শনিবার-৪ঠা এপ্রিল, ২০২০ ইং-২১শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ৪:৫৫, English Version
নশিপুর ঘোষ পাড়া ওয়ার্ডের করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে গ্রাম পুলিশের সচেতনা অভিযান শিবগঞ্জ তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ ঠাকুরগাঁওয়ে সিগারেটের প্যাকেট খুলেই মিলল টিস্যু, প্রতারকের কারাদণ্ড রাজারহাটে ১জনের ৫০হাজার টাকা জরিমানা ফুলবাড়ীতে ডেকোরেটর শ্রমিকদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ॥ গোদাগাড়ীতে গলায় ফাঁস দিয়ে এক নারীর আত্মহত্যা ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের সাংবাদিক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত

লালমনিরহাটে দফায় দফায় চালের দাম বৃদ্ধি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জরুরী সভায় ক্ষোভ প্রকাশ

প্রকাশ: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২০ , ৩:৫২ অপরাহ্ণ , বিভাগ : রংপুর,সারাদেশ,

লাভলু শেখ, লালমনিরহাট, সংবাদদাতা : লালমনিরহাটে দফায় দফায় চালের দাম বৃদ্ধি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে জেলা বাজার মনিটরিং কমিটি সভায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। এ সময় জেলার শীর্ষ চাল ব্যবসায়ীগণ ও জেলা চেম্বার অব কমার্স এর সভাপতি উপস্থিত ছিলেন। সেখানে সিদ্ধান্ত হয় চাল ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজার নিয়ন্ত্রনে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের নেতৃত্বে ট্রাসট ফোর্স বাজারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করবে। জানা গেছে গত ১ সপ্তাহ ধরে লালমনিরহাটের হাট-বাজার গুলোতে চালের দাম বৃদ্ধি হয়েছে। সকল প্রকার চাল কেজিতে ৭ থেকে ১০ টাকা খুচরা মূল্য বেড়েছে। কিন্তু সেই হিসাবে ধানের দাম বাড়েনি। এখনো লালমনিরহাটের হাট-বাজারে ভালমানের ধান ৮শত থেকে ৯১০ টাকা দরে প্রতিমন বিক্রি হচ্ছে। সরকার ধান কিনছে ১ হাজার ৪০ টাকা দরে আর চাল কিনছে প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে। এবছর ধানের মৌসুমে জেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ২ লক্ষ মে: টন ধান বেশী উৎপাদন হয়েছিল। কৃষকরা ৪ শত হতে সাড়ে ৫ শত টাকা দরে প্রতিমন ধান বিক্রয় করে আসছিল। তাতে কৃষকের ধান চাষের উৎপাদন খরচ উঠেনি। বর্তমানে কৃষকের ঘরে ধান নেই। সব ধান, মিল, চাতাল মালিক ও মজুদদারের গোডাউনে রয়েছে। একটি কালোবাজারি চাল ব্যবসায়ি সিন্ডিকেট কৃষকের ঘরে ধান না থাকার সুযোগে হঠাৎ বাজারে ধানের দাম বেড়ে দিয়েছে। এছাড়াও মিল মালিক ও চালের মহাজনরা করোনা ভাইরাসের সুযোগে চালের বাজারে চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। লালমনিরহাট খাদ্য বিভাগ জানায় জেলায় ৭টি সরকারী গোডাউনে প্রায় ১৪ হাজার ২০ মে: টন চাল মজুদ রয়েছে। ধান মজুদ রয়েছে ৩ হাজার ৪৫৬ মে: টন। দেশে এই মুহুর্তে চালের কোন সংকট নেই। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলায় মার্চ ও এপ্রিল মাসে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি চলবে। এ প্রকল্পে ৫৯ হাজার ৪৬৪ জন দরিদ্র মানুষকে ১০ টাকা দরে প্রতিমাসে ৩০ কেজি চাল দেওয়া হবে। এতে প্রতিমাসে চাল প্রয়োজন ১৭শত ৮৪ মে: টন। লালমনিরহাটের একেক হাটে একেক দাম চাল বিক্রি হচ্ছে। যেমন নবাবেরহাটে খুচরা স্বর্না চাল প্রতি কেজি ৩০ টাকার স্থলে ৩৬ টাকা, ২৮ চাল পূর্বের বাজার ছিল ৩৪ টাকা বর্তমান বিক্রি হচ্ছে ৪৪ টাকা, পায়জন চাল পূর্বে ছিল ৩৪ টাকা তা ৭ দিনের ব্যবধানে বিক্রি হচ্ছে ৪৮ টাকা দরে। সব মিলে নিু আয়ের মানুষেরা হঠাৎ চালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপাকে পড়েছে।

 

আপনার মতামত লিখুন

রংপুর,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ