মঙ্গলবার-৭ই এপ্রিল, ২০২০ ইং-২৪শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: দুপুর ১২:৩৮, English Version
বঙ্গবন্ধুর খুনি আবদুল মাজেদ গ্রেপ্তার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিডিও কনফারেন্স শুরু প্রাথমিকসহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি ৩০ মে পর্যন্ত! খানসামায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে ব্র্যাক নিউইয়র্কে করোনাভাইরাসে নিভে গেল গৃহবধূ নিশাত’র প্রাণ সিংড়া প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের উদ্যোগে আগুনের হাত থেকে বেচে গেল কয়েক টি পরিবার করোনাভাইরাসে মৃত ব্যক্তিকে নির্ভয়ে দাফন-কাফন করুন

বুড়িমারী স্থল বন্দরে ১৯ মাসে রাজস্ব ঘাটতি ২৮ কোটি টাকা

প্রকাশ: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২০ , ৩:২০ অপরাহ্ণ , বিভাগ : রংপুর,সারাদেশ,

মো: লাভলু শেখ, লালমনিরহাট, সংবাদদাতা :
লালমনিরহাটে বুড়িমারী স্থল বন্দর ১টি পণ্যের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। এক সময়ে ভারতে পণ্য আমদানী-রপ্তানী করা হতো। বর্তমানে বন্দরটি কেবল পাথর নির্ভর হয়ে পড়েছে। এতে দেখা দিয়েছে রাজস্ব ঘাটতি। জানা গেছে, বুড়িমারী স্থল বন্দরে অসংখ্য পাথর বোঝাই ট্রাকের ভীর। এতে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। বুড়িমারী থেকে প্রায় ৮ কি: মি: জুড়ে মহা সড়কের পাশে পাথরের স্তুপ। ভারতের শত-শত মাল বোঝাই ট্রাকের কারণে জীবনের ঝুকি নিয়ে চলাচল করছেন পথচারী ও শিক্ষার্থীরা। সংশ্লিষ্ট সুত্র জানান, গত ১৯ মাসে ল্ক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৭ কোটি ৬৩ লক্ষ ৬৭ হাজার টাকা কম রাজস্ব আদায় হয়েছে। বন্দর কর্তৃপ বলছে কয়েকটি পণ্যের আমদানী নিষেধাজ্ঞা, রাস্তার দূরত্ব, ব্যবসায়ীদের মধ্যে অনৈক্য, পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা না থাকা এবং অতিরিক্ত পরিবহনের খরচের কারণে এই পথে পণ্য আমদানীতে আগ্রহ্য হারাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। বুড়িমারী স্থল বন্দরে ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে ল্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৯৪ কোটি ৪১ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকা। সেখানে অর্জিত হয়েছে ৭৬ কোটি ৫৫ লক্ষ ৭৬ হাজার টাকা। অর্থাৎ লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে ১৭ কোটি ৮৬ লক্ষ ১২ হাজার টাকা কম আয় হয়েছে। ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে প্রথম ৭ মাসে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫০ কোটি ৮৭ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। সেখানে আয় হয়েছে ৪০ কোটি ৫৯ লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা। নতুন অর্থ বছরে প্রথম ৭ মাসেও নির্ধারিত লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে ৯ কোটি ৭৭ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা কম আয় হয়েছে। তথ্য মতে, গত ১৯ মাসে ল্যমাত্রার চেয়ে ২৭ কোটি ৬৩ লক্ষ ৬৭ হাজার টাকা কম রাজস্ব আদায় হয়েছে। গত ১৯৮৮ সালে বুড়িমারী শুল্ক স্টেশন চালু করা হয়েছিল। ভুটান থেকে পণ্য আমদানির জন্য। পরবর্তীতে আমদানী ও রপ্তানী বৃদ্ধি পেলে শুল্ক স্টেশনটি পুর্নাঙ্গ স্থল বন্দরে রূপান্তরিত হয়। বিগত বছর গুলোতে এই পথে ভুটান থেকে পাথর ও কমলা ছাড়া ও ভারত থেকে পাথর, কমলা, আপেল, কসমেটিক্স, পেয়াজ, ভুট্টা, চাল, গম, প্লাইউড ও রেজিনসহ উচ্চ শুল্কের বিভিন্ন পণ্য আমদানী করা হতো। অপর দিকে বাংলাদেশ থেকে ঝুট, ঔষুধ, কনট ও প্রাণ এর মালামালাসহ বিভিন্ন পণ্য ভারতে রপ্তানী করা হতো।

আপনার মতামত লিখুন

রংপুর,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ