপ্তানী বাণিজ্যে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায়ের সম্ভাবনা

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৯ মার্চ, ২০১৭ , ৩:০৬ অপরাহ্ণ , বিভাগ : রংপুর,সারাদেশ,

দিনাজপুর প্রতিনিধি ॥ একযুগ পর দিনাজপুরের বিরল স্থলবন্দরের রেলপথ যোগে ভারতের পাথর বোঝাই ৪২টি ওয়াগান বাংলাদেশে এসেছে। আমদানী-রপ্তানী বাণিজ্যে রেলপথের যোগাযোগ রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করলো।
বুধবার বিকেলে দিনাজপুরের বিরল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলার রাধিকাপুর রেলপথে পাথর বোঝাই ৪২টি ভারতীয় ওয়াগান বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জের উদ্দেশ্যে দিনাজপুর থেকে যাত্রা শুরু করে। দীর্ঘ ১২ বছর পর বিরল-রাধিকাপুর রুটে ট্রেন যোগে আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম শুরু হলো। কাষ্টমস এক্সাইজ এন্ড ভ্যাট বিভাগের সহকারী কমিশনার তাহের-উল আলম জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের কোয়ালিটি লিমিটেড নামের একটি আমদানীকারক প্রতিষ্ঠান ভারত থেকে বাংলাদেশে ২ হাজার ৪৭২ মেট্রিক টন পাথর আমদানী করে। ভারতীয় ৪২টি রেলওয়ে ওয়াগানে পাথরগুলো সিরাজগঞ্জে পাঠানো হয়। পাথর পরিবহনের কারণে বাংলাদেশের সরকার ১১ লাখ ২ হাজার টাকার রাজস্ব আদায় করেছে। এর পাশাপাশি রেলওয়ে বিভাগও বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায়ে সক্ষম হয়েছেন। ভারতের রাধিকাপুর থেকে বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত প্রতিটন পাথরের পরিবহন ব্যয় ধরা হয়েছে ৬১১ টাকা। এর ফলে পাথর পরিবহন বাবদ বাংলাদেশ রেলওয়ে আয় করেছে ১৫ লক্ষ ৩২ হাজার টাকা।
২০০৫ সালের পূর্বে রাধিকাপুর-বিরল রেলরুটে মিটারগেজে উভয় দেশের আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম চালু ছিল। কিন্তু ২০০৫ সালে ভারতীয় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ রাধিকাপুর রেলরুট ব্রডগেজে উন্নীত করায় বাংলাদেশের সাথে রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। কেননা বাংলাদেশের বিরল থেকে পার্বতীপুর পর্যন্ত রেলরুট ছিল মিটারগেজে। বাংলাদেশ রেলওয়ে ২০১৬ সাল থেকে বিরল থেকে পার্বতীপুর পর্যন্ত ব্রডগেজ রেল যোগাযোগ স্থাপন করায় ১২ বছর পর ভারতের সাথে বাংলাদেশের রেল পথে পণ্য আমদানী-রপ্তানীর জন্য পরিবহন হিসেবে ট্রেনের নতুন মাত্রা যুক্ত হয়।
বাংলাদেশ রেলওয়ের সিনিয়র প্রকৌশলী রাকিব হাসান জানান, বাংলাদেশ রেলওয়ে রেল লাইন ব্রডগেজে রূপান্তরিত করায় ভারতের সাথে আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম ভবিষ্যতে আরো প্রসারিত হবে। এর ফলে সরকারের সাথে সাথে রেলেরও রাজস্ব আদায় হবে বিপুল পরিমাণ। ভারতীয় রেলওয়ের প্রকৌশলী মোঃ আফজাল হোসেন জানান, ২০০৫ সালেই রাধিকাপুর রেল ষ্টেশন পর্যন্ত লাইন মিটার থেকে ব্রডগেজে উন্নীত করা হয়। তবে অল্প কিছু কাজ বাকী থাকায় ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে লাইনের কাজ পুরোপুরি শেষ হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে ভারতের রেল যোগাযোগ পুনঃস্থাপন হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

রংপুর,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ