মঙ্গলবার-৩১শে মার্চ, ২০২০ ইং-১৭ই চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ১১:২১, English Version
সাধারণ ছুটি ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ল চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে খাবার তুলে দিলেন লেনিন প্রামাণিক চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাবেক এমপি আব্দুল ওদুদের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ পার্বতীপুরের পত্রিকা বিক্রেতাদের হাতে তুলেন দিলেন খাদ্য সামগ্রী- উপজেলা সমাজসেবা অফিসার পলাশবাড়ীতে পৌরসভার উদ্যোগে জিবানুনাশক স্প্রে কার্যক্রম শিবগঞ্জেমৃত ব্যক্তির করোনা ভাইরাস ছিলনা ১৫ বাড়ী লক ডাউন প্রত্যাহার পলাশবাড়ীতে কর্মহীন ভাসমান বেদে পরিবারের মানবেতর জীবনযাপন

স্ত্রীকে ভুলেও যে ৪ কথা বলা যাবে না

প্রকাশ: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২০ , ৪:৫২ অপরাহ্ণ , বিভাগ : লাইফস্টাইল,

এমএন২৪.কম ডেস্ক : স্বামী আর স্ত্রী দুজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই গড়ে ওঠে একটি সুখের সংসার। কথায় বলে-‘সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে, পূণ্যবান পতি যদি থাকে তার সনে’ দাম্পত্য সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য দুজনের মধ্যেই ভালোবাসা, সহমর্মিতা, আন্তরিকতা এবং আত্মত্যাগ অনেক জরুরি। এর একটির অভাব হলেই নষ্ট হয় সংসারের শান্তি। তবে সংসারের সুখ-শান্তির জন্য কিছু ব্যাপারে স্বামীর দায়িত্ব কিছুটা বেশি। কেননা তার সামান্য একটি কথায় উড়ে যেতে পারে এতদিন ধরে গড়ে তোলা সংসারের সুখপাখিটি।

তাই স্ত্রীর প্রতি আচার ব্যবহারে সংযম ও সহনশীলতার পরিচয় দিতে হবে। কোনও স্বামীরই তার সহধর্মিনীকে মুখ ফসকে এমন কথা বলা যাবে না যাতে তিনি মনে কষ্ট পান। আপনার মনে রাখতে হবে- আপনার স্ত্রী সবকিছু ছেড়ে আপনার কাছে এসেছে। আপনি যদি তাকে ভালোবাসা না দেন, বিশ্বাস না করেন তাহলে তো সে অসহায় হয়ে পড়বে। মনে রাখবেন আপনার সংসারটাকে সেই তো সাজিয়ে গুছিয়ে ফুলের মতো সুন্দর করে রাখেন। তাই তাকে ভালোবাসুন এবং উপযুক্ত সম্মান দিন। তাকে ভুলেও এমন কিছু বলা যাবে না যাতে তিনি কষ্ট পান। বিশেষ করে চারটি বিষয়ের দিকে সবসময় খেয়াল রাখতে হবে।

 ১.তোমাকে বিয়ে করা বড় ভুল

একসঙ্গে থাকতে গেলে কখনও বা স্ত্রীর প্রতি বিরক্ত হতে পারেন, তাকে ক্ষণিকের জন্য ভুলও বুঝতে পারেন। এমনকি পারিবারিক কোনও ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার সঙ্গে সামান্য কলহ অস্বাভাবিক নয়। তাই বলে ভুলেও যেন স্ত্রীকে বলতে যাবেন না, ‘তুমি একটা স্বার্থপর মেয়ে। তোমাকে বিয়ে করা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল!’

স্ত্রী যদি আপনার পছন্দমতো কাজ নাও করে এবং যদি সে সত্যিই স্বার্থপরের মতো আচরণ করেও থাকে, তবু তাকে এ কথা বলা যাবে না। কেননা ঝগড়ার সময় এ ধরনের কথাগুলোই দুজনের সম্পর্ক আরও তিক্ত করে তুলতে পারে।

 ২. তোমার চেয়ে আমার চাকরি গুরুত্বপূর্ণ

প্রতিটি কাজে একে অপরকে সম্মান করুন। ধরুন আপনার স্ত্রী হাউস ওয়াইফ, কিংবা সে আপনার চেয়ে কম বেতনের চাকরি করে। কিন্তু তারপরও কখনও তাকে একথা বলবেন না, ‘তোমার চেয়ে আমার চাকরি গুরুত্বপূর্ণ।’ আপনার সময় না থাকলে তাকে বুঝিয়ে বলুন। তাই বলে এভাবে অসম্মান করা যাবে না তাকে।

৩. তোমার মাকে পছন্দ করি না

শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখুন। অনেককে আপনি অপছন্দ করতেই পারেন। তাই বলে রাগের মাথায় ‘আমি তোমার মাকে ঘৃণা করি’ বা ‘আমি তোমার বাবাকে ঘৃণা করি’- কিংবা ‘তোমার গোষ্ঠীর লোকজন খারাপ’ এ ধরনের কথা বলবেন না।

৪. পছন্দ না হলে চলে যাও

এখনও এমন কিছু স্বামী আছেন যারা পান থেকে চুন খসলেই স্ত্রীকে বাপের বাড়ির রাস্তা দেখিয়ে দেন। কিন্তু যুগ তো বদেলেছে রে ভাই! ফলে শিক্ষিত ও আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন মেয়েরা এ ধরনের কথা শুনেতে পছন্দ করেন না। তাই স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া লাগলেই তাকে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথা বলা যাবে না।

আপনার মতামত লিখুন

লাইফস্টাইল বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ