শুক্রবার-৩রা এপ্রিল, ২০২০ ইং-২০শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: বিকাল ৫:৪৩, English Version
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নয়াগোলা মোড়ে যানবাহন ও জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে পুলিশের বিশেষ অভিযান। আটকেপড়া বাংলাদেশিদের সহায়তায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৃক্ষছায়া সংগঠনের উদ্যোগে পার্বতীপুরে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কমছে না চালের দাম অসহায়দের পাশে ক্রিকেটার এনামুল হক বিজয় ২৪ ঘন্টায় ফ্রান্সে মৃত্যুর রেকর্ড সাঘাটায় দুর্বৃত্তের হামলায় কৃষক নিহত,আটক ২

জেলার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মেসবাহুল শাকের জ্যোতিকে চায় সকল স্তরের নেতাকর্মী

প্রকাশ: সোমবার, ১১ নভেম্বর, ২০১৯ , ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ : ঢাকা,সারাদেশ,
নয়ন ঘোষ : জনাব মেসবাহুল শাকের জ্যোতি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী।আসন্ন সম্মেলন কে ঘিরে এই পর্যন্ত যে সকল নেতাদের নাম শুনা যাচ্ছে তার মধ্যে মেসবাহুল শাকের জ্যোতি এগিয়ে রয়েছেন বলে আমাদের ধারণা। আমরা বিভিন্ন মহল ও তৃনমুল পর্যায়ের নেতা কর্মীদের সাথে কথা বলি তারা বর্তমান আওয়ামী লীগের সংগঠনের খারাপ অবস্থার জন্য বর্তমান শীর্ষ নেতৃত্বকে দায় করেন ও নতুন নেতৃত্ব আশা করছেন, তাতে মেসবাহুল শাকের জ্যোতিকে এগিয়ে রাখছেন তারা। এছাড়া মেসবাহুল শাকের জ্যোতির সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আপনি জানেন চাঁপাইনবাবগঞ্জে আওয়ামী লীগ এর অবস্থান ভাল না,আমি ছোট থেকেই রাজনীতির সাথে জড়িত, স্বৈরাচার ও সাম্প্রদায়িক শক্তি বিরোধী আন্দোলনে শারীরিক ভাবে নির্যাতিত হই,কয়েক দফায় কারাবরণ করি, নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাম্প্রদায়িক বিরোধী প্যানেলের নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোটে একমাত্র নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধি ছিলাম ,নবাবগঞ্জ কলেজ অনার্স কোর্স খোলা হোস্টেল সমস্যা সহ অন্যান্য দাবি নিয়ে আন্দোলন সংগঠিত করি,এছাড়াও চাঁপাইনবাবগঞ্জকে জেলায় রুপান্তরের দাবিতে এবং ধানী জমিতে ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জ করার প্রতিবাদে আন্দোলন সংগঠিত করি। সদর থানা যুবলীগের আহ্বায়ক,জেলা সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এর দ্বায়িত্ব পালন করি। আমার আব্বা বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহচর হিসেবে আওয়ামী লীগের সাথে জরিত ছিলেন, তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা, ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া সকল গনতান্ত্রিক আন্দোলনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নেতৃত্বদান করেন, তিনি সংসদ সদস্য ও পরবর্তীতে জেলা গভর্নর নির্বাচিত হন।সুদীর্ঘ ৫দশক চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দেন। সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার বড় বোনকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচন করেন। আমি এইসব কারণে নিজেকে সাধারন সম্পাদক পদে সকলের চাইতে যোগ্য বলে মনে করি, তাছাড়া আমি ছাত্র রাজনীতি,যুব রাজনীতি,বর্তমানে সাংসদ বোনের সাথে সহযোগী হিসেবে সার্বিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে জেলাবাসীর সেবা করে চলেছি ও জেলা আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ডে প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখছি। এছাড়াও আমরা উনার শিক্ষাগত যোগ্যতা জানতে চাইলে তিনি জানান ১৯৮২ সালে ১ম বিভাগ নিয়ে এস.এস.সি,১৯৮৫ সালে ১ম বিভাগে এইচএসসি,১৯৮৭-৮৮ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় হতে দ্বিতীয় বিভাগে বি.কম পাশ করেন ১৯৯২-৯৩ সালে Baton Rouge Vo-Tech,Baton Rouge,USA হতে অটোমটিভ টেকনোলজি কোর্স কমপ্লিট করেন।তিনি বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় সমান পারদর্শী। সবদিক দিয়ে সাম্ভাব্য সকল প্রার্থীদের মধ্যে তিনি এগিয়ে বলে আমাদের ধারণা,এখন দেখার বিষয় জেলার কাউন্সিলারবৃন্দ কি সিদ্ধান্ত নেন তাদের পরবর্তী নেতা নির্বাচনে? আর তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে সামনে ৩ রা ডিসেম্বর পর্যন্ত।
আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ