সোমবার-১৬ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং-১লা পৌষ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ৩:৩০, English Version
কমলগঞ্জের পথে পথে লাল-সবুজের ফেরিওয়ালারা গাজীপুরে ফ্যান কারখানায় আগুন, ১০ জনের মৃত্যু ফুফুর বাড়ি বেড়াতে এসে সড়কে ঝরল শিশুর প্রাণ নবাবগঞ্জে মহিলা যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সিক্ত হতে প্রস্তুত জাতীয় স্মৃতিসৌধ পার্বতীপুর রেলষ্টেশনে পুলিশের সামনে রেলযাত্রীকে মারধর করছে টিসি ১ম বর্ষ স্নাতক (পাস) ভর্তির ২য় মেধা তালিকা মঙ্গলবার

উচ্ছেদ অভিযান শুরু :: আজ থেকে দখলমুক্ত হচ্ছে পুরাতন খোয়াই নদী

প্রকাশ: সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ১২:১৮ অপরাহ্ণ , বিভাগ : সারাদেশ,সিলেট,

আজিজুল ইসলাম সজীব,হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : পুরাতন খোয়াই নদীর বেহাত হয়ে যাওয়া ভূমি উদ্ধারে জেলা প্রশাসন আজ সোমবার থেকে মাঠে নামছে। প্রেস ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা দিলেন জেলা প্রশাসক মাহমুদুল কবির মুরাদ।

পুরাতন খোয়াই নদীর মাহমুদাবাদ এলাকা থেকে উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হবে। শেষ হবে হরিপুর এলাকায় গিয়ে। ইতিমধ্যে এসএ অনুযায়ী খোয়াই নদীর সীমানা চিহ্নিত করা হয়েছে। যে যে স্থানে স্থাপনা রয়েছে তাদের মালিকদেরকে উচ্ছেদের বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। স্থাপনাগুলোতে লাল চিহ্ন দেয়া হয়েছে।
উচ্ছেদকালে নির্বাহী মেজিস্ট্রেট, সহকারী কমিশনার ভূমি, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, বিদ্যুৎ বিভাগ, টিএন্ডটি ও গ্যাস অফিসের লোকজন উপস্থিত থাকবেন।
নদীর স্থানে সরকারী স্থাপনা গুলো অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক মাহমুদুল কবীর মুরাদ বলেন, নদীর ভূমি সরকারী ৩টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যেহেতু সরকারী প্রতিষ্টান তাই এ গুলোর ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পত্র দেয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের নির্দশনা অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
মসজিদ-মন্দির বা ধর্মীয় প্রতিষ্টান সম্পর্কে তিনি বলেন, কোন কিছুই উচ্ছেদের আওতার বাহিরে নেই। তবে এসব প্রতিষ্ঠান স্থানান্তরে সহযোগিতা চাইলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করা হবে।
তিনি বলেন, ৬ শত দখলবাজদের তালিকা প্রকাশ হলেও, আমি তালিকায় বিশ্বাস করিনা। কোন তালিকা নয়, নদী এলাকায় যেসব অবৈধ স্থাপনা রয়েছে সবই উচ্ছেদ করা হবে। উচ্ছেদের ব্যাপারে যে যত প্রভাবশালীই হোক কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। যেখানে নদী ছিল আমরা সে স্থান পর্যন্ত যাব। এর বাহিরে ১ ইঞ্চি জায়গাও উচ্ছেদ হবে না।
জেলা প্রশাসক বলেন, পুরাতন খোয়াই নদীর প্রকল্পটি ইতিমধ্যে অনুমোদন হযেছে। একনেকে পাস হলেই টেন্ডার আহ্বানের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পটি পূর্নাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে অন্তত ৩ বছর লাগতে পারে। কাজটি বড়, তাই বাস্তবায়নে তিনি সাংবাদিকসহ সকল মহলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
তিনি বলেন, আমি চাই সুন্দর হবিগঞ্জ, পরিচ্ছন্ন। আমি থাকবো না। কিন্তু যতদিন আছি জনকল্যাণে কাজ করে যাব।
প্রেস ব্রিফিংকালে উপস্থিত ছিলেন-স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক মোঃ নুরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অমিতাব পরাগ তালুকদার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (আইসিটি) মোঃ শামসুজ্জামান ও নিসর্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটবৃন্দ।
আপনার মতামত লিখুন

সারাদেশ,সিলেট বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ