সোমবার-১৮ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং-৩রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: সকাল ১১:৪৯, English Version
‘ইভটিজিং প্রতিরোধে দলবদ্ধ হয়ে প্রতিবাদ করো’ — বাংলাদেশ ব্যাংকে উদেষ্টা সিতাংশু কুমার সুর চৌধুরী জলঢাকায় এ্যাড, মমতাজুল হকের রোগমুক্তি কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবিগঞ্জ বিআরটিএ অফিসে জেলা প্রশাসকের  অভিযান ৩ আটক :: কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ  সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ মিয়ানমারের পেঁয়াজ টিসিবিতে বিক্রি শুরু, কেজি ৪৫ টাকা লালপুরে নিজের পাওয়ার ট্রলির চাপায় চালক নিহত! আরামকোর দাম দেড় লক্ষ কোটি ডলার ছাড়িয়ে

আসছে পেঁয়াজের বড় চালান, কমবে দাম : বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৯ , ১০:০০ অপরাহ্ণ , বিভাগ : অর্থনীতি,

এমএন২৪.কম ডেস্ক: বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নানা উদ্যোগ নিলেও পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা কমছে না। নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্যের দাম একটানা বাড়ছে। সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, দু-একদিনের মধ্যে পেঁয়াজের বড় চালান আসছে, দাম কমবে।

মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পেঁয়াজের সরবরাহ ও দাম স্বাভাবিক রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। বিশেষ করে ভারত পেঁয়াজের ন্যূনতম রপ্তানি মূল্য বাড়ানো ও গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করার পর বিকল্প দেশ থেকে আমদানি বাড়ানোর জন্য ব্যবসায়ীদের উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। এ জন্য কমানো হয়েছে ব্যাংক ঋণের সুদহার ও এলসি মার্জিন। মিয়ানমারের সঙ্গে বর্ডার ট্রেডের মাধ্যমে পেঁয়াজ আমদানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। দ্রুত ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খালাসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে স্থল ও সমুদ্রবন্দরগুলোতে থাকা আমদানি করা পেঁয়াজ। পেঁয়াজ আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের নিয়ে অনেকবার সভা করা হয়েছে, যেখানে আমদানি বাড়ানো এবং নৈতিকতার সঙ্গে ব্যবসা করার অনুরোধ জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী ও সচিব। এরপরও কোনো ব্যবসায়ী অবৈধভাবে পেঁয়াজ মজুদ, কৃত্রিম উপায়ে দাম বাড়ানোর চেষ্টা, স্বাভাবিক সরবরাহে ব্যাঘাত সৃষ্টি করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। মাঠে নেমেছে মনিটরিং টিম। এ ছাড়া টিসিবির মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে। রাজধানীতে ৩৫টি ট্রাকের মাধ্যমে প্রতিকেজি ৪৫ টাকা দরে বিক্রি করছে টিসিবি। সবশেষে সিটি, মেঘনা, এস আলম গ্রুপসহ ভোগ্যপণ্যের বড় ব্যবসায়ীদের পেঁয়াজ আমদানি করে বাজারে সরবরাহের অনুরোধ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বেশ কয়েকটি বড় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মিসর ও তুরস্ক থেকে বেশি পরিমাণে পেঁয়াজ আমদানি করছে। দু-একদিনের মধ্যে এসব পেঁয়াজের বড় ধরনের চালান দেশে পৌঁছাবে। ফলে পেঁয়াজের দাম দ্রুত উলেল্গখযোগ্য হারে কমে আসবে। তাছাড়া, নভেম্বর মাসের তৃতীয় সপ্তাহে নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। ফলে ভোক্তাদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই, বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসবে। গত দেড় মাস ধরে পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল রাখার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নানা উদ্যোগ নিয়েছে। জনগণকে আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছু হচ্ছে না। গতকালও রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে ১২০ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে। দুই দিনের ব্যবধানে কেজিতে ২০ টাকা দাম বেড়েছে। যদিও কোনো বাজারেই পেঁয়াজের সরবরাহে ঘাটতি নেই। বরং বিদেশ থেকে আমদানি করা নতুন জাতের পেঁয়াজ দেখা যাচ্ছে বাজারের দোকানে দোকানে। ট্যারিফ কমিশনও সম্প্রতি এক চিঠিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে যে, উৎপাদন ও আমদানির তথ্য অনুযায়ী চলতি অক্টোবর ও নভেম্বরে দেশে পেঁয়াজের যে চাহিদা, তা মেটানোর মতো যথেষ্ট মজুদ রয়েছে। ফলে বাজার নিয়ন্ত্রণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে আরও শক্ত অবস্থানে যাওয়া উচিত বলে মনে করছেন বিশ্নেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ