শনিবার-২৮শে মার্চ, ২০২০ ইং-১৪ই চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ৯:২৮, English Version
এবার রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ করোনায় আক্রান্ত সৈয়দপুরে পৌরসভার উদ্যোগে জীবাণুনাশক দিয়ে শহর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত  করোনায় নতুন করে কেউ আক্রান্ত হয়নি, আরও ৪ জন সুস্থ গুজব সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান ফকিরহাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা শিবগঞ্জে করোনা ভাইরাস সন্দেহে এক জনের মৃত্যু ১৫ বাড়ী লক ডাউন গাইবান্ধায় হোম কোয়ারেন্টাইনে ২২৫ ॥ নতুন ২ জনসহ আক্রান্ত ৪ ॥ বাড়ি ফিরে গেছে ১৩ জন

পদোন্নতি পাওয়া প্রধান শিক্ষকরাও ১৩তম গ্রেড পাবেন না!

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ , ৩:৩৫ অপরাহ্ণ , বিভাগ : শিক্ষা,

এমএন২৪.কম ডেস্ক : বেতন বৈষম্য কমাতে চলতি মাসের ৯ তারিখে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বাড়িয়ে আদেশ জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। বেতন বাড়ানোর ফলে এই শিক্ষকরা জাতীয় বেতন স্কেলের ১৩তম গ্রেডে (১১ হাজার টাকার) বেতন পাবেন। এতে বৈষম্য আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছে শিক্ষকরা।

১৩তম গ্রেডে বেতন পেতে শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছে নূন্যতম দ্বিতীয় শ্রেণিতে স্নাতক। অথচ নিয়োগকালে শিক্ষাগত যোগ্যতা চাওয়া হয়েছিল উচ্চ মাধ্যমিক।

শিক্ষকরা বলছে, সারাদেশের ৩ লাখ ৭৫ হাজার সহকারী শিক্ষকের অন্তত সোয়া লাখই ১৩ তম গ্রেডে সুবিধা পাবেন না। প্রাথমিক স্তরে মোট শিক্ষকের ৬০ শতাংশই নারী। সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত হবেন তারা। এ ছাড়া এতদিন ১৪তম গ্রেডে চাকরি করলেও বিপুল সংখ্যক শিক্ষকের বেতন ১৩তম পার হয়ে ১২তম গ্রেডে চলে গেছে। এখন ১৩তম গ্রেডে নতুন করে বেতন নির্ধারণ করতে গেলে এই শিক্ষকদের বেতন উল্টো কমে যাবে। এসব নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষকরা অসন্তুষ্ট।

একাধিক শিক্ষক বলছেন, নতুন বেতন স্কেল নির্ধারণ করায় ১০ ধরনের বৈষম্য সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগবিধির ২(গ) ধারার শর্ত অনুসারে, নুন্যতম স্নাতক দ্বিতীয় শ্রেণি ছাড়া এই গ্রেডে কেউ বেতন পাবেন না। যারা স্নাতক তৃতীয় শ্রেণি, কিন্তু স্নাতকোত্তরে দ্বিতীয় শ্রেণি- তারাও ১৩তম গ্রেড পাবেন না। মূলত এই বিধির কারণে অনেক শিক্ষক ১৩তম গ্রেড থেকে বঞ্চিত হবেন।

এই বিধিতে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের যোগ্যতা সম্পর্কে বলা হয়েছে, ‘কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হইতে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি।’ অথচ কর্মরত শিক্ষকদের বড় অংশই আগের নিয়োগবিধি অনুসারে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে নিয়োগ পেয়েছেন। বিশেষ করে নারী শিক্ষকদের ক্ষেত্রে আগের নিয়োগবিধিতে এইচএসসি পাস করে যারা নিয়োগ পেয়েছিলেন, তারা বর্তমান নিয়োগবিধির আলোকে বেতন নির্ধারণ করলে ১৩তম গ্রেড থেকে বঞ্চিত হবেন। এ ছাড়া পুরুষ শিক্ষকদের মধ্যেও অনেক সিনিয়র শিক্ষক এই স্কেল থেকে বঞ্চিত হবেন। এমনকি চলতি দায়িত্বে থাকা ও পদোন্নতি পাওয়া প্রধান শিক্ষকরাও স্নাতক দ্বিতীয় শ্রেণি পাস করা না হলে ১৩তম গ্রেড পাবেন না।

একাধিক প্রধান শিক্ষক জানান, নতুন এ বেতন স্কেল নিয়ে একই বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি হবে। ১৩তম গ্রেড চালুর ফলে পাশাপাশি অবস্থিত ২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ জন প্রধান শিক্ষকের মধ্যে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত ও জাতীয়কৃত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এইচএসসি পাস যোগ্যতা নিয়েও পাবেন ১১তম গ্রেডে বেতন। অথচ একই যোগ্যতা নিয়ে চলতি দায়িত্ব বা পদোন্নতিপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ১৩তম গ্রেডও পাবেন না।

আপনার মতামত লিখুন

শিক্ষা বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ