বুধবার-৮ই এপ্রিল, ২০২০ ইং-২৫শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ৮:৪০, English Version
শবে বরাতে বিশেষ দোয়া করার এবং কবরস্থান ও মাজারে জনসমাগম না করার আহ্বান ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বঙ্গবন্ধুকে হত্যাকাণ্ডে ঘাতক মাজেদের কি ভুমিকা ছিলো ভুয়া তথ্যের খবরে আটক ভয়েস অফ পাইকগাছা ফেসবুক পেজের পরিচালক স্পেশাল ব্রাঞ্চ ঢাকার পক্ষ থেকে নবনিযুক্ত ইন্সপেক্টর জেনারেল কে অভিনন্দন রাজারহাটে করোনা সন্দেহে দু’দিনে ৫জনের নমূনা রংপুর মেডিকেলে ফকিরহাটে কৃষকদের বিভিন্ন প্রকারের বীজ ও সার বিতরন সৈয়দপুর  কর্মহীনদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

আতশবাজি ফুটিয়ে উদযাপন করোনামুক্ত সেই উহান

প্রকাশ: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২০ , ১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ : আন্তর্জাতিক,

এমএন২৪.কম ডেস্ক :  বর্তমানে চীনের বাইরে বিভিন্ন দেশে তাণ্ডব চালাচ্ছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। এই ভাইরাসের প্রকোপে এখন ইউরোপের দেশ ইতালি যেন এক মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে।

তবে ভাইরাসটির উৎপত্তিস্থল চীনের সেই উহান বলা যায় এখন করোনামুক্তি। কেননা, টানা তিন দিন সেখানে কোনও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী ধরা পড়েনি। ফলে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে সেখানকার জনজীবন।
সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে শহরের তল্লাশিচৌকিগুলো। এসব চৌকি বসানো হয়েছিল মানুষের চলাচল ঠেকাতে। উহানের এই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসাকে বিশ্বব্যাপী বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। আর এই অর্জন উদযাপন করছে উহানবাসী। আতশবাজি পুড়িয়ে তল্লাশিচৌকি অপসারণ উদযাপন করছে শহরটির অনেক অধিবাসী।

করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর গত জানুয়ারি মাসে উহান শহর লকডাউন ঘোষণা করা হয়। এরপরও মানুষ যাতে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করে ভাইরাসটি ছড়াতে না পারে, সে জন্য তল্লাশিচৌকি বসানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে এমনটা জানিয়ে ইতোমধ্যে উহানে স্থাপিত ১৬টি অস্থায়ী হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। চীনের বিভিন্ন প্রদেশ থেকে আসা চিকিৎসক, নার্স ও স্বেচ্ছাসেবীরা নিজ নিজ প্রদেশে চলে গেছেন। মানুষ কাজে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে। গত শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে উহানের তল্লাশিচৌকি অপসারণ। তবে শহরের বাইরে যাওয়ার ওপর এখনো কড়াকড়ি অব্যাহত আছে।  সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

এদিকে, চীনে ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণে আসলেও এখনও গোটা বিশ্ব আতঙ্কে কাঁপছে। এরই মধ্যে চীনের বাইরে বিশ্বের ১৮৭টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী ভাইরাস। এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসে বিশ্বব্যাপী আক্রান্ত হয়েছে ৩ লাখ ৭ হাজার ৬১৩ জন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৩ হাজার ৫০ জনের।

চীনের উহান থেকে এই ভাইরাসের উৎপত্তি হলেও তা সবচেয়ে ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে ইতালিতে গিয়ে। বর্তমানে ইউরোপের দেশটিতে এই ভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৮২৫ জনে। দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছে ৫৩ হাজার ৫৭৮ জন।

আর চীনে মোট আক্রান্ত হয়েছে ৮১ হাজার ৫৪ জন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ২৬১ জন।

আপনার মতামত লিখুন

আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ