রবিবার-২০শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং-৫ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: সকাল ১০:০৫
পাঠ্যবইয়ে মশাবাহিত রোগের সমস্যার সমাধান অর্ন্তভুক্ত করতে হবে   — এলজিআরডি মন্ত্রী সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর গোবিন্দগঞ্জ হাইওয়ে থানা ২২ পিছ ফেনসিডিল সহ ১ মহিলা আটক ৫ দফা দাবীতে ফারিয়া গোবিন্দগঞ্জ শাখার মানববন্ধন অনুষ্ঠিত শৈলকুপায় দু’দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ১০, আটক-৩ আইএফসি’র বিনিয়োগে বাংলাদেশে কর্মসংস্থান আরো বাড়বে    — অর্থমন্ত্রী নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তুলতে হবে    — মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

উত্তর কোরিয়ার ভোটে ছিল না কোনো বিরোধী প্রার্থী

প্রকাশ: সোমবার, ১১ মার্চ, ২০১৯ , ৪:৫২ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ : আন্তর্জাতিক,

মুক্তিনিউজ24.কম ডেস্ক: আরেকটা জাতীয় নির্বাচন হয়ে গেল উত্তর কোরিয়ায়, বিজয়ী হয়েছেন কিম জং উন এবং তাঁর দলের লোকেরা।

তবে বাইরের কেউ যদি দেশটিতে ভোট দিতে যেত তাহলে খুবই অবাক হত। কারণ ব্যালট পেপারে ভোট শুধু একজনকেই দেওয়া যায়- নেই কোনো বিরোধী প্রার্থী। নাগরিকদের অবশ্য ভোট দেওয়া বাধ্যতামূলক। ফলে নির্বাচনের ফলাফল যা হওয়ার তাই- শতভাগ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন কিম ও তাঁর প্রার্থীরা।

ভোটাভুটিতে বিরোধী কোনো প্রার্থী নেই। প্রতি ব্যালটে এক জনকেই ভোট দেওয়া যায়। ফলে বিজয়ী অনেকটা নির্ধারিতই। তিনি দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির চেয়ারম্যান। ২০১১ সাল থেকে ডেমোক্রেটিক পিপল’স রিপাবলিক অব কোরিয়া তথা গণপ্রজাতন্ত্রী কোরিয়ার শাসনদণ্ড তারই হাতে।

প্রতি পাঁচ বছর অন্তর নিয়ম করে পার্লামেন্ট নির্বাচনের আয়োজন করা হয়। নির্বাচিত হয় ‘সুপ্রিম পিপল’স অ্যাসেম্বলি’ নামে আইনসভা। এটাকে প্রায়ই ‘রাবার স্ট্যাম্প আইনসভা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন বিশ্লেষকরা।

ভোটে জনগণ নিজেদের কোনো প্রতিনিধি বা নেতা নির্বাচন করেন না। কারণ ব্যালট পেপারে শুধু একজন প্রার্থীর নাম। ভোট পড়ার হার সর্বদাই শতভাগের কাছাকাছি। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটাও এক ধরনের গণতন্ত্র। তবে কিম স্টাইলের।সূত্র: কালের কন্ঠ

আপনার মতামত লিখুন

আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ