রবিবার-২৬শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং-১৩ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ৮:১৬, English Version
লাভজনক প্রকল্পে নতুন ঠিকাদার নিয়োগে চলছে তেলেসমাতি কারবার সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা : বিশ্ববিদ্যালয় ও বিষয় প্রাপ্তিতে মেধাই ভিত্তি এমবিএসকে’র বিজ্ঞান-কৃষি ও প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনী মেলার স্টল পরিদর্শন ॥ কুষ্ঠ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও সমাজে স্বাভাবিকভাবে জীবন যাপন করতে পারে॥ – সিভিল সার্জন ডাঃ আব্দুস কুদ্দুছ হিলিতে এস,এস,সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও নবীন বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত আমাদের কোনও ধর্ম নেই, থাকাও উচিৎ নয়: শাহরুখ খান বিজয়ী হতে পারবে না বলেই বিএনপি নালিশ করছে: কাদের

মেঘালয়ের বিনিয়োগ প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশ: শুক্রবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৯ , ১২:৪৭ অপরাহ্ণ , বিভাগ : জাতীয়,সারাদেশ,

এমএন২৪.কম ডেস্ক:  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পারস্পরিক সুবিধার্থে বাংলাদেশে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের বিনিয়োগ প্রত্যাশা করেছেন। বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) গণভবনে মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনার্ড সাংমা সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

গণভবনে বৈঠকের পর বিকালে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে বলেন, মেঘালয়ের উদ্যোক্তারা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে পারেন, বিশেষ করে পার্শ্ববর্তী সিলেট অঞ্চলে। যেহেতু সুনামগঞ্জে একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, সুনামগঞ্জে প্রায় দুই হাজার একর জমির ওপর বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মেঘালয় থেকে নুড়ি পাথর আমদানি করতে বাংলাদেশ নৌ-পথকে ব্যবহার করতে পারে যেহেতু নদী পথ ব্যবহার ব্যয় সাশ্রয়ী হয়। এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদীর নাব্যতাকে আরও বাড়াতে এবং নৌযান চলাচল সহজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর দুই দেশের মধ্যে বন্ধ হয়ে যাওয়া সড়ক এবং রেলপথগুলোকে পুনরায় চালু করা হয়েছে। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে দুই প্রতিবেশীর মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি যোগাযোগ শক্তিশালী হবে। কনার্ড সাংমা বলেন, মেঘালয় বাংলাদেশের উন্নয়নের মহান অংশীদার হতে পারে, যেহেতু এই উত্তর ভারতীয় রাজ্যটির পর্যাপ্ত কাঁচামাল রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে- চুনাপাথর, সিমেন্ট ক্লিংকার, কয়লা ও নুড়ি। তিনি বাংলাদেশ ও মেঘালয়ের মধ্যে কৃষি, জ্বালানি ও সংস্কৃতির বিষয়ে সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ এবং এই উত্তর ভারতীয় রাজ্যটির মধ্যে সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে চান। সাংমা বলেন, ‘সহযোগিতার জন্য আমাদের দরজা খোলা রয়েছে।’ তিনি বলেন, মেঘালয় তার পণ্য আনা নেওয়ার জন্য চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ব্যবহার করতে চায়। বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী সাংমা ৬ সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। দলের অন্য সদস্যরা হচ্ছেন- মেঘালয়ের বাণিজ্য এবং শিল্পমন্ত্রী স্নিয়াওভালং ধর, শিক্ষামন্ত্রী ল্যাকমেন রিমবুই এবং কৃষিমন্ত্রী বেনটিওডর লিংদো, বাংলাদেশের ভারতের হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলী দাস এবং মেঘালয়ের বিদ্যুৎ এবং কৃষি বিভাগ বিষয়ক মুখ্য সচিব পি শাকিল আহমেদ। প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

জাতীয়,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ