রবিবার-২৯শে মার্চ, ২০২০ ইং-১৫ই চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: বিকাল ৫:১০, English Version
উমাদিনী ত্রিপুরার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক ডোমার পৌর শহরে চলছে জীবাণু নাশক ছিটানো কার্যক্রম। লালপুরে দুস্থদের মাঝে নিজ উদ্যোগে খাবার সামগ্রী বিতরণ পার্বতীপুরে করোনা ঠেকাতে আদা, লং, কালিজিরার চা খাওয়ার গুজব! চাঁপাইনবাবগঞ্জে খেটে খাওয়া গরীব দুঃখি মানুষের মাঝে চাল বিতরণ শুরু ‘করোনা চিকিৎসায় ২৫০ ভেন্টিলেটর প্রস্তুত’ সংবাদপত্র সংক্রান্ত সকল ধরনের কাজ পরিচালনায় কোনো বাধা নেই

বিয়েতে সাত পাকে ঘোরার মাহাত্ম্য

প্রকাশ: সোমবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২০ , ৩:০২ অপরাহ্ণ , বিভাগ : লাইফস্টাইল,
বিয়েতে সাত পাকে ঘোরার মাহাত্ম্য
বিয়েতে সাত পাকে ঘোরার মাহাত্ম্য
বিয়েতে সাত পাকে ঘোরার মাহাত্ম্য

এমএন২৪.কম ডেস্ক : শুরু হয়ে গিয়েছে বিয়ের সিজন। আর বিয়ে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে কে না ভালোবাসে। তা সে রেজিস্ট্রি ম্যারেজই হোক বা আচার-অনুষ্ঠান মেনে ঘটা করে সাত পাকে ঘুরেই হোক। হিন্দুদের বিয়ে মানে অনেক রীতি। আইবুড়ো ভাত থেকে শুরু করে ফুলশয্যা। আর তার মাঝেই রয়েছে বহু নিয়ম-রীতি। আসলে বিয়ে মানে যেমন দুটি মনের মিলন, তেমনই দুটি পরিবারের মেলবন্ধনও বটে। তাই আজকাল অনেকেই রীতি মোতাবেক বিয়েকে বাদ দিয়ে কেবল রেজিস্ট্রি ম্যারেজের দিকে ঝুঁকলেও পরে দুই পরিবারের আশা-আকাক্সক্ষার কথা ভেবে বা বলা ভাল চাপে ছাদনাতলায় যেতে রাজি হয়ে যান। বিয়ের এই রীতিগুলিরে মধ্যে অন্যতম হল অগ্নিসাক্ষী করে সাত পাকে ঘোরা। কিন্তু এই প্রতিটি পাকের গুরুত্ব কী? আসুন জানা যাক।

প্রথম পাক : পাত্র ও পাত্রী দুজনেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন। পাত্র যেমন তার সন্তান ও স্ত্রীর সমস্ত দায়িত্বের প্রতিজ্ঞা নেন, তেমনই পাত্রী দায়িত্ব নেন তার পরিবারকে ভালো রাখার। এ ছাড়া তিনি নতুন সংসারের সব দায়িত্ব নেওয়ার জন্যও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন।

দ্বিতীয় পাক : পাত্র প্রতিজ্ঞা করেন একসঙ্গে তারা পরিবারের সদস্যদের রক্ষা করবে। পাত্রী প্রতিজ্ঞা করেন সুখ-দুঃখে সবসময় স্বামীর পাশে থাকার। পরিবর্তে থাকবে স্বামীর থেকে সারাটা জীবন আন্তরিকভাবে ভালোবাসার দাবি।

৩. তৃতীয় পাক : এই পাকে পাত্র ভবিষ্যতের সন্তান-সন্ততিদের দীর্ঘজীবনের উদ্দেশ্যে প্রার্থনা করেন। পাশাপাশি সমৃদ্ধশালী হয়ে ওঠার আশাও রাখেন। অন্যদিকে পাত্রী প্রতিজ্ঞা করে বলেন, যে আমার কাছে স্বামীই সব। তাঁকেই সারাজীবন ভালোবাসবো।

৪. চতুর্থ পাক : একে অপরকে সারাজীবন আনন্দে ভরিয়ে রাখার প্রতিজ্ঞা নেয় পাত্র-পাত্রী। পাশাপাশি সারাজীবন একে অপরকে সব দিক থেকে পরিপূর্ণতা দেওয়া ও একে ওপরের পাশে থাকার প্রতিজ্ঞাও করে।

৫. পঞ্চম পাক : দুজনেই দুজনকে অপার ভালোবাসা দেওয়ার প্রতিজ্ঞা নেন। যাতে তারা সারাজীবন দুজনের সন্মান বজায় রাখতে পারেন

৬. ষষ্ঠ পাক : দুজনে দুজনের পাশে থেকে ভালোবাসা ভাগ করে নেওয়ার অঙ্গিকার জানায়। তারা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন যে, কেউ কাউকে ছেড়ে কখনোই যাবেন না। একসাথে সারা জীবন সুখে-দুঃখে কাটিয়ে দেবেন।

৭. সপ্তম পাক : এই পাকে তারা নিজেদের স্বামী-স্ত্রী হিসেবে স্বীকার করে নেন। তারা প্রতিজ্ঞা করেন এখন থেকে আমরা একই সুত্রে বাঁধা। আমাদের একে অপরের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। আমরা একে অপরকে সম্মান করব। আর নিজেদের সম্পর্কটাকে সততা, দায়িত্ব ও বিশ্বাস দিয়ে পরিপূর্ণ রাখব।

আপনার মতামত লিখুন

লাইফস্টাইল বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ


বিশ্বের নানা দেশ ভ্রমণের আগে সেসব দেশের আচার-আচরণ কিছুটা হলেও জেনে নেওয়া উচিত। অন্যথায় বিরূপ পরিস্থিতিতে পড়ার আশঙ্কা থাকে। মুসলিম দেশে পোশাক সাবধান : বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিমপ্রধান দেশে খোলামেলা পোশাক পরলে মারাত্মক সমস্যায় পড়ার আশঙ্কা আছে। নারীদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মসজিদসহ নানা ধর্মীয় স্থান ভ্রমণ করা যায়। তবে নিয়ম-কানুন আগেই জেনে নিতে হবে। ফ্রান্সে কথা হবে আস্তে : ফরাসিরা পাবলিক প্লেসে খুব নিচু স্বরে বা আস্তে কথা বলে। কেউ যদি সেখানে জোরে কথা বলে, তা হলে তাতে তারা খুবই বিরক্ত হয়। এমনকি মোবাইল ফোনেও কথা বলার সময় সতর্ক থাকতে হয়। ফ্রান্সে কোনো অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেলে টেবিলের পানীয় নিজে ঢেলে খাওয়া যাবে না। চীনে কারো দিকে আঙুল তোলা মানা : চীনের মানুষ কয়েকটি বিষয় মেনে চলে এবং অন্যদের কাছ থেকেও সেগুলো আশা করে। যেমন- চীনে কারো দিকে আঙুল তোলা অত্যন্ত গুরুতর বিষয় বলে ধরা হয়। তাই এ কাজটি করা যাবে না। এ ছাড়া শব্দ করে কিছু খাওয়া, অপরিচিত কাউকে ব্যক্তিগত প্রশ্ন করা থেকে সতর্ক থাকতে হবে। চীনে কেউ রেস্তোরাঁয় খাওয়ালে বিল দেওয়ার চেষ্টা করা যাবে না। যিনি আয়োজক বা বয়স্ক, তিনিই বিল দেবেন। জাপানে টিপস নয় : জাপানে কারো ব্যক্তিগত বাড়িতে বা মন্দিরে প্রবেশের আগে অবশ্যই জুতা খুলে নিতে হবে। এ ছাড়া রেস্তোরাঁয় গিয়ে টিপস দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। এতে বরং ওয়েটাররা বিব্রত হন। বাস বা ট্রেনে যাতায়াতের সময় মোবাইল ফোনে কথা না বলাই ভালো।   রাশিয়ায় হাসি নয় : আমেরিকা ও ইউরোপের নানা দেশে অপরিচিত মানুষের সঙ্গে দেখা হলে একটু হাসি বিনিময় করা প্রচলিত বিষয়। কিন্তু রাশিয়ায় এ কাজটি না করাই ভালো। রাশিয়ায় বিনা কারণে হাসলে তা বোকামি বা সন্দেহজনক কিছু বলেই ধরা হয়। নরওয়েতে গাড়ির হর্ন নয় : ইউরোপের বিভিন্ন দেশে গাড়ির হর্ন ব্যবহার না করার বিষয়টি বেশ প্রচলিত। তবে নরওয়ের লোকজন এ বিষয়টি সবচেয়ে বেশি মেনে চলে। গাড়িতে হর্ন থাকলেও তা তারা কোনোভাবেই বাজায় না।