বুধবার-১১ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং-২৬শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: সকাল ৯:২৬, English Version
শিবগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে আন্ত:জেলা চোর চক্রের ৪ সদস্য আটক খুলনা জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটি ঘোষণা দেশে ফিরলো স্বর্ণজয়ী পুরুষ ক্রিকেট দল পার্বতীপুরে মদ্যপানের দায়ে তিন জনের সশ্রম কারাদন্ড অপরাধী যেই হোক শাস্তি পেতেই হবে : প্রধানমন্ত্রী (ভিডিও) গোমস্তাপুরে কাউন্সিল বাজারে ২ প্রতিষ্ঠান কে জরিমানা বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) পদমর্যাদার ১১ জন এবং অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদার ১১ জনকে নতুন কর্মস্থলে বদলি করা হয়েছে

সোনারগাঁয়ে সরিষার ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: বৃষ্টির কারণে সরিষা গাছ মাটির সাথে সুইয়ে পড়ায় সরিষা চাষে ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন চাষীরা। অসময়ের হলুদ ফুলে কৃষকের কপালে চিন্তার ভাজ স্পষ্ট। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় কয়েকটি ইউনিয়নে মাঠের পর মাঠ সরিষার আবাদ করা হয়েছে। মাটির সাথে নুইয়ে পড়া ফুলে স্বপ্নভঙ্গ সরিষা চাষীদের। কালেরকন্ঠ

গতকাল বৃহস্পতিবার সরেজমিনে উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের গিয়ে দেখা যায়, নুইয়ে পড়া সরিষা গাছের কাণ্ডে সবুজ পাতা মেলে নতুন ফুল ফুটেছে। দড়িগাঁও গ্রামের কৃষক রমজান আলী কালের কণ্ঠকে বলেন, মধ্য ডিসেম্বরে বৃষ্টির কারণে ফলনদার সরিষা গাছ মাটিতে নুইয়ে পড়েছে। এতে সরিষার ফলন একেবারে কমে যাবে।

আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্তের আশঙ্কার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ঝুলেপড়া সরিষার ফলন তুলতে একজনের বদলে তিনজন কামলা (শ্রমিক) লাগবে। গাছ ঝুলে পড়ায় দুই ফসলি জমির ইরি ধানের চারাও নষ্ট হয়ে গেছে। গত বছর বিঘা প্রতি ৭ মন সরিষা পেয়েছি এ বছর তার অর্ধেকও পাব না। কিন্তু খরচ আগের চেয়ে তিনগুন।

তিনি জানান, শতশত বিঘা সরিষা চাষ করে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কৃষি অফিস থেকে কেউ একবার দেখতে ও আসেনি।

একই এলাকার সরিষা চাষী বিল্লাল হোসেন জানান, এক বিষা জমিতে সরিষা চাষে তার খরচ হয়েছে আট হাজার টাকা। মাটির সাথে মিশে যাওয়ায় তার ৮০০ টাকাও উঠে আসবে না।
তিনি বলেন, ঝুলে যাওয়া গাছের কাণ্ড থেকে আসা ফুলে সরিষা দানা হবে না।

এ ব্যাপারে সোনারগাঁ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আশেক পারভেজ কালের কণ্ঠকে জানান, বারি-১৭ জাতের সরিষাগুলো আকারে বড় এবং ফলন বেশী হওয়ার কারণে মাটির সাথে মিশে যায়। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ সমস্যা হয়েছে জানতে পেরেছি। পরবর্তীতে কৃষকরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে বীজ বিতরণ করা হবে।

তিনি আরো বলেন, প্রতি বিঘা জমিতে ৩৫০ কেজি পর্যন্ত ফলন পাওয়া যাবে। কৃষকরা এ বছর সরিষার বীজ বেশি চাষ করেছেন। এছাড়া তিনি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের ক্ষেত পরিদর্শনসহ ভালো ফলন পেতে চাষাবাদের জন্য কৃষকদের পরামর্শ দিয়েছেন। প্রনোদনার আওতায় ৯০০ জন কৃষককে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া রাজস্ব প্রদর্শনীর আওতায় ৭০ জন কৃষককে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

কক্সবাজার,কিশোরগঞ্জ,কুমিল্লা,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ