শুক্রবার-১০ই এপ্রিল, ২০২০ ইং-২৭শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ২:১২, English Version
যে কারণে দেশে ফেরার ঝুঁকি নেন খুনি মাজেদ করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে মাথা ন্যাড়া করার হিড়িক! ৯বছরের শিশুকে ধর্ষনে অভিযোগে রক্তাক্ত অবস্থায় থানায় মায়ের আহাজারি করোনা ভাইরাস এর কারনে পার্বতীপুরের কাচা বাজার কয়েকটি মাঠে বসার প্রস্তাব। সৈয়দপুরে এক যুবক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হাকিমপুরে অসহায় ও দরিদ্রদের মাঝে আটা বিতরণ পবিত্র শবে বরাতে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

হাতীবান্ধায় প্রাইমারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষিকার যৌন হয়রানীর অভিযোগ

প্রকাশ: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২০ , ১২:৪৪ অপরাহ্ণ , বিভাগ : রংপুর,সারাদেশ,

 

কাজী শাহ্ আলম লালমনিরহাট সংবাদদাতা :  লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার দক্ষিন গড্ডিমারী মোক্তারপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এম এ সোবাহান এর বিরুদ্ধে খন্ডকালীন শিক্ষিকার যৌন হয়রানীর অভিযোগ।
জানাগেছে, হাতীবান্ধা উপজেলার দক্ষিন গড্ডিমারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক আহেদুজ্জামান অসুস্থ্য থাকায় তার সহযোগি হিসেবে বিদ্যালয়ের পাশ্ববর্তি এলাকার খায়রুল ইসলামের স্ত্রী রাশেদা খাতুন কে উক্ত বিদ্যালয়ের খন্ডকালীন শিক্ষকের দায়িত্ব প্রদান করেন প্রায় তিন মাস আগে।
দায়িত্বপ্রাপ্ত রাশেদা নিয়মিত বিদ্যালয়ে শিক্ষিকার দায়িত্ব পালন করতে থাকেন। পরবর্তিতে উক্ত বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এম এ সোবাহান খন্ডকালীন শিক্ষিকাকে প্রায় সময়ে কুপ্রস্তাব দেন। এক পর্যায়ে তার কুপ্রস্তাবের প্রতিবাদ করারপরেও গত ২৬ ফেব্রুয়ারী/২০ তারিখে বিদ্যালয়ের নিচ তলার একরুমে রাশেদা খাতুনকে একা থাকার সুযোগ বুঝে সহকারী শিক্ষক এম এ সোবাহান পিছন থেকে আর্কষিক ভাবে জড়িয়ে ধরেন এবং বিভিন্ন প্রলভন মুলক ও অশালীন ভাষায় কথা বলেন। এ সময় রাশেদা তার শক্তি প্রয়োগ করে রুম থেকে বেড়িয়ে আসেন। প্রধান শিক্ষক সহ অন্যান্য শিক্ষককের নিকট বিষয়টি বলেন। প্রধান শিক্ষক এব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দিয়ে আজ না কাল বলে সময় কাল ক্ষেপন করে, উল্ড ২মার্চ/২০তারিখে খন্ডকালীন শিক্ষিকা রাশেদাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন। পরে নিরুপায় হয়ে রাশেদা হাতীবান্ধা থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক এম এ সোবাহানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন এ অভিযোগ সম্পুনরুপে মিথ্যা। অপর দিকে প্রধান শিক্ষক আহেদুজ্জামান বলেন ,এ বিষয়ে আমি কিছু জানিনা।
কিন্তু নাম প্রকাশ না করা শর্তে এক সহকারী শিক্ষক বলেন বিষয়টি আমি শুনেছি তবে সত্য মিথ্যা জানিনা। নাম প্রকাশ না করা শর্তে এলাকার একাধীক ব্যক্তি বলেন অভিযুক্ত শিক্ষকের এ রকম ঘটনা আগেও করেছে।
বিষয়টি নিয়ে গতকাল শনিবার থানায় যোগাযোগ করা হলে থানা অফিসার ইনচার্জ ওমর ফারুক বলেন,অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে তদন্ত অব্যহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

রংপুর,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ