শনিবার-১৮ই জানুয়ারি, ২০২০ ইং-৫ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: দুপুর ২:২৯, English Version
আশাশুনিতে খাদ্যগুদামে চাল সংগ্রহের কার্যক্রম উদ্বোধন বেড়েছে ডিমের দাম, সবজিতে স্বস্তি আবারও কমবে তাপমাত্রা ভোলায় আগুনে পুড়ল ২২ দোকান নবীনদের অপেক্ষায় ঢাকা কলেজ বঙ্গবন্ধু বিপিএলে মুশফিকের ‘অভাবনীয়’ রেকর্ড নন্দীগ্রামে ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে শিশু উদ্ধার

জবির আধুনিক ক্যাফেটেরিয়ায় এখন সাবেক শিক্ষার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্র

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২০ , ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ : শিক্ষা,সারাদেশ,

এমএন২৪.কম ডেস্ক : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ার আধুনিকীকরণ হয়েছে। ২০১৯ সালের ২৮ জুলাই এর উদ্বোধন করেন জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান। এতে পাল্টে যায় ক্যান্টিনের পুরনো চেহারা।  আগামী ১১ জানুয়ারি জবির প্রথম সমাবর্তনের উপহার সামগ্রী সংগ্রহের জন্য সাবেক শিক্ষার্থীদের পদচারণে মুখরিত জবি ক্যাম্পাস।

উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীদের কাছে যখন জানতে চাই কেমন পার্থক্য অনুভব হচ্ছে আপনাদের আগের ক্যাম্পাস ও বর্তমান ক্যাম্পাস? তখন ৩য় ব্যাচের শিক্ষার্থী ইমরান বলেন, বর্ণিল সাজে পুরো ক্যাম্পাসই পরিবর্তন মনে হচ্ছে, তবে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে জবির কেন্দ্রীয় ক্যান্টিন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের হল না থাকায়, প্রয়োজনের তাগিদেই জবির একমাত্র ক্যান্টিন প্রত্যেকটি ছাত্রছাত্রীর খুব পরিচিত। আজ খাবারের জন্য ক্যান্টিনে প্রবেশের পরই নিজের মধ্যে অন্য রকম একটা অনুভূতি সৃষ্টি হলো।  সরেজমিনে ক্যান্টিন পরিদর্শন করে দেখা যায়, সেখানে গাউন পড়া সাবেক শিক্ষার্থী ও নবীণ শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভীড়। খাবার সংগ্রহ করতে আসা ৭ম ব্যাচের সামিউল বলেন, আমাদের সময়ের ক্যান্টিন এবং এখনকার ক্যান্টিন অনেক পরিবর্তন।  ক্যাফেটেরিয়ার ভেতরে নতুন করে পরিষ্কার করা হয়েছে। দেওয়ালে চড়েছে নতুন রঙ। দেয়ালে নতুন টাইলস লাগানো হয়ে গেছে। ক্যাফেটেরিয়ায় বসানো হয়েছে বিশুদ্ধ পানির লাইন। এছাড়াও ক্যাফেটেরিয়ার ওপর বাড়তি চাপ কমাতে ক্যাফেটেরিয়ার বাহিরে বিশুদ্ধ খাবার পানির বেশ কয়েকটি বেসিন লাগানো হয়েছে। ক্যান্টিনের দায়িত্বে থাকা মাসুদুর রহমান বলেন, আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর আমার সাধ্যমত চেষ্টা করে যাচ্ছি ছাত্রছাত্রীদের জন্য ভালো সেবা দেওয়ার এবং মানসম্মত খাবার সরবরাহ করার জন্য। আপনারা ক্যান্টিনের বাহ্যিক দিক যেমন পরিবর্তন দেখছেন, অভ্যন্তরীণ খাবারের মানের  তেমন পরিবর্তন হয়েছে। এখন সকালে দুই তিন রকমের নাস্তা, দুপুরে মাছ, মাংস, ডাল, ভর্তা, সবজি, খিচুড়িসহ রাতেও থাকে বাহারী নাস্তার ব্যবস্থা। বিশেষ করে দুপুরের ভর্তাগুলো ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে শিক্ষার্থীদের মাঝে। আলুর ভর্তা, টমেটোর ভর্তা, শিমের ভর্তা, বেগুনের ভর্তা ইত্যাদি নিয়মিত পাওয়া যাচ্ছে এখন ক্যান্টিনে। আমি আমার সাধ্যমত চেষ্টা করি যাদের খুব সমস্যা তাদের তাদেরকে আমার জায়গা থেকে সহযোগী করার জন্য। ভবিষ্যতে এইভাবেই চলতে চাই আপনাদের সাথে, শুধু একটাই অনুরোধ কেউ যেন অযথা ফাও খেতে না আসে এবং কোন ভাইয়ের নাম ভাঙ্গিয়ে খেতে না আসে। বিকেলের আলুর দম, লুচি যথেষ্ট সুস্বাদু এবং জনমনে জায়গা করে নিয়েছে। ইনশাআল্লাহ খুব দ্রুতই আরও উন্নত খাবারের ব্যবস্থা করা হবে এবং খাবারের আইটেম বাড়ানো হবে। জবি উপাচার্য ক্যাফেটেরিয়া সম্পর্কে বলেন, আমাদের ক্যাফেটেরিয়া এখন ডে-নাইট ক্যাফেটেরিয়ার। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করার সাথে সাথে সবাই বুঝবেন এখানে একটা বিশেষ ক্যাফেটেরিয়ার আছে। আমাদের এই ক্যাফেটেরিয়া হবে একটা অত্যাধুনিক ক্যাফেটেরিয়া।

আপনার মতামত লিখুন

শিক্ষা,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ