শনিবার-২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং-৯ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: সকাল ৭:০৯, English Version
পার্বতীপুরে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা মহান শহীদ দিবস ও মাতৃভাষা দিবসে গাইবান্ধায় দেশসেরা কামেরাবন্দি ওরা দু ভাই স্মৃতির মিনারে লাখো জনতার ঢল আগামীকাল মহান ‘শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ চিরিরবন্দরে জেলা পরিষদ ডাক বাংলো ভবনের উদ্বোধন লালমনিরহাটের প্রায় দেড় হাজার বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক হারানো মসজিদের পুন:নির্মাণ

বানিয়ে ফেলুন ‘সাদা চমচম’

প্রকাশ: বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ , ১০:৪৭ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ : লাইফস্টাইল,

এমএন২৪.কম ডেস্ক :  মিষ্টি ছাড়া কি কোনো উৎসব কল্পনা করা যায়? রসগোল্লা, চমচম, কালোজাম আরও কত রকমের রয়েছে মিষ্টি। চমচমের কথা বললেই আমাদের কল্পনায় সোনালি রঙা মিষ্টির ছবি ভেসে ওঠে। এই মজার মিষ্টি কিন্তু সাদা রঙেও বানাতে পারেন। যা যা প্রয়োজন

১ কাপ ছানা, ১/২ চা চামচ সুজি, দেড় চা চামচ ময়দা, এক চিমটি বেকিং পাউডার, ১ চা চামচ খাবার তেল, দেড় চা চামচ গুঁড়া চিনি, ১ চিমটি এলাচ গুঁড়া সিরার জন্য প্রয়োজন দেড় কাপ চিনি, সাড়ে পাঁচ কাপ পানি, ৩/৪টি এলাচ, ৩-৪ কাপ ফুটানো গরম পানি প্রণালি হাতের তালুর সাহায্যে ছানা ভালো করে মথে নিন। এর সঙ্গে একে একে সুজি, ময়দা, চিনি ও বেকিং পাউডার মেশান। ভালো করে মেশানো হলে তেল দিয়ে আবারও মথে নিন। হাড়িতে চিনি, পানি ও এলাচ দিন। সিরা হতে হতে মিষ্টিগুলো বানিয়ে নিন। ছানা ১০/১২ ভাগ করে পছন্দমতো আকারে চমচম বানিয়ে নিন। সিরা কয়েকবার ফুটে উঠলে চুলার আঁচ কমিয়ে মিষ্টিগুলো সিরায় দিয়ে দিন। কখনো ফুটন্ত সিরায় মিষ্টি ছাড়বেন না। সিরাতে মিষ্টি দেওয়ার পর চুলার আঁচ মাঝারি থেকে একটু বাড়িয়ে দিন। এ সময় ঢাকনা দেবেন না। মিষ্টিগুলো ওপরে ভেসে ওঠা অব্দি অপেক্ষা করুন। এরপর ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখুন বিশ মিনিট। অন্য চুলায় হাড়িতে ২-৩ কাপ পানি ফুটতে দিন। বিশ মিনিট পর ঢাকনা খুলে মিষ্টিগুলো উল্টে দিন। এবার হাঁড়ির পাশ ঘেঁষে আধা কাপ গরম পানি ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে সিরার মধ্যে দিয়ে দিন। আবার ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখুন বিশ মিনিট। এরপর ঢাকনা খুলে আধা কাপ গরম পানি একইভাবে সিরায় দিয়ে দিন আর মিষ্টিগুলো আরেকবার উল্টে দিন। একই পদ্ধতি আরও দুইবার পুনরাবৃত্তি করুন। সবমিলিয়ে ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট জ্বাল দিন। শেষের দিকে সিরা ঘন মনে হলে এক কাপ গরম পানি দেবেন। শেষের দিকে আর মিষ্টি উল্টাবেন না। কারণ এই মিষ্টি খুব তুলতুলে হয় বলে ভেঙে যেতে পারে। মিষ্টি তুলে ঠান্ডা না হওয়া অব্দি অপেক্ষা করুন। তবে ফ্রিজে রাখবেন না। ঠান্ডা হলে মাওয়া জড়িয়ে পরিবেশন করুন রসালো তুলতুলে চমচম। অতিথি আপ্যায়নে এই মিষ্টি রাখতে ভুলবেন না যেন।

আপনার মতামত লিখুন

লাইফস্টাইল বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ


বিশ্বের নানা দেশ ভ্রমণের আগে সেসব দেশের আচার-আচরণ কিছুটা হলেও জেনে নেওয়া উচিত। অন্যথায় বিরূপ পরিস্থিতিতে পড়ার আশঙ্কা থাকে। মুসলিম দেশে পোশাক সাবধান : বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিমপ্রধান দেশে খোলামেলা পোশাক পরলে মারাত্মক সমস্যায় পড়ার আশঙ্কা আছে। নারীদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মসজিদসহ নানা ধর্মীয় স্থান ভ্রমণ করা যায়। তবে নিয়ম-কানুন আগেই জেনে নিতে হবে। ফ্রান্সে কথা হবে আস্তে : ফরাসিরা পাবলিক প্লেসে খুব নিচু স্বরে বা আস্তে কথা বলে। কেউ যদি সেখানে জোরে কথা বলে, তা হলে তাতে তারা খুবই বিরক্ত হয়। এমনকি মোবাইল ফোনেও কথা বলার সময় সতর্ক থাকতে হয়। ফ্রান্সে কোনো অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেলে টেবিলের পানীয় নিজে ঢেলে খাওয়া যাবে না। চীনে কারো দিকে আঙুল তোলা মানা : চীনের মানুষ কয়েকটি বিষয় মেনে চলে এবং অন্যদের কাছ থেকেও সেগুলো আশা করে। যেমন- চীনে কারো দিকে আঙুল তোলা অত্যন্ত গুরুতর বিষয় বলে ধরা হয়। তাই এ কাজটি করা যাবে না। এ ছাড়া শব্দ করে কিছু খাওয়া, অপরিচিত কাউকে ব্যক্তিগত প্রশ্ন করা থেকে সতর্ক থাকতে হবে। চীনে কেউ রেস্তোরাঁয় খাওয়ালে বিল দেওয়ার চেষ্টা করা যাবে না। যিনি আয়োজক বা বয়স্ক, তিনিই বিল দেবেন। জাপানে টিপস নয় : জাপানে কারো ব্যক্তিগত বাড়িতে বা মন্দিরে প্রবেশের আগে অবশ্যই জুতা খুলে নিতে হবে। এ ছাড়া রেস্তোরাঁয় গিয়ে টিপস দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। এতে বরং ওয়েটাররা বিব্রত হন। বাস বা ট্রেনে যাতায়াতের সময় মোবাইল ফোনে কথা না বলাই ভালো।   রাশিয়ায় হাসি নয় : আমেরিকা ও ইউরোপের নানা দেশে অপরিচিত মানুষের সঙ্গে দেখা হলে একটু হাসি বিনিময় করা প্রচলিত বিষয়। কিন্তু রাশিয়ায় এ কাজটি না করাই ভালো। রাশিয়ায় বিনা কারণে হাসলে তা বোকামি বা সন্দেহজনক কিছু বলেই ধরা হয়। নরওয়েতে গাড়ির হর্ন নয় : ইউরোপের বিভিন্ন দেশে গাড়ির হর্ন ব্যবহার না করার বিষয়টি বেশ প্রচলিত। তবে নরওয়ের লোকজন এ বিষয়টি সবচেয়ে বেশি মেনে চলে। গাড়িতে হর্ন থাকলেও তা তারা কোনোভাবেই বাজায় না।