রবিবার-১৭ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং-২রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: সকাল ৬:৪২, English Version
সংযুক্ত আরব আমিরাত গেলেন প্রধানমন্ত্রী সৈয়দপুরে ডিবি ও এনএসআই পরিচয়ে মোটর সাইকেল চেকিং এর নামে চাঁদাবাজির সময় আটক-২ সৈয়দপুরে বাংলাদেশ পৌরসভা ডিপ্লোমা প্রকৌশলী রংপুর বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ থাকলেও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অস্বাভাবিকহারে পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে লালপুরে রোপা আমনের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দাম নিয়ে হতাশা! সৈয়দপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যু তরুণ প্রজন্মকে আগ্রহী করে তুলতে হবে ……মারুফ মন্ডল

জেলহত্যা দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী

প্রকাশ: রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০১৯ , ১০:০১ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ : জাতীয়,ঢাকা,সারাদেশ,

এমএন২৪.কম ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :   “আজ ৩রা নভেম্বর, জেলহত্যা দিবস। জাতীয় জীবনে এক শোকাবহ দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী ও এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান বন্দি অবস্থায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতকচক্রের হাতে নির্মমভাবে শাহাদত বরণ করেন। আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে তাঁদের স্মরণ করছি।   আমাদের স্বাধীনতা একদিনে আসেনি। বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা স্বাধীনতার মহান স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দু’দশকের অধিককাল ধরে জাতিকে বাঙালি জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ করে নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তাঁর আহ্বানে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান কারাগারে বন্দি থাকাবস্থায় তাঁর অবর্তমানে ১৯৭১ সালে জাতীয় চার নেতা মুজিবনগর সরকার গঠন, রণনীতি ও রণকৌশল প্রণয়ন, প্রশাসনিক কর্মকা- ও মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা, কূটনৈতিক তৎপরতা, শরণার্থীদের তদারকিসহ মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধে পরিণত করতে অসামান্য অবদান রাখেন। জাতি তাঁদের অবদান চিরদিন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।

 

স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে বিপন্ন করার পাশাপাশি জাতিকে নেতৃত্বহীন করার লক্ষ্যে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ধারাবাহিকতায় ১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর স্বাধীনতাবিরোধী চক্র কারাবন্দি অবস্থায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করে। ঘাতকচক্রের উদ্দেশ্য ছিল দেশে অগণতান্ত্রিক স্বৈরশাসনের উত্থানের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের চেতনা থেকে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে মুছে ফেলা। কিন্তু ঘাতকচক্রের সেই উদ্দেশ্য সফল হয়নি। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর আদর্শ চির অমøান থাকবে। বঙ্গবন্ধু সুখী-সমৃদ্ধ ‘সোনার বাংলা’ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তাঁর অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়নে সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখবেন-এটাই হোক জেলহত্যা দিবসে আমাদের অঙ্গীকার।

 

আমি জাতীয় চার নেতার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।

 

খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।” সূত্র-পিআইডি

আপনার মতামত লিখুন

জাতীয়,ঢাকা,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ