রবিবার-৫ই এপ্রিল, ২০২০ ইং-২২শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: সকাল ১০:৫৩, English Version
করোনা মোকাবেলায় আজ কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী করোনা মোকাবিলায় ২০,০০০/- টাকা দান ডগর টুডুর| করোনায় চীনে মারা গেছে ৫০ হাজার মানুষ: ওয়াশিংটন পোস্ট যাত্রীবাহী লঞ্চে হচ্ছে আইসোলেশন সেন্টার করোনা প্রতিরোধে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে ছড়াতে পারে করোনাভাইরাস করোনাভাইরাস : কাদের মাস্ক ব্যবহার করতে হবে আর কাদের নয়

করোনা ভাইরাস: ঠাকুরগাঁওয়ের একটি গ্রামে হাত ধোঁয়ার পাত্র বসিয়েছে আমিরুল

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২০ , ১০:০৪ অপরাহ্ণ , বিভাগ : রংপুর,সারাদেশ,
মোঃআরমান হোসেন, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : গোটা বিশ্বের মতো বাংলাদেশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। প্রথমে পাত্তা না দিলেও এখন বাংলাদেশের মানুষ ঝুঝতে পেরেছে, ঘরে থাকাই করোনা থেকে বাঁচার সবচেয়ে কার্যকর উপায়। করোনা ভাইরাসের সংক্রমন থেকে বাঁচতে ঠাকুরগাঁওয়ের একটি গ্রামে মানুষদের জন্য হাত পরিস্কারের পাত্র স্থাপন করেছে সমাজসেবক আমিনুল ইসলাম।
মঙ্গলবার ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার চিলারং ইউনিয়নের মোলানি আরাজি ঝাঁড়গাও গ্রামে ১০টি হাত ধোয়ার পাত্র স্থাপন করা হয়। এ গ্রামে প্রায় ৫ হাজার মানুষের বসবাস।
মোলানি আরাজি ঝাঁড়গাও গ্রামে অবস্থিত একতা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন স্কুল ও পূর্ণবাসন কেন্দ্রের পরিচালক আমিরুল ইসলাম । তিনি নিজ উদ্যোগে তার গ্রামের মানুষদের স্বাস্থ্য সচেতনা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং করোনা ভাইরাস এর সংক্রমন থেকে বাঁচাতে ১০টি পানির পাত্র স্থাপন করেছেন।
সমাজসেবক আমিরুল ইসলাম নিজ উদ্যোগে মাইকিং এর মাধ্যমে করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে গ্রামের প্রত্যেকটি বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে সচেতনামূলক বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে মানুষদের মাঝে। সেই সাথে লিফলেট বিতরণ থেকে শুরু করে জীবানুনাশক সাবানও বিতরণ করেছেন তিনি।
আরাজি ঝাঁড়গাও গ্রামের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমন প্রতিরোধে কি কি করতে হয় আমাদের জানা ছিল না। আজকে আমিরুল ভাই এর প্রচারণার মাধ্যমে জানলাম। সেই সাথে আমিরুল ভাই গ্রামের প্রবেশ রাস্তা থেকে শেষ পর্যন্ত ১০টি হাত ধোয়ার পাত্র স্থাপন করেছে। মানুষরা এসব পাত্রে সাবান দিয়ে হাত পরিস্কার করছে। এ উদ্যোগ গ্রহণ করার আমিরুল ভাইকে ধন্যবাদ জানাই।
সমাজসেবক আমিরুল ইসলাম বলেন, করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে শহরে বিভিন্ন মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা করা হচ্ছে। স্যানিটাইজার থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামগ্রী মানুষদের মাঝে বিতরণও করা হচ্ছে। কিন্তু গ্রামের মানুষদের কথা কেউ চিন্তা করে না। এমনকি গ্রামে তেমন কোন প্রচার-প্রচারণা নেই।
তিনি বলেন, গ্রামের মানুষদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যেই আমি এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আমার মত করে সবাই যদি প্রত্যেকটি গ্রামে সচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য কাজ করে তাহলে ভাল হয়। আসুন আমরা সবাই একত্রিক হয়ে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে কাজ করি।
আপনার মতামত লিখুন

রংপুর,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ