সোমবার-৬ই এপ্রিল, ২০২০ ইং-২৩শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ৯:৫৯, English Version
করোনাভাইরাস মোকাবিলার জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগের ১৬ কোটি টাকা অনুদান দেশের কোনো মানুষ না খেয়ে থাকবে না : হুইপ ইকবালুর রহিম চা, কফি বা গরম পানি খেয়ে কি করোনাভাইরাস দূর করা যায়? মুসল্লিদের ঘরে নামাজ পড়ার নির্দেশ গাইবান্ধায় হোম কোয়ারেন্টাইনে ১৬৩ বাড়ি ফিরে গেছে ৪ জন আক্রান্ত ৫ প্রধানমন্ত্রী যে খাদ্য ও নগদ অর্থ বরাদ্দ দিয়েছেন কেও না খেয়ে থাকবেন না..জেসী এমপি গাইবান্ধায় উপসর্গ নিয়ে যুবকের মৃত্যু

ডোমারে মসজিদে নামাজ পড়তে না দেয়া ও একঘোরে করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশ: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২০ , ৩:২৪ অপরাহ্ণ , বিভাগ : রংপুর,সারাদেশ,

রবিউল হক রতন, ডোমার (নীলফামারী) সংবাদদাতা : নীলফামারীর ডোমারে পূর্ব শত্রুতার রেশ ধরে চার মুসলিম পরিবারের সদস্যদের মসজিদে নামাজ পড়তে বাধা ও মসজিদ কমিটি কতৃক ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে এক ঘোরে করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার সকাল ১১টায় ডোমার প্রেসকাব হলরুমে উপজেলার সদর ইউনয়নের পশ্চিম চিকনমাটি নাওয়া পাড়া গ্রামের মানিক ইসলাম বাবু ও তাদের পরিবারবর্গ এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নাওয়াপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে মোঃ মানিক ইসলাম বাবু জানান, উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম চিকনমাটি নাওয়া পাড়া বাইতুর রহমত জামে মসজিদটির বয়স প্রায় ১২০ বছর। এই মসজিদে এক সময় আমার দাদার বাবা মাওলানা নীল মামুদ মোতায়াল্লি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে। আমার বাবা মৃত আব্দুল মজিদও উক্ত মসজিদের কোষাধক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিল। গত তিন বছর পুর্বে মসজিদের নতুন কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে উক্ত কমিটির সম্পাদক মোঃ শাহিন ইসলাম ও কোষাধ্যক্ষ ইউসুফ আলীর সাথে আমাদের পারিবারিক বিরোধ থাকায় সেই প্রতিহিংসার জেরে মসজিদের জামাত থেকে আমাদের একঘোরে করে রাখে পাশাপাশি মসজিদে আমাদের পরিবারের কাউকে নামাজ পরতে দেয় না। এমনকি আমাদের পরিবারে মিলাদ এবং ধর্মীয় উৎসবে কোন মাওলানাকে বাসায় আসতে দেয়া হয় না। আমার বাবা ও দাদার মৃত্যুবার্ষিকীতে মসজিদের মাওলানাসহ কমিটিকে দাওয়াত করলেও তারা মাওলানাকে আমাদের বাসায় আসতে বাধা দেয় ফলে বাসায় মিলাদ পড়ানো সম্ভব হয়নি। তিনি কান্নাজরিত কন্ঠে বলেন এই সময়ে আমাদের পরিবারে কেউ মারা গেলে তাকে কি দাফন করানো যাবে না। আমাদের একঘোরে করায় এলাকার কেউ আমাদের সাথে কথা বলে না। আমাদের পরিবারের ২৮ জন সদস্য এসব কারনে মানসিকভাবে বির্পযস্ত হয়ে পরেছে। সংবাদ সম্মেলনে এ সময় তার ভাই রাকিব ও চাচা মশিয়ার রহমান উপস্থিত ছিলেন। বায়তুর রহমত জামে মসজিদের সাধারন সম্পাদক শাহিন ইসলামের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যাস্ত থাকায় পরে সাক্ষাতে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন।
মসজিদের সভাপতি ইউপি সদস্য মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন মসজিদ কমিটি ও ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর সাথে একাধিকবার আপোষ-মিমাংসার চেষ্টা করেও ব্যার্থ হওয়ায় আমি কয়েকদিন আগে মসজিদের সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছি।

আপনার মতামত লিখুন

রংপুর,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ