রবিবার-১৭ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং-২রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: বিকাল ৩:৩১, English Version
মওলানা ভাসানীর ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ সংগীতশিল্পী রুনা লায়লার ৬৭তম জন্মদিন আজ মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়স ৬০ বছরই থাকছে সংযুক্ত আরব আমিরাত গেলেন প্রধানমন্ত্রী সৈয়দপুরে ডিবি ও এনএসআই পরিচয়ে মোটর সাইকেল চেকিং এর নামে চাঁদাবাজির সময় আটক-২ সৈয়দপুরে বাংলাদেশ পৌরসভা ডিপ্লোমা প্রকৌশলী রংপুর বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ থাকলেও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অস্বাভাবিকহারে পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে

চিরিরবন্দরে ২৮৯ গরিব পরিবার পেল নতুন বাড়ি

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৯ , ৩:২০ অপরাহ্ণ , বিভাগ : রংপুর,সারাদেশ,

মোহাম্মাদ মানিক হোসেন চিরিরবন্দর(দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর অধীনে ‘জমি আছে ঘর নেই’ এমন ২ শত ৮৯ পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাঁই হল দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে।
এসব পরিবার কয়েকমাস আগেই জরাজীর্ণ ও ঝপড়ি ঘরে বসবাস করেছিল। স্বামী পরিত্যক্তা, প্রতিবন্ধী, অসহায় ও হতদরিদ্র, বয়োবৃদ্ধসহ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করা এসব পরিবার প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া নতুন ঘরে পেয়ে এখন মহাখুশি।
এজন্য এসব পরিবারের সদস্যরা দুই হাত তুলে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নামাজ পড়েও দোয়া করছেন। পরিবারগুলোর সদস্যরা বলছেন, দেশ পরিচালনার ভার শেখ হাসিনার হাতে রয়েছে বলেই আজ তারা বাড়ি পেয়েছেন।
চিরিরবন্দর উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর অধীনে সারাদেশে ‘যাদের জমি আছে ঘর নেই’ এমন পরিবারগুলোকে টিনশেড ঘর তৈরি করে দিচ্ছেন। এরই অংশ হিসেবে দুটি ধাপে দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে উপজেলায় ২৮৯ পরিবার পেয়েছে নতুন ঘর। আর এই দুটি ধাপে ২৮৯ ঘরের নির্মান কাজের সবকিছু সম্পূন্ন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো: গোলাম রব্বানী।
সরেজমিন গত কয়েকদিন ধরে উপকারভোগী পরিবারগুলোর সদস্যের সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। এ সময় তারা সরকারের নেওয়া এই যুগান্তকারী পদপেকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন, আগেকার সরকারগুলো গরিব-দুঃখী ও মেহনতী মানুষের কোনো চিন্তাই করেননি। সেখানে বর্তমান সরকার যে দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করা পরিবারগুলোর দুঃখমোচন এবং মাথা গোঁজার ঠাই করে দিয়েছেন সেজন্য তারা শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞ।
তাদের কাছে ঘরের ব্যাপারে জানতে চাইলে উপকারভোগী পরিবারগুলোর জানান, এই ঘর পাওয়ার পেছনে জনপ্রতিনিধি বা সরকারি কোনো কর্মকর্তাকে এক টাকাও উৎকোচ দিতে হয়নি।
উপজেলার নশরতপুর ইউনিয়নের বয়োবৃদ্ধ রমজান আলী বলেন, ‘পৈতৃক ভিটে-বাড়ির সিংহভাগই চলে গেছে ছেলেদের দখলে। বাকি তিন কড়া (এক শতাংশ) যে জায়গাটুকুন অবশিষ্ট ছিল সেখানে ঝাপড়ি ঘর বেঁধে স্ত্রী আলেয়াকে নিয়ে থাকতেন কষ্টেসৃষ্টে। এই অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া টিনশেডের একটি ঘরই যেন আমাদের দিলো নতুন জীবন। বর্তমানে এই ঘরে সুখেই দিন কাটাচ্ছি আমরা।’ জীবনের শেষসময়ে এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে নতুন ঘর পেয়ে আমরা মহাখুশি। এজন্য শেখ হাসিনার কাছে আমরা কৃতজ্ঞ।
চিরিরবন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো: গোলাম রব্বানী বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর অধীনে প্রথম ও দিত্বীয় ধাপে চিরিরবন্দর উপজেলায় ১২টি ইউনিয়নে ২৮৯ পরিবার পেয়েছে টিনশেডের বাড়ি। ‘যাদের জমি আছে ঘর নেই, এমন পরিবারগুলোকে যাচাই-বাছাই করে তালিকাভুক্ত করা হয়। এরপর তৈরি করে দেওয়া হয় বাড়িগুলো।’
চিরিরবন্দর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক অধ্যক্ষ আহসানুল হক মুকুল বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ রাষ্ট্র পরিচালনা করছেন বলেই উন্নয়নের মহীসোপানে বাংলাদেশ। তিনি না হলে দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করা চিরিরবন্দরে ২৮৯ শতাধিক পরিবার এই বাড়ি পেতেন না।’

আপনার মতামত লিখুন

রংপুর,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ