বুধবার-২০শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং-৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ১০:২৩, English Version
ক্রেডিট কার্ড: গ্রাহকরা কী করতে পারেন, কী পারেন না প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ৬৪ জেলায় বিশাল রদবদল সরকার চলচ্চিত্রের স্বর্ণযুগ ফিরিয়ে আনতে চায়: হাছান মাহমুদ ইডেন টেস্টের প্রথম চার দিনের টিকিট শেষ : গাঙ্গুলী সরকার টেনিসকে যথাযথ গুরুত্ব দিচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী ইরানের বিক্ষোভে নিহত ১০৬ : অ্যামনেস্টি টিকাটুলির রাজধানী সুপার মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

হাসপাতাল বন্ধ করে দিলেন ভ্রাম্যমাণ আদালত

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ , ৫:০৯ পূর্বাহ্ণ , বিভাগ : বরিশাল,সারাদেশ,
হাসপাতাল বন্ধ করে দিলেন ভ্রাম্যমাণ আদালত

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: অপচিকিৎসা, প্রসূতির মৃত্যুসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে বরিশালের আগৈলঝাড়ার দুস্থ মানবতার হাসপাতালের সব কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল বুধবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিপুল চন্দ্র দাস পুলিশ নিয়ে ফুল্লশ্রী গ্রামের বাইপাস সড়কে অবস্থিত বেসরকারি ওই হাসপাতালে এ অভিযান পরিচালনা করেন।

গত ৩০ জানুয়ারি স্বাভাবিক প্রসবের জন্য বাহাদুরপুর গ্রামের লিটন অধিকারীর স্ত্রী পলিকে দুস্থ মানবতার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই রাতেই তাঁর অস্ত্রোপচার (সিজার) করেন গৌরনদী হাসপাতালের জুনিয়র কনসালট্যান্ট (গাইনি) ডা. বিপুল বিশ্বাস। অ্যানেসথেসিয়া চিকিত্সক ছিলেন প্রেষণে আগৈলঝাড়ায় কর্মরত ডা. আবদুল্লাহ আল মামুন। সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে অস্ত্রোপচারের সময় মেয়েসন্তান জন্ম দিয়ে মৃত্যু হয় পলির। অজ্ঞান ও ভুল অস্ত্রোপচারের কারণে পলির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ।

এদিকে অভিযোগ পাওয়া গেছে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না রোগীর স্বজনরা। তারা পুলিশ প্রশাসনকে না জানিয়ে পলির লাশ দাহ করে ফেলেছে।

গতকাল অভিযানের সময় ১০ শয্যার ওই হাসপাতালে তিনজন এমবিবিএস চিকিত্সক, ছয়জন প্রশিক্ষিত নার্স, ল্যাবরেটরি টেকনোলজিস্টসহ প্রয়োজনীয় জনবল, পরিবেশ অধিদপ্তর ও ফায়ার সার্ভিসের সনদপত্র না থাকায় (এবং) আনাড়ি চিকিৎসকের ‘এনেস্থাপিকফেইলরে’ প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতালের সব কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেন ম্যাজিস্ট্রেট। সেখানে ভর্তি রোগীদের উপজেলা সরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশও দেন তিনি। অভিযানের সময় হাসপাতালটিতে কোনো চিকিৎসক, নার্স ও ল্যাবরেটরি টেকনোলজিস্টের উপস্থিতি পাননি ভ্রাম্যমাণ আদালত। তা ছাড়া ৩১ জানুয়ারি গিয়ে ৩০ জানুয়ারির অন্তঃসত্ত্বার ভর্তি রেজিস্টারে কোনো চিকিত্সকের নাম দেখা যায়নি। অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক আবদুল্লাহ আল মামুন ফোনে আদালতকে তাঁর অ্যানেসথেসিয়ার সনদপত্র নেই বলে স্বীকার করেছেন।

অভিযান পরিচালনার সময় ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মনিরুল ইসলাম, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর শুকলাল সিকদার, এসআই আব্বাসসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা। সূত্র: কালের কন্ঠ

আপনার মতামত লিখুন

বরিশাল,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ