বুধবার-২০শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং-৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: সকাল ১০:৪১, English Version
বেশী দামে লবন বিক্রির অপরাধে চার দোকানে ১ লাখ টাকা জরিমানা কলাপাড়ায় দুই লবন ব্যবসায়ীসহ ছয় ব্যবসায়ীকে অর্থদন্ড, গুজব ঠেকাতে প্রশাসনের মাইকিং।। সৈয়দপুরে লবন নিয়ে তুলকালাম সুন্দরগঞ্জে চড়ামূল্যে লবণ বিক্রিতে ৫ ব্যবসায়ীর জরিমানা লবনের দাম বেশি বিক্রির দায়ে ১৬ ব্যাবসায়ীকে জরিমানা ২ জনের সাজা শিবগঞ্জের মনাকষায় লবণের গুজবে আটক-১ জন পার্বতীপুরে অতিরিক্ত দামে লবন বিক্রির অভিযোগে ৩০ হাজার ৫শত টাকা জরিমানা

ছাতকে রোপা আমনের বাম্পার ফলন

প্রকাশ: বুধবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১৬ , ৪:৫২ অপরাহ্ণ , বিভাগ : কৃষি,
file-3
সুনামগঞ্জ: সুনামগঞ্জের ছাতকে চলতি বছরে রোপা আমন ধানের বা¤পার ফলন হয়েছে। কৃষকরা এখন মাঠ সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে মাড়াই-ঝাড়াই কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এবার রোপা আমনের ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক লক্ষ্য করা গেছে। নবান্ন উৎসবকে সামনে রেখে এখানে গ্রামে-গ্রামে চলছে স্বপ্নের সোনালী ফসল ঘরে তোলার কাজ। স্থানীয় কৃষি অধিদপ্তরের দাবি- চলতি মৌসুমে রোপা-আমন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে দ্বিগুনের চেয়ে বেশি উৎপাদন হয়েছে।
দোলারবাজারের কৃষক নজরুল ইসলাম, কালারুকার নুর উদ্দিন, নোয়ারাই সাহবাজ মিয়াসহ একাধিক কৃষক জানান, এ বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন্যা বা খড়ায় ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। যথাযথ পরিচর্যা ও সময়মত সার ব্যবহার করায় ফসল আশানুরূপ হয়েছে। অধিক ফসল উৎপাদনে এখানের কৃষকরা কৃষি ক্ষেত্রে নিয়েছে একাধিক প্রশিক্ষণ। ফলে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার ও পর্যাপ্ত সার প্রয়োগের ফলেই তারা কাংখিত ফসল ঘরে তুলতে পারছে। রোপা আমনের ফসলের মাঠে বেশ জোড়ে সুরেই চলছে ধান কাঠা। এরই মধ্যে উপজেলার ৭০ ভাগ ধান কাঠা শেষ হয়েছে। চলতি মৌসুমে ৪ হাজার ২শ, ২০ হেক্টর জমিতে রোপা-আমন চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হলেও ৯ হাজার ৫শ, ২০ হেক্টর জমিতে রোপা-আমন ধান অর্জিত হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫ হাজার ৩শ হেক্টর অধিক জমিতে আমন চাষাবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে উপসী জাতীয় চাষাবাদ করা হয়েছে ৬ হাজার ৪শ ৭০ হেক্টর এবং স্থানীয় জাতের ৩ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে রোপা-আমন চাষাবাদ করা হয়েছে। উপসী জাতীয় বিআর-১১ চাষ ৩হাজার ৮শ ৫৫ হেক্টর, বিআর-২০ চাষ ২শ ৮৮ হেক্টর ও বিআর-২২ চাষ ২শ ২২হেক্টর, পাজাম জাতীয় ৩৫ হেক্টর, ব্রি ধান-৩২ চাষ ৮৭ হেক্টর, ব্রি ধান-৩৪ চাষ সুগন্ধি ৮হেক্টর, ব্রি ধান-৩৯ চাষ ১শ ১৫ সুগন্ধি, ব্রি ধান-৪৯ চাষ ৯শ ৯০ সুগন্ধি, ব্রি ধান-৫২ চাষ ৮শ ৬০ হেক্টর, এবং বিনা ধান-১১ চাষ হয়েছে ১০ হেক্টর জমিতে। স্থানীয় জাতের মধ্যে লতি সাইল ২১০ হেক্টর, গান্ধি ৫হেক্টর, চেংগের মুড়ি ৭শ ৯৬ হেক্টর, মালতী ৩শ ১২ হেক্টর, গোয়ারচর ৪শ ৬১হেক্টর, কালিজিরা ৫শ ৭০ হেক্টর, ময়না সাইল ৩শ হেক্টর, বিরুইন সুগন্ধি ৩শ ৪৪ হেক্টর, তুলসী মালা ১২ হেক্টর ও নাজির সাইল ৪০ হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কেএম বদরুল হক জানান, উপজেলার কৃষকদের আধুনিক চাষাবাদের মাধ্যমে অধিক ফসল উৎপাদনে কৃষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণসহ যথারীতি মাঠদিবস পালন করা হচ্ছে। কৃষকরাও তাদের গ্রহণ করা প্রশিক্ষণ ফসলের মাঠে কাজে লাগিয়েছেন বলেই ভালো ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন

কৃষি বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ