বুধবার-২৬শে জুন, ২০১৯ ইং-১২ই আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ১:৩৩
পাইলট অভিনন্দনের গোঁফকে ‘জাতীয় গোঁফ’ ঘোষণার দাবি পার্লামেন্টে! অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বাংলাদেশ এখন অনন্য উচ্চতায় পার্বতীপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি’র মৌলিক ও মানবাধিকার বিষয়ে দিনব্যাপি কর্মশালা জলঢাকায় ফারাজ হোসেন এর স্মরণে ডিসিআই ও আরএসসির দিনব্যাপি ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা “ বান্দরবানের জেএসএস কর্মীকে গুলি করে হত্যা ডিজিটাল হাজিরা অনিশ্চিত মহেশপুরের ১৫২ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঢাকায় নিয়োগ দেবে সিভিসি ফাইন্যান্স

৬৭ বন্ড মাফিয়ার কাছে জিম্মি দেশীয় শিল্প

1 month ago , বিভাগ : অর্থনীতি,

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা আবুল হোসেনসহ এই মাফিয়ারা ব্যাপক প্রভাবশালী!
বন্ড সুবিধার অপব্যবহার করে চোরাচালানে জড়িত ৬৭ মাফিয়ার কাছে জিম্মি দেশের শিল্প খাত। বন্ডের আওতায় শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাপড়, কাগজ, প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি করে তা খোলাবাজারে বিক্রি করছে চোরাকারবারিরা। এভাবে অবৈধ প্রক্রিয়ায় তারা প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে। একই সঙ্গে দেশীয় শিল্প ধ্বংস করে লাখ লাখ মানুষকে বেকারত্বের যাঁতাকলে ফেলে দিয়েছে।

সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা আবুল হোসেনসহ এই মাফিয়ারা একেকজন এতটাই প্রভাবশালী যে নানা উদ্যোগ আয়োজন নিয়েও তাদের অপকর্ম থামাতে পারছে না কেউ। বন্ড সুবিধার পণ্য খোলাবাজারে বিক্রির মাধ্যমে আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়ে ওঠা এই মাফিয়াদের একেকজনের সাত থেকে দশটি পর্যন্ত প্রতিষ্ঠান রয়েছে। আর এই প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেই বন্ড সুবিধার আওতায় কোটি কোটি টাকার পণ্য আমদানি করে খোলাবাজারে বিক্রি করে দেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।

বন্ড মাফিয়া হিসেবে পরিচিতি পাওয়া এই ৬৭ জন চোরাচালানির বিরুদ্ধেই বিভিন্ন সময় জাল-জালিয়াতি ও বন্ড লুটপাটের অভিযোগে একাধিক মামলা হয়েছে। দফায় দফায় অভিযানে তাদের গুদাম ও গাড়িবহর থেকে জব্দ করা হয়েছে শত শত কোটি টাকার মালামাল। কিন্তু মামলা সুরাহার ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণে মাফিয়াদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়নি। এসব কারণে ওরা হয়ে উঠেছে বেপরোয়া। রাজস্ব বিভাগের কঠোর নির্দেশনা, ধারাবাহিক অভিযান, মালামাল জব্দ—কোনো কিছুই বন্ড মাফিয়াদের কাছে পাত্তা পায় না।

জানা গেছে, রাজধানীর নয়াবাজার এলাকায় বন্ড সিন্ডিকেটের হোতা আবুল হোসেনের প্রাসাদোপম নয় তলা বাড়িসহ তিনটি বাড়ি রয়েছে। বন্ড সুবিধায় পণ্য এনে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের মাধ্যমে তিনি বিপুল বিত্তবৈভবের মালিক হয়েছেন। তাঁর কথার বাইরে গেলে সাধারণ কাগজ ব্যবসায়ীদেরও হুমকি-ধমকি শুনতে হয়। কিছুদিন আগে অভিযানকালে কাস্টমসের কর্মকর্তাদের ওপর যে হামলা হয়েছে তাতেও এই মাফিয়ার লোকজন জড়িত ছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আবুল হোসেনের সঙ্গে গতকাল মঙ্গলবার দেখা করে এসব বিষয়ে কথা বলতে গেলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকার করেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, কাস্টমস কর্মকর্তাদের ওপর হামলা করেছে বহিরাগতরা। এ ঘটনায় তাঁর কোনো লোক জড়িত ছিল না। এসব তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার।

জানা গেছে, রাজধানীর ইসলামপুর ও নয়াবাজারে এই মাফিয়া-গডফাদারদের মূল ঘাঁটি। এই দুটি এলাকায় প্রতিদিন গভীর রাতে ট্রাকে ট্রাকে খালাস হয় বন্ড সুবিধার আওতায় আনা কাপড়, প্লাস্টিক ও কাগজ জাতীয় বিভিন্ন পণ্য। চোরাকারবারিরা এসব পণ্য বিক্রি করছে কালোবাজারে। রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি হওয়া পণ্যের এভাবে অবৈধ বাণিজ্যে ধ্বংস হচ্ছে দেশীয় শিল্প খাত।

এদের অপতৎপরতায় হাজার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। হুন্ডির মাধ্যমে তারা অর্থ পাচার করে অবৈধভাবে কাগজ ও কাপড় আনছে। মাফিয়ারা বন্ডের আওতায় পণ্য এনে কর ফাঁকি দিয়ে অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে বাজারে পণ্য ছেড়ে দেওয়ায় টেক্সটাইল, কাগজ, প্লাস্টিকসহ দেশীয় বিভিন্ন পণ্য প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে। হুমকির মুখে পড়েছে দেশীয় শিল্প খাত।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই ৬৭ মাফিয়ার চক্রকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হলে দেশীয় শিল্পের প্রায় ৫০ লাখ শ্রমিক বেকার হয়ে পড়বে। এদের অপতৎপরতায় ইতিমধ্যে অনেক তৈরি পোশাক, বস্ত্র ও পিভিসি কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আর আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো বন্ডের অবৈধ ব্যবহারের সঙ্গে জড়িতদের ভালোভাবেই চেনে ও জানে।

কাস্টমসের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, বন্ড সুবিধার অপব্যবহারের সঙ্গে জড়িত হিসেবে বিভিন্ন সময় সাড়ে চার শতাধিক প্রতিষ্ঠান জড়িত থাকার তথ্য থাকলেও একই অপরাধে বারবার জড়িয়ে থাকা ৬৭টি প্রতিষ্ঠানকে এ পর্যন্ত চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে অন্যান্য মামলা ও অভিযানে জব্দ হওয়া পণ্যের সূত্র ধরে চোরাচালানি মাফিয়াদের সুনির্দিষ্ট করার কার্যক্রম এখনো চলছে।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন গতকাল মঙ্গলবার বলেন, ‘বন্ড সুবিধার অপব্যবহার করে এই ৬৭ মাফিয়া দেশীয় শিল্প খাতকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। ওরা একই সঙ্গে ধ্বংস করে দিচ্ছে দেশের ব্যাংকিং খাত এবং বিকাশমান শিল্পগুলো। চোরাকারবারিদের এই মাফিয়া গোষ্ঠী দেশ ও জাতির শত্রু। ওরা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সবচেয়ে বড় বাধা। দেশের শিল্প খাতকে বাঁচাতে হলে এসব মাফিয়াকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।’

বিটিএমএ সভাপতি বলেন, ‘অনেক শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেগুলো কার্যত বন্ধ। তার পরও ওই সব প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে থাকা বন্ড লাইসেন্সগুলো নানা কারসাজির মাধ্যমে কার্যকর রেখে এই সুবিধার আওতায় পণ্য আমদানি অব্যাহত রাখা হয়েছে। বন্ডেড ওয়্যার হাউস লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা চিহ্নিত। আমরা মনে করি, বন্ড সুবিধার লাইসেন্সধারী কতটি প্রতিষ্ঠান চালু রয়েছে তা নির্ধারণ করে বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোর বন্ড লাইসেন্স জরুরিভিত্তিতে বাতিল করা দরকার। এভাবে বন্ধ কারখানার বন্ড লাইসেন্স ব্যবহারের অনৈতিক কার্যকলাপ বন্ধ হলে দেশীয় শিল্প সুরক্ষা পাবে।’

বন্ড সুবিধার নামে বছরের পর বছর ধরে নির্দিষ্ট সিন্ডিকেটের লুটপাট ও দুর্বৃত্তপনা অবিলম্বে বন্ধ করে দেশীয় শিল্প রক্ষার জোর দাবি জানিয়েছেন শিল্প উদ্যোক্তারা। তাঁরা চোরাচালানে সম্পৃক্ত মাফিয়াদের আইনের আওতায় আনার দাবি করেছেন।

এফবিসিসিআইয়ের সিনিয়র সহসভাপতি মুনতাকিম আশরাফ এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘দেশীয় শিল্প খাত আমাদের বিকাশমান অর্থনীতির প্রাণ। কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে দেশীয় শিল্প খাত ধ্বংস হতে পারে না। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেশীয় শিল্প রক্ষা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বন্ডে শৃঙ্খলা আনাটা খুবই জরুরি। যারা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে চোরাচালান নামক অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত তাদের শাস্তি নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব।’

বাংলাদেশ প্লাস্টিক পণ্য প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির সাবেক সভাপতি শাহেদুল ইসলাম হেলাল বলেন, ‘বন্ড সুবিধা নিয়ে অনিয়মের বিরুদ্ধে আমরা সোচ্চার। বন্ডে যেসব অনিয়ম আছে, সেটা দূর করতে হলে ব্যবসায়ীদের সংগঠন ও বন্ড কমিশনারেটের আরো বেশি কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এটা করতে পারলে চোরাকারবারিদের ধরা সহজ হবে।’

বন্ডের অটোমেশন জরুরি উল্লেখ করে বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, ‘বন্ডেড ওয়্যার হাউসের লাইসেন্স সুবিধার আড়ালে অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে।’

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মূলত আমদানি প্রাপ্ত্যতা নির্ধারণ আদেশের দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কাঁচামাল আমদানির পর তা খোলাবাজারে বিক্রি করে দিচ্ছে একশ্রেণির ব্যবসায়ী নামধারী চোরাকারবারি। দু-একটি চালান বন্ড কর্মকর্তাদের অভিযানে ধরা পড়লেও বেশির ভাগই থেকে যাচ্ছে আড়ালে। মূলত দুইভাবে বন্ডের পণ্য খোলাবাজারে বিক্রি করে শুল্ক ফাঁকি দেওয়া হচ্ছে। প্রথমত, অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে বন্ড লাইসেন্স খুলে পণ্য আমদানির মাধ্যমে। বিগত ২০১৫ সালে ঢাকা বন্ড কমিশনারেট থেকে এ জাতীয় ৪৭৭টি প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করে লাইসেন্স সাময়িকভাবে বাতিল ও ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়। দ্বিতীয়ত, ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কাঁচামাল শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করে। মূলত আমদানিপ্রাপ্যতা নির্ধারণ পদ্ধতির দুর্বলতার সুযোগ নিয়েই এ কাজটি করে অসাধু ব্যবসায়ীরা। অনেক প্রতিষ্ঠানের রপ্তানি আদেশ যৎসামান্য থাকলেও শুধু মেশিনের উৎপাদন ক্ষমতা অনুযায়ী প্রাপ্যতা নির্ধারণ করিয়ে নিচ্ছে। এ কাজে তাদের সহযোগিতা করছেন অসাধু কর্মকর্তারা।

সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা গেছে, প্রতিদিন গভীর রাতে ট্রাকে করে আনা কাপড় ও কাগজজাতীয় পণ্যসামগ্রী খালাস হয় রাজধানীর ইসলামপুর, নয়াবাজার, চকবাজার মোড়, সাভার ও গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে। অথচ নিয়ম অনুযায়ী পুনঃ রপ্তানির শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি হওয়া পণ্যসামগ্রী খালাস হওয়ার কথা আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওয়্যার হাউসে। এই চোরাকারবারে জড়িত সংঘবদ্ধ চক্রের মধ্যে বটম গ্যালারি, ট্রাউজার ওয়ার্ল্ডসহ সাতটি প্রতিষ্ঠান প্রায় রাতেই এভাবে পণ্য খালাস করে কালোবাজারে বিক্রি করে দিচ্ছে। সম্প্রতি গভীর রাতের এক অভিযানে ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর পণ্যবোঝাই ট্রাক হাতেনাতে আটক করেন ঢাকা কাস্টমস বন্ডের কর্মকর্তারা।

জানা গেছে, রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকার (ইপিজেড) কর্মকর্তারাও বন্ডেড ওয়্যার হাউস সুবিধার অপব্যবহার ও চুরির এই অপকর্মের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। কিছুসংখ্যক ব্যবসায়ী শুল্ক দিয়ে সামান্য পণ্য আমদানি করে, বাকি পণ্য বন্ড থেকে অপসারিত পণ্যের সঙ্গে মিলিয়ে এক ভ্যাট চালানের রসিদ ব্যবহার করে।

জানা গেছে, বন্ড সুবিধার অপব্যবহার ও শুল্কমুক্ত পণ্যের চোরাচালান ঠেকাতে সক্রিয় উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়ার নির্দেশনার আলোকে সর্বশক্তি দিয়ে অভিযান পরিচালনা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম খতিয়ে দেখছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সম্প্রতি ২৯টি ঝটিকা অভিযান চালিয়েছে ঢাকা কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট। সংস্থাটি জানায়, এসব অভিযানে অর্ধশত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রায় ৩৫ কোটি টাকার অনিয়ম উদ্ঘাটন করেছে বন্ড কমিশনারেট।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটের কমিশনার এস এম হুমায়ন কবির বলেন, বন্ডের অপব্যবহার রোধে তথাকথিত রপ্তানি কার্যক্রম খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে। শুল্কমুক্ত সুবিধার পণ্য অবৈধভাবে বাজারে ছেড়ে দেওয়ার অপতৎপরতা রোধে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, যেসব রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক ও নির্বাচিত স্থানীয় শিল্প খাতে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানি করে পণ্য তৈরি ও তা রপ্তানি করে তাদের সরকার বন্ড সুবিধা দেয়। বিগত ২০০০ সাল থেকে তৈরি পোশাক এবং স্থানীয় শিল্প ও কূটনৈতিক বন্ডের আওতায় এই সুবিধা দেওয়া হয়।’সূত্র: কালের কন্ঠ

আপনার মতামত লিখুন

অর্থনীতি বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ