রবিবার-১৭ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং-২রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: ভোর ৫:৫৬, English Version
সংযুক্ত আরব আমিরাত গেলেন প্রধানমন্ত্রী সৈয়দপুরে ডিবি ও এনএসআই পরিচয়ে মোটর সাইকেল চেকিং এর নামে চাঁদাবাজির সময় আটক-২ সৈয়দপুরে বাংলাদেশ পৌরসভা ডিপ্লোমা প্রকৌশলী রংপুর বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ থাকলেও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অস্বাভাবিকহারে পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে লালপুরে রোপা আমনের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দাম নিয়ে হতাশা! সৈয়দপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যু তরুণ প্রজন্মকে আগ্রহী করে তুলতে হবে ……মারুফ মন্ডল

পলাশবাড়ীতে ৩ সন্তানের জন্ম

প্রকাশ: শনিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০১৯ , ৬:০৭ অপরাহ্ণ , বিভাগ : রংপুর,সারাদেশ,

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা প্রতিনিধি ঃ গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর ৩ সন্তান জন্ম দিয়ে মা সন্তান উভায়েই সুস্থ্য রয়েছেন। পরপর ১ ছেলে ও ২ কন্যা সন্তান জন্ম দিলেন এক মা।

অভাব অনটনের পরিবারে পরপর ৩ সন্তান জন্মগ্রহণ করায় বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর বাবা একলাছ।

পলাশবাড়ীর ৮নং মনোহরপুর ইউনিয়নের তালুকঘোড়াবান্ধা গ্রামের কানিপাড়ার মোঃ নুরুল ইসলামের ছেলে দিনমজুর মোঃ একলাছ মিয়া প্রায় ১২ বছর আগে একই উপজেলার ৭নং পবনাপুর ইউনিয়নের বরকাতপুর গ্রামের মধ্যপাড়ার মোঃ আজহার আলীর মেয়ে মোছাঃ সাহিদা বেগমকে বিয়ে করে। বিয়ের ৩ বছর পর এ দম্পতীর এক কন্যা সন্তান হয়। একলাছ অভাবের সংসারে দিনমজুরের পাশাপাশি মাঝেমধ্যে ভাড়ার রিক্সা চালিয়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করতো।

১৬ অক্টোবর প্রসব ব্যথা শুরু হলে সাহিদা স্বামীর বাড়িতে স্বাভাবিকভাবে ফুটফুটে এক ছেলে সন্তানের জন্ম দেন।এসময় প্রসূতি অসুস্থ হলে ওইদিনই সাহিদাকে গাইবান্ধা কিনিকে ভর্তি করানো হয়। পরীা নীরিা ও আলট্রাসনো করার পর ডাক্তার সাহিদার গর্ভে আরো দু সন্তান দেখতে পান। পরে ওই রাতেই সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে সাহিদার দু কন্যা সন্তানের জন্ম হয়।

এসময় প্রসূতির অতিরিক্ত রক্তপাত হলে রক্তের প্রয়োজন দেখা দেয়। ২১অক্টোবর রক্ত পরীায় সাহিদার ও- (ও নেগেটিভ) গ্রুপ নির্ণয় করেন গাইবান্ধা কিনিক কর্তৃপ। সাহিদার শরীরে ও- (ও নেগেটিভ) গ্রুপের রক্ত দেয়া হয়।

একই ব্যক্তির, একই কিনিকে একই প্যাথলজিষ্ট মাত্র ২০/২১ দিনের ব্যবধানে দু ধরনের ব্লাডগ্রুপ কেনো তা নিয়ে ভুক্তভোগী ও তার পরিবারসহ সচেতন অভিজ্ঞ মহলে নানা প্রশ্ন দানা বেঁধে উঠেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে, গাইবান্ধা কিনিকের কর্ণধার ডাক্তার মোঃ একরাম হোসেন জানান, রক্তের গ্রুপ কখনো পরিবর্তন হয় না,কিন্তু ওই প্রসূতি (সাহিদা)’র অতিরিক্ত রক্ত ঝড়ে যাওয়ায় রক্তের হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ায় ব্লাড গ্রুপ পরিবর্তে হয়েছে, এতে কোনো সমস্যা নেই।

এছাড়া অর্থাভাবে তাদের চিকিৎসাও করাতে পারছেন না। তাছাড়া প্রতিদিন বাচ্চাদের দুধের পিছনে ৬৫০ টাকা খরচ হচ্ছে যা যোগান দেয়া এ দরিদ্র পিতার সম্ভব হচ্ছে না।

দরিদ্র অসহায় পরিবারটি ও এলাকাবাসী নবজাতকদের বাঁচিয়ে রাখতে, জিও,এনজিও সহ ধনাঢ্য ও হৃদয়বান মানুষের সাহায্য সহযোগিতা কামনা করেছেন।
সাহায্য পাঠাতে অনুরোধ জানানো হচ্ছে-
০১৩০৬-২৫৫৯৭৩ বিকাশ, ৩ নবজাতকের মা সাহিদা বেগম। ছবি ৩

আপনার মতামত লিখুন

রংপুর,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ