বৃহস্পতিবার-২রা এপ্রিল, ২০২০ ইং-১৯শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: ভোর ৫:২৭, English Version
পার্বতীপুরে ইউনাইটেড ডেভেলপমেনট এসোসিয়েশনের উদ্যোগে নগদ অর্থ প্রদান গাইবান্ধায় হোম কোয়ারেন্টাইনে ২০০ : বাড়ি ফিরে গেছে ৭ জন পলাশবাড়ীতে বিষপানে মায়ের মৃত্যু : শিশুপুত্র গুরুতর অসুস্থ্য ঠাকুরগাঁওয়ে ২শ অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কোভিড-১৯ (করোনা ভাইরাস) সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন লালমনিরহাটে সেনাবাহিনীর মতবিনিময় ও চিকিৎসা সেবা করোনা ভাইরাসের সচেতনতায় খেটে খাওয়া অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ালেন গোবিন্দগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন প্রয়োজন ছাড়া দেশের বাইরে যাওয়া যাবে না

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২০ , ৫:৫১ অপরাহ্ণ , বিভাগ : স্বাস্থসেবা,

 

এমএন২৪.কম ডেস্ক : স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, প্রয়োজন ছাড়া দেশের বাইরে যাওয়া যাবে না।   বিশ্বের ৬০টি দেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। তাই প্রয়োজন ছাড়া দেশের বাইরে যাওয়া-আসা না করলে ভালো হয়। কারণ সারা বিশ্বে করোনাভাইরাসের কারণে অনেক অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৩টায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে করোনাভাইরাস ও ডেঙ্গু বিষয়ে ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে বেলা ২টায় এবিষয়ে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি বলেন, অনেক সন্দেহজনক রোগীকে চিকিৎসা ও স্ক্রিনিং করা হয়েছে। দেশের সকল বন্দরে ২৪ ঘণ্টা স্ক্রিনিং চলছে। এ পর্যন্ত ৪ লাখ ১৮ হাজার লোককে স্ক্রিনিং করা হয়েছে। আমরা প্রায় ১০০ রোগীকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করেছি। আশপাশের দেশে করোনাভাইরাস এসে পড়েছে। এখন পর্যন্ত ৬০টি দেশে এসেছে। বাংলাদেশে যে আসবে না তা নিশ্চিত করে বলা যায় না। আমরা তিনটি কমিটি করেছি। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা সেখানে আছেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা নির্দেশ দিয়েছি যে দেশ থেকেই আসুক না কেন, তারা যেখানেই থাকবে সেলফ কোয়ারেন্টাইনে। এ পরামর্শ তাদের দেয়া হয়েছে। প্রতিটি জেলা আইসোলেশন ওয়ার্ড করেছি। ভবনের টপ ফ্লোরে সেই ওয়ার্ড করা হয়েছে। রোগী বেশি হয়ে গেলে কমিউনিটি সেন্টারসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রতিটি জেলা হাসপাতালে দুইটি করে আইসিইউ যাতে থাকে সেই বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, দেশের বাইরে থেকে আসা কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি পেলে বা এসে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হবে। বিদেশ থেকে কেউ আসলে উপজেলা পর্যায়ে আগে সিভিল সার্জনের সঙ্গে দেখা করতে হবে, এবং তার সব তথ্য দিতে হবে। প্রস্তুতির অংশ হিসাবে বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সেখানে ২০টি আইসিইউর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিভিন্ন দূতাবাসকেও জানানো হয়েছে, যারা ইতালি, ইরান, কোরিয়া থেকে আসবে তাদের প্রতি বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে। তাদের মেডিকেল সার্টিফিকেট নিয়ে আসতে হবে। করোনাভাইরাস চলে আসলেও আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।       সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল

তিনি জানান, কোনো রোগীর খোঁজ পেলে কোয়ারেন্টাইনে রেখে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

১৭ মার্চ অনেক বিদেশি আসবেন, তাদের বিষয়ে প্রস্তুতি আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যারা আসবেন তারা রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসাবে থাকবেন। তারা অল্প সময় থাকবেন। আশা করি তারা ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। তাদের কোনো সমস্যা হলে তো ব্যবস্থা থাকবেই।

তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশের ১ কোটি লোক বাইরের দেশে কাজ করেন। যে ৬০টি দেশে দেখা দিয়েছে তার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যসহ বেশকিছু দেশ তারা কাজ করে। বাংলাদেশি যারা বিদেশে চাকরি করেন, তারা জরুরি প্রয়োজন না হলে দেশে যাতে না আসেন। তাদের যাতায়াত সীমিত করতে হবে। আমরা চাই না আমাদের দেশ করোনায় আক্রান্ত হোক। যারা বিদেশে আছেন তারাও চান না আমাদের দেশ করোনায় আক্রান্ত হোক। তাই প্রয়োজন ছাড়া বিদেশে যাওয়া-আসা বন্ধ রাখলে ভালো হয়। করোনাভাইরাসের কারণে পৃথিবীতে অনেক অনুষ্ঠান বাদ দেওয়া হয়েছে। আমরা এই সময়টায় হ্যান্ডশেক না করি আর বাড়িতে গিয়ে সবার আগে মুখ হাত ধুয়ে ফেলি।

করোনার জন্য পৃথিবীতে অনেক অনুষ্ঠান বাতিল হয়েছে, ১৭ মার্চ নিয়ে তেমন কোনো চিন্তা করছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই অনুষ্ঠান বাতিলের এখতিয়ার আমাদের হাতে না। এ বিষয়ে এখন সুনিশ্চিত করে কিছু বলতে পারবো না। আমাদের দেশে তো সেই ধরনের সংক্রমণ এখনো হয়নি, যে অনুষ্ঠান বাতিল করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

স্বাস্থসেবা বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ