রবিবার-৫ই এপ্রিল, ২০২০ ইং-২২শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: সকাল ৯:১৩, English Version
করোনায় চীনে মারা গেছে ৫০ হাজার মানুষ: ওয়াশিংটন পোস্ট যাত্রীবাহী লঞ্চে হচ্ছে আইসোলেশন সেন্টার করোনা প্রতিরোধে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে ছড়াতে পারে করোনাভাইরাস করোনাভাইরাস : কাদের মাস্ক ব্যবহার করতে হবে আর কাদের নয় চাঁপাইনবাবগঞ্জে গরীব দুঃখি মানুষের মাঝে আর্থিক সহায়তা করলেন এমপি জেসী করোনা মোকাবেলায় কাল কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী

সৈয়দপুরের বাঁশবাড়িতে মুদি দোকান ও হোটেল সহ ১০টি বাড়ি লকডাউন ॥ এক যুবক রংপুর মেডিকেলে

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২০ , ৭:২৬ অপরাহ্ণ , বিভাগ : রংপুর,সারাদেশ,

মোঃ জাকির হোসেন, সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা ॥ নীলফামারীর সৈয়দপুরে এক যুবকের মাঝে করোনা ভাইরাস আক্রান্তের লক্ষ পরিলক্ষিত হওয়ায় প্রেক্ষিতে তার অবস্থানের আশেপাশের একটি মুদি দোকান, একটি হোটেলসহ ১০টি বাড়ি লক ডাউন করা হয়েছে। ২৪ মার্চ মঙ্গলবার বিকালে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। শহরের বাঁশবাড়ি মসজিদ বায়তুস সালাম (টালি মসজিদ) সংলগ্ন উর্দুভাষীদের ক্যাম্পবাসীদের সংগঠন এসপিজিআরসির এর অফিসের সামনে এ ঘটনা ঘটেছে। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে চরত আতঙ্ক বিরাজ করছে।
জানা যায়, ওই এলাকার সাবেক ওয়ার্ড মেম্বার মৃত সামসুল হক ও উর্দূভাষীদের নেতা আশরাফুল হক বাবুর ভাগিনা ইমরান হোসেন (৩৫) ঢাকায় চাকুরী করতো। গত কয়েকদিন আগে সে সৈয়দপুরে আসে। আসার পর থেকেই সে স্বর্দি-কাশি ও জ্বরে ভুগছিল। বিশেষ করে তার শ্বাসকষ্ট খুবই বেশি ছিল। কিন্তু তার অসুস্থতার বিষয়টি গোপন রেখে সে বাসায় অবস্থান করছিল। আজ তার অবস্থার অবনতি হলে বিকাল ৪ টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় তার পরিবারের লোকজন। এতে খবরটি এলাকাবাসীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে সৈয়দপুর প্রশাসনকে অবহিত করা হলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরিমল কুমার সরকার বিকাল ৫ টায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং ঘটনার আদ্যপান্ত জেনে আশে পাশের একটি মুদি দোকান ও একটি হোটেল সহ প্রতিবেশী ১০ জনের বাড়ি লক ডাউন ঘোষনা করেন। এসময় সৈয়দপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র জিয়াউল হক জিয়া, স্থানীয় ১৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবিদ হোসেন লাড্ডান, মহিলা কাউন্সিলর জোসনা বেগম, সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আতাউর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট পরিমল কুমার সরকার বলেন, লক ডাউনকৃত ১২টি বাড়ির কেউ বাইরে যেতে পারবেনা এবং বাইরের কেউ এ বাড়িগুলোতে প্রবেশ করতে পারবেনা। বাড়ির বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী নিকট আত্মীয়-স্বজনদের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে হবে। সেক্ষেত্রে আত্মীয়রা পন্য-সামগ্রী মসজিদের সামনে মোড়ে রেখে যাবেন এবং তারা পরে এসে সেখান থেকে সেগুলো নিয়ে যাবেন।
পৌর প্যানেল মেয়র জিয়াউল হক জিয়া বলেন, এলাকাবাসীরবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে যে লকডাউনকৃত বাড়িগুলো আপনারা যাবেন না এবং তাদেরকেও বাইরে আসতে দিবেন না। এ নির্দেশ অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কারণ আপনারা সচেতন ও সতর্ক না হলে নিজেরা যেমন আক্রান্ত হবেন তেমনি পুরো পৌরবাসীর জন্য চরম হুমকি ডেকে আনবেন। যা কোন ভাবেই বরদাস্ত করা হবেনা ।

আপনার মতামত লিখুন

রংপুর,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ