রবিবার-২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং-১০ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: সন্ধ্যা ৭:৪৮, English Version
পার্বতীপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের ৫ সহযোগী সংগঠনের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত সৈয়দপুর বিমানবন্দরে বহিরাগতদের সাথে সংঘর্ষে আহত এপিবিএন সদস্য হাসপাতালে গাইবান্ধায় অভিযানে বন্ধ হওয়া ইটভাটা গুলো আবারো চালু: ১৬৭ টি ইটভাটার মধ্যে অবৈধ ১৫০টি পলাশবাড়ী উপজেলা আওয়ামীলীগ’র আয়োজনে বিশেষ বর্ধিত সভা- বরিশাল থেকে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ইন্টারনেট ডিভাইস বিঞ্জের যাত্রা শুরু অবশেষে স্বপ্নের ফেরীর উদ্বোধণ বরিশালে সড়ক দূর্ঘটনায় ব্যবসায়ী নিহত

বাকশাল ছিল উন্নয়নের জন্য : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: শনিবার, ৩১ আগস্ট, ২০১৯ , ৮:৩১ অপরাহ্ণ , বিভাগ : জাতীয়,সারাদেশ,

এমএন২৪.কম ডেস্ক: বঙ্গবন্ধুর বাকশাল কার্যকর করা গেলে বাংলাদেশ অনেক আগেই বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসনে থাকতো বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

শনিবার গণভবনে শোকের মাস আগস্টের শেষ দিনে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ অনেকে বাকশাল-বাকশাল বলে গালি দেয়, আসলে বাকশালটা কী ছিলো? এটা ছিলো কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। এই বাংলাদেশ ছিলো কৃষি প্রধান দেশ। কৃষক মাথার ঘাম পায়ে ফেলে খাদ্য উৎপাদন করে আর শ্রমিকের শ্রমের মধ্য দিয়ে এদেশের অর্থনীতি গড়ে ওঠে। এই কৃষক-শ্রমিককে এক করে  সমগ্র বাংলাদেশকে ঐক্যবদ্ধ করে অর্থনৈতিক মুক্তির ডাক দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে ১৯টা জেলা ছিলো। এই ১৯টা জেলাকে ভাগ করে তিনি ৬০টি জেলায় রূপান্তর করেন। তারমানে প্রতিটি মহকুমা পর্যায়ক্রমে জেলায় রূপান্তর করা হয়। এই মহাকুমাগুলোকে জেলায় রূপান্তর করা হয় যেন, সেগুলো অর্থনৈতিক কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে ওঠে এবং তৃণমূলের মানুষ সেটার সুফল পায়। সে পদক্ষেপ তাই তিনি নিয়েছিলেন।

‘‘গণতন্ত্রকে-ক্ষমতাকে বিকেন্দ্রীকরণ করে একদম তৃণমূল পর্যন্ত যেন সেটা পৌঁছে যায় সে ব্যবস্থা করেছিলেন। একজন সাধারণ মানুষ তার যেন বলার সুযোগ থাকে, কাজ করার সুযোগ থাকে সে পদ্ধতি তাই তিনি বেছে নিয়েছিলেন।  যারা জমিতে শ্রম দিবে তারা উৎপাদিত পণ্যের একটি অংশ পাবে, যারা জমির মালিক তারা একটা অংশ পাবে এবং কো-অপারেটিভের মাধ্যমে সরকারের কাছে একটা অংশ আসবে। যেন কখনো কেউ বঞ্চিত না হয়। অন্তত যারা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ফসল ফলায় তারা যেন ন্যায্য মূল্য পায়, তারা যেন ভালোভাবে বাঁচতে পারে।’’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের কৃষি পদ্ধতিটাকে যান্ত্রিকীকরণ করে আধুনিকীকরণ করার কথাই তিনি বলেছিলেন। সাথে সাথে শিক্ষাকে তিনি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। প্রাইমারি শিক্ষাকে অবৈতনিক করেছিলেন। উচ্চ শিক্ষার জন্য তিনি বিশেষ সুযোগ এর ব্যবস্থা এবং নীতিমালা প্রণয়ন করেছিলেন। সকল শ্রেণী পেশার মানুষ যেন সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারে, তিনি সে পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। প্রত্যেকটা ইউনিয়নে ১০ বেডের হাসপাতাল করে প্রত্যেকের দোরগোড়ায় চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেওয়ার কাজ তিনি শুরু করেছিলেন।

জাতির পিতা যে কর্মসূচিগুলোর ঘোষণা দিয়েছিলেন, এগুলো যদি তিনি বাস্তবায়ন করে যেতে পারতেন তাহলে বাংলাদেশে অনেক আগেই বিশ্বসভায় মর্যাদার আসনে আসীন হতো বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন

জাতীয়,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ