বৃহস্পতিবার-২রা এপ্রিল, ২০২০ ইং-১৯শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: সকাল ১০:১৫, English Version
পার্বতীপুরে ইউনাইটেড ডেভেলপমেনট এসোসিয়েশনের উদ্যোগে নগদ অর্থ প্রদান গাইবান্ধায় হোম কোয়ারেন্টাইনে ২০০ : বাড়ি ফিরে গেছে ৭ জন পলাশবাড়ীতে বিষপানে মায়ের মৃত্যু : শিশুপুত্র গুরুতর অসুস্থ্য ঠাকুরগাঁওয়ে ২শ অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কোভিড-১৯ (করোনা ভাইরাস) সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন লালমনিরহাটে সেনাবাহিনীর মতবিনিময় ও চিকিৎসা সেবা করোনা ভাইরাসের সচেতনতায় খেটে খাওয়া অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ালেন গোবিন্দগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ

সাপ প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে

প্রকাশ: রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ৩:৫১ অপরাহ্ণ , বিভাগ : ঢাকা,সারাদেশ,

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিষধর কালাচ সাপ উদ্ধার ও হস্তান্তর নয়ন ঘোষ : সাপ পরিবেশের বন্ধু, মানুষেরও বন্ধু। সাপ প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। কীট-পতঙ্গ, ইদুর, ব্যাঙ এদের প্রধান খাদ্য ঝোপ-জঙ্গল, বন কেটে পরিষ্কার করার কারনে সাপ হারাচ্ছে তার আবাসস্থল।আবাসস্থল হারিয়ে লোকালয়ে এসে মারা পড়ে। কিন্তু শহরের মসজিদপাড়ার দুই ভাই মামুন ও মিঠু বিষধর কালাচ সাপ হত্যা না করে রক্ষা করেছেন। শুক্রবার দিবাগত রাত আড়াইটায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালের সামনে একটি সাপ দেখতে পেয়ে ওই দু’ভাই দুংসাহসিক অভিযান চালিয়ে বিষধর কালাচ সাপ আটক করতে সক্ষম হয়। সাপটিকে একটি প্লাষ্টিক জারে রাখে। শনিবার সকালে সেভ দ্য নেচার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ’র একটি টিম সাপটিকে সেভ দ্য নেচার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ’র টিমকে দেয়ার কথা বলা হয়। কোন আপত্তি না করে মিঠু সাপটি দিতে আগ্রহী হয়। বিষয়টি রাজশাহীর স্নেক রেসকিউ এ্যান্ড কনজারভেসন সেন্টারকে জানানো হয়।বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ওই সেন্টারের শেখ ফরিদ ও ইথার হোসেন আসেন। পরে সেভ দ্য নেচার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ’র কর্মীরা চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রেস ক্লাবে আনুষ্ঠানিকভাবে সাপটিকে তাদের হাতে তুলে দেয়। Elapidae পরিবারের কালাচ সাপ, এর ইংরেজী নাম Common Krait, বৈজ্ঞানিক নাম Bungarus caeruleus. কালাচ সাপ, যদিও দিনের বেলা এরা সাধারণত আক্রমণ না করলেও রাতে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। দৈর্ঘ্যে এরা ১.৭৫ মিটার (৫ ফুট ৯ ইঞ্চি) পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। এর বিষক্রিয়া শুরু হয় ২ থেকে ২০ ঘণ্টা পরে। এর কামড়ের দাগও অনেক সময় খুঁজে পাওয়া যায় না। এর কামড়ে রাতে পেটে যন্ত্রণা, গলায় ব্যথা, গাঁটে ব্যথা, খিচুনি এই লক্ষণগুলি দেখা যায়। এই সাপটি ভারতীয় উপমহাদেশে দেখা যায়। চাঁপাইনবাগঞ্জেও দেখা যায়। তবে খুব কম মানুষ এদের চিনে। সাপে কামড়ালে অহেতুক আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। অনেক সময় নির্বিষ সাপে কামড়ালেও আতঙ্কিত হয়ে মানুষ হার্ট অ্যাটাক করে মারা যায়। যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে নিতে হবে। আজকাল অ্যান্টিভেনম ইনজেকশন প্রায় হাসপাতালেই পাওয়া যায়। সময় মতো অ্যান্টিভেনম দিলে রোগী সুস্থ হয়ে উঠবে। সাপ শুধু পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পলন করেনা-সাপের বিষ থেকে তৈরি হয় জীবন রক্ষাকারী ঔষধও। তাই অপ্রয়োজনে হত্যা না করে-এদেরও বাঁচার সুযোগ দিন।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ