শনিবার-১৮ই জানুয়ারি, ২০২০ ইং-৫ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ১২:৩৪, English Version
ফুলবাড়ীতে ১ সপ্তাহের ব্যবধানে ২টি দোকান চুরি ॥ প্রয়াত ডাক্তারদের স্মরনে শুক্রবার সকালে শীত বস্ত্র বিতরন করা হয়েছে সাদুল্যাপুর ইউনিয়ান বিএনপির বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত জলঢাকায় আমন চাল সংগ্রহের উদ্বোধন বড়পুকুরিয়ায় দুই শতাধিক দুস্থ নারী-পুরুষের হাতে শীত বন্ত্র তুলে দিলেন পিডিবি চেয়ারম্যান চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবতলায় ফেনসিডিল সহ- ২জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৫ নশিপুর ঘোষ পাড়া এলাকায় বিরল প্রজাতির দুইটি হনুমান দেখা গেছে।

লালপুরে লাল-সবুজের ফেরিওয়ালা ফরহাদ

প্রকাশ: বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ১১:০৫ অপরাহ্ণ , বিভাগ : রংপুর,সারাদেশ,

মো. আশিকুর রহমান টুটুল, নাটোর প্রতিনিধি
দেশজুড়ে এখন বিজয়ের উল্লাস, মহান বিজয় দিবস উদযাপনের অপোয় জাতি। মুক্তিকামী বাঙালি তাদের বুকের তাজা রক্তের বিনিময় এ মাসেই ছিনিয়ে এনেছিল বিজয়। বিজয়ের এই মাসকে স্মরণ করে দিতে দেশের সকল শ্রেণীপেশার মানুষের হাতে একটি করে লাল-সবুজের পতাকা পৌঁছেদিতে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে হাঁটে চলেছেন লাল-সবুজের ফেরিওয়ালা ফরহাদ। বিজয়ের এই মাসে শহর থেকে গ্রামের প্রতিটি অলিতে-গলিতে, স্কুল ও কলেজের সামনে পতাকা বিক্রি করেন তিনি।
মঙ্গলবার (১০ সিডেম্বর) দুপুরে লালপুর উপজেলার ওয়ালিয়া বাজারে একটি বাঁশের সঙ্গে ছোট-বড় লাল-সবুজের পতাকা বেঁধে বিক্রয় করতে দেখা যায় ফরহাদ নামের ৩৫ বছর বয়সী এক যুবক কে। লাল-সবুজের এই ফেরিওয়ালার কাছ থেকে বিজয় দিবসকে সামনে রেখে পতাকা কিনছেন অনেকেই। ফরহাদ নাটোর জেলার তেবাড়িয়া এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা খোকন খানের ছেলে। বছরের অন্য মাসে সে মৌসুমী ব্যবসায়ী হলেও এ মাসের জন্য লাল-সবুজের ফেরিওয়ালাই তার পরিচয়। ফরহাদের মতো লাল-সবুজের ফেরিওয়ালার পথচলায় বর্ণিল হয়ে ওঠেছে পথ-ঘাট। মাইলের পর মাইল হেঁটে মানুষের হাতে হাতে পৌঁছে দিচ্ছেন একটি জাতীয় পতাকা। এ যেন আত্মার টান। শুধু ডিসেম্বর মাসের শুরু থেকে ১৬ তারিখ পর্যন্ত চলে এই লাল-সবুজের পতাকা বিক্রয়। লাখো শহীদের রক্তের বিনিময় এই বিজয়, ডিসেম্বর এলেই শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শুরু হয় জাতীয় পতাকা বিক্রির ধুম। বিজয় দিবসে দেশের আনাচে-কানাচে সরকারি-বেসরকারি স্থাপনার পাশাপাশি ব্যক্তিগত গাড়িতেও দেখা যাবে বিজয় নিশান ‘বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা’।
এসময় পতাকা বিক্রেতা ফরহাদ বলেন,‘আমি শুধু লাভের জন্য নয়, দেশ প্রেম থেকেই পতাকা বিক্রয় করি। আমার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা তাই বিজয়ের পতাকা ফেরি করে বিক্রি করতে আমার গর্ববোধও হয়। ডিসেম্বর মাস আসলেই আমি অন্য কাজ ছেড়ে দিয়ে ঢাকা থেকে বিভিন্ন মাপের পতাকা কিনে এনে আমার নিজ জেলা নাটোরের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রয় করি।’
তিনি আরো বলেন,‘একেবারে ছোট পতাকা ১০ টাকা থেকে শুরু হয়ে মাপ অনুযায়ী ৩০, ৫০, ১০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হয়। ডিসেম্বরের ১৬ তারিখ পর্যন্ত পতাকা বিক্রয় করে আমার ১০-১৫ হাজার টাকা আয় হয়। সকল মানুষের হাতে একটি করে লাল-সবুজের পতাকা দিতে পারলে তার স্বার্থকতা আসবে বলেও তিনি জানান।’
বিজয়ের পুরো মাস জুড়ে বাংলার আকাশে উড়বে লাল-সবুজের পতাকা। সেই চাহিদা মেটাতে বিভিন্ন সাইজের পতাকার পসরা সাজিয়ে পথে পথে ঘুরছেন ফরহাদের মতো লাল-সবুজের ফেরিওয়ালার।

আপনার মতামত লিখুন

রংপুর,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ