রবিবার-২০শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং-৫ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: সকাল ১০:০৫
পাঠ্যবইয়ে মশাবাহিত রোগের সমস্যার সমাধান অর্ন্তভুক্ত করতে হবে   — এলজিআরডি মন্ত্রী সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর গোবিন্দগঞ্জ হাইওয়ে থানা ২২ পিছ ফেনসিডিল সহ ১ মহিলা আটক ৫ দফা দাবীতে ফারিয়া গোবিন্দগঞ্জ শাখার মানববন্ধন অনুষ্ঠিত শৈলকুপায় দু’দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ১০, আটক-৩ আইএফসি’র বিনিয়োগে বাংলাদেশে কর্মসংস্থান আরো বাড়বে    — অর্থমন্ত্রী নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তুলতে হবে    — মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

সোয়া ৪ কোটি বছর আগের তিমির সন্ধান

প্রকাশ: শনিবার, ৬ এপ্রিল, ২০১৯ , ৬:৪৩ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ : আন্তর্জাতিক,

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: পেরুতে চার পেয়ে তিমির একটি জীবাশ্ম আবিষ্কৃত হয়েছে, যেটি চার কোটি ৩০ লাখ বছর আগের বলে জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁদের ভাষ্য, এ জীবাশ্ম তিমির বিবর্তন ও বিস্তৃতি সম্পর্কে জানতে সহায়ক হবে। সম্প্রতি এসংক্রান্ত গবেষণা নিবন্ধ আন্তর্জাতিক সাময়িকী ‘কারেন্ট জার্নাল’-এ প্রকাশিত হয়েছে।

জীবাশ্ম বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চার মিটার দীর্ঘ এ তিমি সাঁতারের পাশাপাশি ডাঙায় হাঁটতে পারত। এ স্তন্যপায়ী প্রাণীর পায়ে আঙুল ও নখ ছিল। মূলত চার পা এর ভারী দেহ বহন করত। প্রাচীন এ তিমির একটি শক্তিশালী লেজের অস্তিত্ব মিলেছে। এ আধাজলজ প্রাণীকে ভোঁদর বা বিভারের সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে।

রয়্যাল বেলজিয়ান ইনস্টিটিউট অব ন্যাচারাল সায়েন্সেসের বিজ্ঞানী ও গবেষণাপত্রের সহ-লেখক ড. অলিভির ল্যামবার্ট বলেন, ‘ভারত ও পাকিস্তানের বাইরে পাওয়া তিমির জীবাশ্মের মধ্যে এটিই সবচেয়ে পূর্ণাঙ্গ নমুনা।’

পেরুর প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূলীয় এলাকায় ২০১১ সালে এই তিমিটির জীবাশ্মের সন্ধান মেলে। পেরু, ফ্রান্স, ইতালি ও নেদারল্যান্ডসের একদল জীবাশ্ম বিশেষজ্ঞ এ তিমিটি আবিষ্কার করেন। তাঁরা এর নাম দিয়েছেন ‘পেরেগোসেটাস প্যাসিফিকাস’, যার অর্থ ‘ভ্রমণকারী তিমি যে প্রশান্ত মহাসাগরে পৌঁছেছে’।

গবেষকদের ধারণা, প্রায় পাঁচ কোটি বছর আগে দক্ষিণ এশিয়াতে তিমির প্রথম বিকাশ হয়। ধীরে ধীরে তাদের দেহ সাঁতারের জন্য উপযোগী হয়ে ওঠে। এরপর তাদের আবাস উত্তর আফ্রিকা ও উত্তর আমেরিকাতে বিস্তৃত হয়। শুরুর দিকে দক্ষিণ আমেরিকাতেও যে তিমি সাঁতার কাটত, তা এই চার পেয়ে তিমি আবিষ্কারের পর আরো পরিষ্কার হচ্ছে।

লন্ডনের ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামের প্রাচীন তিমি বিষয়ক গবেষক ত্রাভিস পার্ক বলেন, ‘তিমি হলো বিবর্তনের উত্কৃষ্ট উদাহরণ। ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণী থেকে বিবর্তনের মধ্য দিয়ে তারা আজকের নীল তিমিতে রূপান্তরিত হয়েছে। তারা যেভাবে মহাসাগর জয় করেছে, তা খুবই কৌতূহল জোগায়।সূত্র: কালের কন্ঠ

আপনার মতামত লিখুন

আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ