বুধবার-২২শে মে, ২০১৯ ইং-৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: ভোর ৫:১৭
ফুলবাড়ীতে ব্রি ধান ৫০ উৎপাদনে কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত॥ চিরিরবন্দরে উন্মুক্ত লটারির মাধ্যমে ধান সংগ্রহে কৃষকের নাম বাছাই জলঢাকায় বজ্রপাতে একজনের মৃত্যু ইসলামী ব্যাংক সৈয়দপুর শাখায় শিক্ষা উপকরণ বিতরণ সৈয়দপুর পৌরসভার বৃত্তি পরীক্ষার সনদপত্র ও চেক বিতরণ অনুষ্ঠিত ফুলছড়িতে  ৫ প্রতিষ্ঠানের ৭ হাজার টাকা জরিমানা  গোবিন্দগঞ্জে গ্রীল কাটার যন্ত্রপাতি ও ইয়াবাসহ ২ জন আটক

সমাজে প্রতিটি ক্ষেত্রে আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সমাজের সকল ক্ষেত্রে সুশাসন নিশ্চিত করে আমরা একটি শান্তিপূর্ণ উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২৮ এপ্রিল ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস’ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জন করেছি। ২০৪১ সালের মধ্যেই দেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করতে চাই। এজন্য সমাজে প্রতিটি ক্ষেত্রে আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা মানুষের সমৃদ্ধ ও নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করতে এবং অর্থনৈতিক-সামাজিক ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সকল ধরনের ভয়ভীতি ও বৈষম্য দূর করে ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজির অন্যতম লক্ষ্য ‘ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার’ বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার আইনের শাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায় সম্বলহীন ও নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে দেশের কোনো নাগরিক যেন ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হয়, সে লক্ষ্যে আমরা ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০’ প্রণয়ন করেছি।’

অসহায়, দরিদ্র ও নিঃস্ব জনগণকে বিনা খরচে সরকারি আইন সহায়তা ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জেলা লিগ্যাল এইড অফিসসমূহ ‘বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি’র কেন্দ্রস্থল হিসেবে মামলার পক্ষসমূহের মধ্যে আপোষ-মীমাংসার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করছে, যা সারাদেশের আদালতসমূহে মামলাজট হ্রাস করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অন্যতম স্বপ্ন ছিল সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার ও সুবিচার নিশ্চিত করা। তিনি ১৯৭২ সালে মহান সংবিধানে মানুষের মৌলিক অধিকার এবং সব নাগরিকের আইনের আশ্রয় পাওয়ার সমানাধিকার নিশ্চিত করেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালে জাতির পিতাকে হত্যার পর দেশে আইনের শাসন ও মৌলিক অধিকার ভূলুণ্ঠিত হয়। ’৭৫ পরবর্তী বিএনপি-জামাত জোট সরকার হত্যা, দমন, নির্যাতন ও নিপীড়নের রাজত্ব কায়েম করে। সুবিচারের পথ রুদ্ধ করে দেয়। দেশের জনগণ আইনগত সহায়তা ও অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়।

বাণীতে তিনি প্রতি বছরের ন্যায় এবারও দেশব্যাপী ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস ২০১৯’ পালন করা হচ্ছে জেনে সন্তোষ প্রকাশ এবং দিবসটির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। সূত্র : বাসস

আপনার মতামত লিখুন

জাতীয়,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ