শনিবার-২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং-৯ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: বিকাল ৪:৫৩, English Version
পলাশবাড়ীতে  মহান শহীদ ও  আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত  ভাষা শহীদদের স্মরণে ঠাকুরগাঁওয়ে দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বাবার ছবির সামনে মেয়ে-বোনের সঙ্গে সেলফিতে প্রধানমন্ত্রী পার্বতীপুরে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা মহান শহীদ দিবস ও মাতৃভাষা দিবসে গাইবান্ধায় দেশসেরা কামেরাবন্দি ওরা দু ভাই স্মৃতির মিনারে লাখো জনতার ঢল

সিমেন্টে উচ্চ করে ব্যয় বাড়বে মেগা প্রকল্পে

প্রকাশ: সোমবার, ২৪ জুন, ২০১৯ , ৫:৪৯ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ : অর্থনীতি,

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: বাজেটে কাঁচামাল আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট ১৫ শতাংশ। পাশাপাশি অগ্রিম আয়কর (এটি) অতিরিক্ত ৫ শতাংশ। এর ফলে এখন মোট ২০ শতাংশ ভ্যাট দিতে হবে। এ ছাড়া আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪-র ধারা সি অনুসারে আমদানি পর্যায়ে ৫ শতাংশ উেস কর্তনকৃত অগ্রিম আয়কর এবং স্থানীয় সরবরাহ পর্যায়ে ৩ শতাংশ উেস কর্তনকৃত অগ্রিম আয়কর ন্যূনতম আয়কর হিসেবে গণ্য করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে এ খাতে ‘ট্যাক্স অন ট্যাক্স’ হয়ে যাবে। আর এতে প্রতি ব্যাগ সিমেন্টে দাম বাড়বে ৪২ টাকা। কারণ ভ্যাট ও অগ্রিম কর আরোপ করার কারণে সিমেন্টের এক টন কাঁচামাল আমদানিতে খরচ বাড়বে ৮৫০ টাকা। এক টনে ২০ ব্যাগ সিমেন্ট হয়। সে হিসাবেই প্রতি ব্যাগ সিমেন্টে দাম ৪২ টাকা বাড়ে। তবে অগ্রিম কর প্রত্যাহার করা হলে এ খরচ কমে আসবে।

সিমেন্ট শিল্পে বছর বছর চাহিদা বাড়ছে। দেশের মোট সিমেন্টের ২৫ শতাংশ ব্যবহার করে ব্যক্তিগত বাড়ি নির্মাতারা। ৩৫ শতাংশ করে আবাসন ব্যবসায়ীরা। বাকি ৪০ শতাংশ সরকারি বিভিন্ন উন্নয়নকাজে ব্যবহার করা হয়। সিমেন্ট শিল্প মালিকদের হিসাবে, দেশের মোট সিমেন্ট উত্পাদন ক্ষমতা বছরে তিন কোটি টন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারের পদ্মা সেতু, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, কর্ণফুলী টানেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ আবাসন খাতের সব প্রকল্পে দেশের উত্পাদিত সিমেন্ট সরবরাহ করা হচ্ছে। সিমেন্টের দাম বাড়লে এসব বড় প্রকল্পের ব্যয়ও বাড়বে। অর্থাৎ শুধু ৫ শতাংশ অগ্রিম কর আরোপের কারণে সিমেন্ট শিল্পের পাশাপাশি আবাসন খাত এবং সরকারের বড় প্রকল্পে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। সংশ্লিষ্টদের এ দাবির সঙ্গে অনেকটাই একমত পোষণ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. এম এ বাকী খলীলী বলেন, ‘এ খাতে বাড়তি কর ধার্য করার ফলে সরকারের রাজস্ব যে বাড়বে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে এর ফলে বিনিয়োগ ব্যয় বেড়ে যাবে। বড় বড় প্রকল্পের ব্যয় আরো এক দফা বাড়বে। পাশাপাশি সিমেন্টের অভ্যন্তরীণ চাহিদা কমে যাবে। সর্বোপরি মধ্যবিত্তদের ওপর চাপ বাড়বে।’

খবরটি ইউনিকোড থেকে বিজয়ে নিতে ব্যবহার করুন কালের কণ্ঠের বাংলা কনভার্টার-

https://www.kalerkantho.com/home/converter

আপনার মতামত লিখুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ