শনিবার-২৮শে মার্চ, ২০২০ ইং-১৪ই চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ৯:১৩, English Version
এবার রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ করোনায় আক্রান্ত সৈয়দপুরে পৌরসভার উদ্যোগে জীবাণুনাশক দিয়ে শহর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত  করোনায় নতুন করে কেউ আক্রান্ত হয়নি, আরও ৪ জন সুস্থ গুজব সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান ফকিরহাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা শিবগঞ্জে করোনা ভাইরাস সন্দেহে এক জনের মৃত্যু ১৫ বাড়ী লক ডাউন গাইবান্ধায় হোম কোয়ারেন্টাইনে ২২৫ ॥ নতুন ২ জনসহ আক্রান্ত ৪ ॥ বাড়ি ফিরে গেছে ১৩ জন

পার্বতীপুর কেলোকায় সম্পূর্নভাবে ক্ষতিগ্রস্থ ২৯৩৩ নম্বর লোকোমোটিভটি মেরামতের পর মঙ্গলবারে রেলবহরে যুক্ত হচ্ছে।

এমএন২৪.কম ডেস্ক : পার্বতীপুর কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানায় সম্পূর্নভাবে ক্ষতিগ্রস্থ ২৯৩৩ নম্বর লোকোমোটিভটি প্রধান নির্বাহীর নেতৃত্বে ইঞ্জিনিয়ার কারিগরদের নিরলস প্রচেষ্টা ও দক্ষতায় পরিপূর্ন মেরামতের পর আজ মঙ্গলবার রেলবহরে যুক্ত হচ্ছে। এটি এ রেল কারখানার বিশাল সাফল্য হিসেবে চিহিৃত হয়েছে। লোকোমোাটিভ মেরামতের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১.৫ কোটি টাকা। এ ধরনের লোকোমোটিভ প্রতিটির আমদানী খরচ প্রায় ৩৫ কোটি টাকা। এতে প্রায় ৩৩ কোটি টাকার সমপরিমান বৈদেশিক মূদ্রা সাশ্রয় হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষীয় সূত্রে বলা হয়েছে।
কেলোকার সূত্রমতে ২০১৩ সালে জাপানের অর্থ সহায়তায় এম আই ১৫ কাসের ১১টি লোকোমোটিভ (২৯২৯-২৯৩৯) দক্ষিন কোরিয়ায় হুন্দাই রোটেম কোম্পানী থেকে আমদানী করা হয়। ২৯৩৩ লোকোমোটিভটি এর মধ্যে একটি। রেলবহরে যুক্ত হবার পর ২০১৩ সাল থেকে লোকোটি সফলভাবে ট্রেন নিয়ে চলাচল করেছে। এটি ২০১৬ সালের ৭ অক্টোবর পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেন (৭০৯) নিয়ে যাওয়ার সময় ঢাকা-সিলেট সেকশনের মধূপুর নোয়াপাড়া রেল ষ্টেশনে প্রবেশকালে ল্যুপ লাইনে ঢুকার সময় ফেসিং পয়েন্টের সুইচ ক্রটির কারনে ডিরেলমেন্ট হয়ে ভয়াবহ দূর্ঘনায় পতিত হয়। এতে লোকোর নীচের অংশের ফূয়েল ট্যাংক রেল লাইনের সাথে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে আগুন লেগে অধিকাংশ যন্ত্রাংশ পড়ে যায়। প্রথমে লোকোমোটিভটি নিয়ে যাওয়া হয় চট্রগ্রামের পাহাড়তলী ডিজেল শপে। পরীক্ষা করে দেখা যায় লোকোমোাটভটির প্রায় সকল যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছ, যা জিওএইচ সিডিউল ছাড়া মেরামত বা প্রতিস্থাপন সম্ফভ নয়। ফলে এটি কেলোকায় প্রেরণের নিমিত্তে বালাসী তিস্তামূখ ঘাট দিয়ে পারাপারের অপেক্ষায় চট্রগ্রামে পড়ে ছিল। যমুনা নদীর নাব্যতা ফিরে না পাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে লোকোটি সেখানেই পড়ে থাকে । এ ছাড়াও রেল কর্তৃপক্ষের অনুমতি না থাকায় লোকোটি বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর উপর দিূেয় পূর্বাঞ্চল হতে এ কারখানায় আনা সম্ভব হূয়নি। অবশেষে বিশেষ সর্ত সাপেক্ষে মৃত লোকোমোটিভটি ১৫.৫.২০১৯ তারিখে সোফোকারসহ বঙ্গবন্ধু রেলসেতু অতিক্রম করে কেলোকায় প্রবেশ করে। এখানে লোকোটি ডিসম্যান্টেল করে বিস্তারিত ড্যামেজ এন্ড ডিফিসিয়েন্সি তালিকা প্রস্তুত করা হয়। সে অনুযায়ী বিদেশ ও স্থানীয়ভাবে যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করা হয় ।যোগাযোগ করলে কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানার প্রধান নির্বাহী মুহাম্মদ কুদরত-ই-খুদা আজ সোমবার দুপুরে জানান, এ লোকোমোটিভটি মেরামত বলা যায় একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। কারন এ ধরনের ক্ষতিগ্রস্থ ইঞ্জিন এর আগে মেরামত করা সম্ভব হয়নি। রেলে লোকোমোটিভের অনেক ক্রাইসিস। একটি হলেও এতে কিছুটা চাহিদা মিটবে, ভূমিকা রাখবে যাত্রী সেবায়।

আপনার মতামত লিখুন

অর্থনীতি,ঢাকা,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ