বুধবার-৮ই এপ্রিল, ২০২০ ইং-২৫শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: সকাল ৭:৫১, English Version
ঠাকুরগাঁওয়ে অসহায় মানুষদের পাশে যুবলীগ নেতা আপেল প্রাথমিকসহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হচ্ছে ঈদ পর্যন্ত ঠাকুরগাঁওয়ে ঠেঙ্গামারা এনজিওর কিস্তি আদায়, ম্যানেজারসহ আটক ১৫ রাজারহাটে করোনা সন্দেহে তিন জনের নমূনা পরীক্ষাগারে প্রেরণ টেস্ট বাড়ানোর জোর তাগিদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ফকিরহাটে অজ্ঞাত বৃদ্ধের মৃতদেহ উদ্ধার লালমনিরহাট এসিল্যান্ড অফিসের সহকারী কর্তৃক স্বামী ও স্ত্রীকে মারপিটসহ শ্লীলতাহানীর অভিযোগ

প্রাথমিকে উত্তীর্ণ শিক্ষকদের নিয়োগ দাবি

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২০ , ৪:৪৪ অপরাহ্ণ , বিভাগ : শিক্ষা,

এমএন২৪.কম ডেস্ক : ২০১৮ সালের প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সবাইকে প্যানেল করে নিয়োগের দাবিতে অবস্থান নিয়েছে চাকরি প্রার্থীরা। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ অবস্থান কর্মসূচি পালনে করছে ‌‘প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্যানেল চাই’ বাস্তবায়ন কমিটি।

বক্তারা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রাথমিক শিক্ষাকে ‘শিক্ষার মূলভিত্তি’ ধরে ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে প্রায় ৩৭ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারিকরণ করেছিলেন, যা ছিল শিক্ষিত জাতি ও দেশ গঠনের এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। যার ফলশ্রুতিতে দেড় লক্ষাধিক শিক্ষকের চাকরি স্থায়ীকরণ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মদিনে তার আদর্শ কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমাদের জোড়ালো দাবি, তার পিতার মতো যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে মুজিব জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৩৭ হাজার মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী বেকার ও তাদের পরিবারের সবার মুখে হাসি ফুটাবেন।

অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন, মুজিববর্ষে কেউ বেকার থাকবে না। এছাড়া ঘরে ঘরে চাকরি দেয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেলিন তিনি। তাই আমরা আশা করি, মুজিববর্ষে এই ৩৭ হাজার চাকরিপ্রার্থীকে প্যানেল করে নিয়োগ দিলে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির অনেকাংশ বাস্তবায়ন হবে। কারণ, দেশের ৬১টি জেলার সব উপজেলার যোগ্য প্রার্থীরাই লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে।

শিক্ষাজীবনে সেশন জটের কথা উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, আমাদের পড়ালেখার সময় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চরম সেশন জট ছিল। অন্যদিকে, সার্টিফিকেট পাওয়ার পর হাইকোর্টের রিট জটিলতার কারণে ২০১৪-২০১৮ পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের কোনো বিজ্ঞপ্তি হয়নি। এমনকি ২০১০ থেকে ২০২০ পর্যন্ত কোনো প্রধান শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিও হয়নি। যদিও বর্তমানে চরম শিক্ষক সংকট বিদ্যমান। অথচ আগে ৬ মাস পর পর সহকারী শিক্ষক ও ২ বছর পর পর প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক নিয়োগ করা হতো। তাই আমরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। এসময় সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা শেষ হওয়ায় এটাই তাদের শেষ সুযোগ বলেও উল্লেখ করেন তারা।

বক্তারা আরও বলেন, প্যানেলের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ করলে নিয়োগ বাণিজ্য ও কালক্ষেপন বন্ধ হবে। শূন্য পদের ভিত্তিতে সময় মতো উপযুক্ত শিক্ষক নিয়োগ দেয়াও সম্ভব হবে, যা বর্তমান সময়ের জন্য অপরিহার্য।

উল্লেখ্য, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ-২০১৮ তে এবারেই প্রথম সারাদেশ থেকে প্রায় ২৪ লাখ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্য হতে ৫৫ হাজার ২শ ৯৫ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়, যা মোট প্রার্থীর মাত্র ২ দশমিক ৩ শতাংশ।

আপনার মতামত লিখুন

শিক্ষা বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ