শনিবার-৪ঠা এপ্রিল, ২০২০ ইং-২১শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ৯:০৪, English Version
করোনায় চীনে মারা গেছে ৫০ হাজার মানুষ: ওয়াশিংটন পোস্ট যাত্রীবাহী লঞ্চে হচ্ছে আইসোলেশন সেন্টার করোনা প্রতিরোধে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে ছড়াতে পারে করোনাভাইরাস করোনাভাইরাস : কাদের মাস্ক ব্যবহার করতে হবে আর কাদের নয় চাঁপাইনবাবগঞ্জে গরীব দুঃখি মানুষের মাঝে আর্থিক সহায়তা করলেন এমপি জেসী করোনা মোকাবেলায় কাল কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী

মন্ত্রিসভায় জাতীয় ওষুধ নীতি ২০১৬-এর খসড়া অনুমোদন

প্রকাশ: সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৬ , ১২:৩২ অপরাহ্ণ , বিভাগ : জাতীয়,

file-2মুক্তিনিউজ24.কম ডেস্ক: ঔষধ শিল্পের প্রসার ও নিয়ন্ত্রণে নতুন জাতীয় ঔষধ নীতি অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আজ সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে ‘জাতীয় ঔষধ নীতি, ২০১৬’ এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম প্রেস ব্রিফিংয়ে এ অনুমোদনের কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের ঔষধ এখন ১২২টি দেশে যাচ্ছে। এজন্য এখন ঔষধের মান নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। দেশিয় কোম্পানি বিদেশি ঔষধ নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে গুড ম্যানুফ্যাকচারিং প্রাকটিস (জিএমপি) এর সনদ পেয়েছে। স্কয়ার, ইনসেপটা, বেক্সিমকোসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ডব্লিউএইচও’র (বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা) সনদ পেয়েছে।’

২০০৫ সালে সর্বশেষ জাতীয় ঔষধ নীতি প্রণয়ন করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এরমধ্যে ১১ বছর পার হয়ে গেছে। এ দীর্ঘ সময়ের মধ্যে অনেক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। এজন্য নতুনভাবে ঔষধ নীতি প্রণয়ন করা হয়েছে।’

ঔষধ শিল্পের প্রসারে সহায়ক ভূমিকার সঙ্গে সঙ্গে এ নীতির মাধ্যমে এ শিল্পকে নিয়ন্ত্রণও করা হবে বলে জানান শফিউল আলম। তিনি বলেন, ‘ডব্লিউএইচও, আমেরিকার ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, যুক্তরাজ্যের যে ঔষধ নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান এদের যে চাহিদা আছে সেগুলো আমাদের নীতিমালায় সন্নিবেশ করা হয়েছে।’

বিদ্যমান আইন এবং বিধিমালার প্রয়োগ ও সংশোধন এ নীতির আওতায় করা হবে জানিয়ে শফিউল আলম বলেন, ‘কার্যকর, নিরাপদ ও মানসম্পন্ন ঔষধের সহজলভ্যতার বিষয়ে নীতিমালায় বলা হয়েছে। ঔষধের যৌক্তিক ও নিরাপদ ব্যবহার, ঔষধের নিবন্ধন, ঔষধের কাঁচামাল উৎপাদন, জাতীয় ঔষধ নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ (এনআরএ), ঔষধের বিজ্ঞাপন ও প্রচার নিয়ন্ত্রণ, স্বচ্ছ ও যৌক্তিকভাবে ঔষুধের মূল্য নির্ধারণ, দেশে নতুন প্রযুক্তি ও কারিগরি জ্ঞান স্থানান্তর, ঔষধ গবেষণা ও উন্নয়নে সমন্বিত যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে নীতিমালায়।’

শফিউল আলম বলেন, ‘নকল, ভেজাল ও নিম্নমানের প্রস্তুত বিক্রয় ও বিতরণ রোধের বিষয়ে নীতিমালায় বিভিন্ন ব্যবস্থাপনার কথা বলা হয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ ফার্মেসিতে মজুদ, প্রদর্শন, ঔষধের মোড়ক বা ধারকের উপর নির্দেশিত মেয়াদ পরিবর্তন বা অস্পষ্ট করে বিক্রয় শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য হবে। এ বিষয়ে শাস্তি বিধান করবে আইন।’

মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক প্রণীত নীতিমালা অনুযায়ী প্রতি বছর অন্তত একবার ঔষধের মূল্য তালিকা হালনাগাদ করা হবে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘নীতিমালা অনুযায়ী, জনগণের অবগতির জন্য সব ঔষধের খুচরা মূল্য ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর প্রকাশ করবে। কেউ ঔষধের অতিরিক্ত মূল্য গ্রহণ করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আপনার মতামত লিখুন

জাতীয় বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ