মঙ্গলবার-৩১শে মার্চ, ২০২০ ইং-১৭ই চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: সকাল ৮:২১, English Version
জলঢাকায় পৌর মেয়র রাবি শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে হ্যান্ড সেনিটাইজার ও মাস্ক বিতরণ ১৯৭১এর বরবরতার স্বাক্ষী দেওয়ার জন্য আমগাছটি এখনো দাঁড়িয়ে! বাড়ি বাড়ি খাবার পৌঁছে দিচ্ছে সেনাবাহিনী গাইবান্ধায় কর্মহীন ভাসমান বেদে সম্প্রদায়ের মাঝে খাদ্য সহায়তা দিলেন পুলিশ সুপার ডোমারে ট্রলিতে করে ভিজিডি চাউল বাড়ীতে পৌছায় দিচ্ছেন চেয়ারম্যান রিমুন। জলঢাকায় পুড়ে যাওয়া অসহায় পরিবারের পাশে ‘এসো নিজে করি’ তাহিরপুরে মাটি বোঝাই হ্যান্ডট্রলি উল্টে মাদ্রাসা ছাত্র নিহত

আজ দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে খুলে দেয়া হচ্ছে

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২০ , ১১:০৯ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ : ঢাকা,সারাদেশ,

এমএন২৪.কম ডেস্ক : আজ ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে খুলে দেয়া হচ্ছে ।আজ (১২মার্চ) বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে ২০১৬ সালে শুরু হয় দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গার নির্মাণ কাজ। অবশেষে নির্মাণ কাজ শেষে এক্সপ্রেসওয়েটির ঢাকা থেকে মাওয়া অংশের ৫৫ কিলোমিটার অংশ খুলে দেওয়া হচ্ছে।

প্রকল্পের সংশ্লিষ্টরা জানান, এক্সপ্রেসওয়েটিতে গাড়ির সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকতে পারবে ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত। সে হিসেবে ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত ৫৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে সময় লাগবে ২৭ থেকে ৩০ মিনিট। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর এক্সপ্রেসওয়েটির ভাঙ্গা অংশ পর্যন্ত নির্মাণ কাজ শেষ হলে পরিপূর্ণ সুফল পাওয়া যাবে এ পথে যাতায়াতকারী যাত্রীরা।

আধুনিক ‘ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা’ সমৃদ্ধ ৬ লেনের এ মহাসড়কটিতে স্থানীয়দের ব্যবহারের জন্য থাকছে ২ লেনের সার্ভিস রোড। এছাড়াও রয়েছে ৪টি করে ফ্লাইওভার, রেলওয়ে ওভারব্রিজ, বড় ব্রিজ এবং ১৯টি আন্ডারপাসসহ বিশ্বমানের সব নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

এ হাইওয়েতে আগামী ২০ বছরের জন্য ক্রমবর্ধমান ট্রাফিকের পরিমাণ বিবেচনা করে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে প্রায় ১১০০৩.৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে এক্সপ্রেসওয়েটি নির্মিত হয়েছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যৌথভাবে ২০১৬ সালে ৪টি জেলা– ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, মাদারীপুর এবং ফরিদপুরে এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের বাস্তবায়ন শুরু করে এবং এটি নির্ধারিত সময়সীমার ৩ মাস আগে নির্মাণ কাজ শেষ করে। নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার নির্ধারিত সময়সীমা ছিল ২০২০ সালের ২০ জুন।

১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে মুজিববর্ষ উদযাপন শুরুর প্রাক্কালে এক্সপ্রেসওয়ে ট্রাফিকের জন্য উন্মুক্ত হতে চলেছে।

স্থানীয় ও ধীরগতির যানবাহনের জন্য এক্সপ্রেসওয়ের দু’পাশে দুটি পরিষেবা লেন রাখা হয়েছে যাতে দ্রুত যানবাহনগুলো নিরবচ্ছিন্নভাবে রাস্তায় চলাচল করতে পারে এবং এইভাবে দীর্ঘপথের যাত্রীদের ভ্রমণের সময় কমে আসে।

এক্সপ্রেসওয়ের ৫টি ফ্লাইওভারের মধ্যে একটি ২.৩ কিলোমিটার কদমতলী-বাবুবাজার লিংক রোড ফ্লাইওভার রয়েছে। অন্য ৪টি ফ্লাইওভার হলো আবদুল্লাহপুর, শ্রীনগর, পুলিয়াবাজার এবং মালিগ্রামে।       সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল

৫৫ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়েতে জুরাইন, কুচিয়ামোড়া, শ্রীনগর ও আতাদিতে চারটি রেলওয়ে ওভারব্রিজ রয়েছে এবং ৪টি বড় সেতু রয়েছে যার মধ্যে ৩৬৩ মিটার ধলেশ্বরী- ১, ৫৯১ মিটার ধলেশ্বরী- ২, ৪৬৬ মিটার আড়িয়াল খান এবং ১৩৬ মিটার কুমার সেতু।

দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে প্রসঙ্গে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে মোট ব্যয় ১১ হাজার কোটি টাকা। উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই এক্সপ্রেসওয়েতে আছে কালভার্ট, আন্ডারপাস, ৪টি বড় সেতু, ২৫ টি ছোট সেতু, ৫টি ফ্লাইওভার, ২টি ইন্টার চেন, ৪টি রেলওয়ে ওভার পাস। অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন একটি সড়ক। আমার মনে হয় এটি ইউরোপের অনেক দৃষ্টিনন্দন সড়ককেও হার মানাবে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ