সোমবার-৩০শে মার্চ, ২০২০ ইং-১৬ই চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: ভোর ৫:৫৬, English Version
উমাদিনী ত্রিপুরার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক ডোমার পৌর শহরে চলছে জীবাণু নাশক ছিটানো কার্যক্রম। লালপুরে দুস্থদের মাঝে নিজ উদ্যোগে খাবার সামগ্রী বিতরণ পার্বতীপুরে করোনা ঠেকাতে আদা, লং, কালিজিরার চা খাওয়ার গুজব! চাঁপাইনবাবগঞ্জে খেটে খাওয়া গরীব দুঃখি মানুষের মাঝে চাল বিতরণ শুরু ‘করোনা চিকিৎসায় ২৫০ ভেন্টিলেটর প্রস্তুত’ সংবাদপত্র সংক্রান্ত সকল ধরনের কাজ পরিচালনায় কোনো বাধা নেই

জলঢাকায় তীব্র শীতে কাহিল জনজীবন

প্রকাশ: শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২:০৬ অপরাহ্ণ , বিভাগ : রংপুর,সারাদেশ,

এরশাদ আলম,জলঢাকা(নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ

নীলফামারীর জলঢাকায় তাম মাত্রা কমে যাওয়ায় টানা তিন দিন ধরে দেখাযায়নি সূর্যের মূখ। গুড়ি, গুড়ি বৃষ্টির সাথে শীতের হিমেল হাওয়ায় জবু থবু হয়ে পড়ছে সাধারণ মানুষ। ঘরথেকে বের হতে পারছেনা যারা দিন আনে দিন খায়।বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে অবাল, বৃদ্ধ, বনিতা। কাহিল হয়ে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ জন।নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেকে বলেন, হিমালয় সংলগ্ন জেলা নীলফামারী হওয়ায় এ অঞ্চলে শীতের তীব্রতা একটু বেশি।প্রয়োজন অনেক শীত বস্ত্রের। গেল কয়েক বছর আগে বিভিন্ন বৈদেশিক শীত বস্ত্র পেত এ অঞ্চলের মানুষ। এমন কি বিভিন্ন দেশিয় ব্যাংক বীমা সাহায্যের হাত প্রসারিত করতো এখন আর তা মিলছেনা।সে কারনেই এ অঞ্চলের অভাবি মানুষ সরকারী শীত বস্ত্র ছাড়া আর কিছুই পান না।তবে যা প্রয়োজন তা খুবেই অপ্রতুল। তবে এ শীত জনিত রোগে বেশি আক্রান্ত হয় শিশু এবং বৃদ্ধরা।অন্যদিকে,এখন শিশিরসিক্ত দূর্বা ঘাস ও পথঘাট।আর এ শীত নিবারনের জন্য অনেকেই গরম কাপর নিচ্ছে ফুটপাতের দোকান গুলোতে।সাধারণ মানুষ বিভিন্ন ছোটখাটো দোকানগুলোতেও প্রচুর ভীড় জমাচ্ছেন। দিনে কিছুটা শীত কম হলেও রাতে বেশ শীত অনুভুত হয়।এ শীতে ফুটপাতের ছোটখাটো দোকান গুলোতে কেনা ও বেচার ধুম পড়েছে।প্রচলিত রীতি অনুযায়ী কার্তিক মাসে শীতের জন্ম হলেও পৌষে গিয়ে পুরোপুরি শীত পড়ে। পৌষ ও মাঘ মাস শীত মৌসুম হিসেবে বিবেচিত হলেও এলাকার মানুষ শীত মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি হিসেবে লেপ-তোষক তৈরি করছেন অনেকেই আবার এ শীতের হাত থেকে বাচার গরম কাপড় নিচ্ছেন।এবং শীতের গরম পোশাক পড়তে শুরু করেছে অনেকেই। এতেও শীত কমছে না।তাই খড়,কুটো ও গবরের ঘষি কিংবা পুরাতন সাইকেলের টেয়ার জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা চালাচ্ছে।এ দৃশ্য বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে।বিশেষ করে পৌরসভাধীন  বাসষ্ট্যান্ডে শীত নিবারনের চেষ্টা চালাচ্ছে গাড়ির পুরাতন টেয়ার জ্বালিয়ে।যদিও ধোয়াটি স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুকিঁ পূর্ণ তাও মানছে না। এ খানকার মানুষ শীত বস্ত্রের জন্য হা হা কার করছে।জানিনা  কবে তাদের চাহিদা গুলো পূর্ণ করবে সমাজের বৃত্তবান ও স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান সহ উর্ধতনো কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন

রংপুর,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ