মঙ্গলবার-২৩শে জুলাই, ২০১৯ ইং-৮ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: সন্ধ্যা ৭:৪৫
ছেলে ধরা আতংক গুজব থেকে সচেতনতা বাড়াতে শহর জুড়ে পুলিশের মাইকিং।। লালপুরে ওয়ালিয়া তরুণ সমাজের ৪র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির দুর্নীতির দায়ে দুদুকের চার্জশিট দাখিল ॥ ডোমারে আরসিসি রাস্তা নির্মানের দাবীতে মানববন্ধন। কলাপাড়ায় পুকুরে ডুবে দুই ভাই-বোনের মৃত্যু।। গোবিন্দগঞ্জে বাঁধ ভেঙ্গে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত শৈলকুপায় গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার!

শ্লীলতাহানীর অভিযোগে মির্জাপুর মহিলা কলেজের অধ্য বরখাস্ত

মোঃ রেফাজ উদ্দিন ,মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির দুই স্কুল ছাত্রীর শ্লীলতাহানীর অভিযোগে মহিলা কলেজের অধ্য হারুন অর রশিদকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে কলেজ পরিচালনা পরিষদ। মঙ্গলবার সকালে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আব্দুল মালেকের কার্যালয়ে তার উপস্থিতিতে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের নিকট এই তথ্য প্রকাশ করেন মহিলা কলেজ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি লতীফপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন। একই সাথে তাকে কারন দর্শানোর নোটিশও দেয়া হয়েছে।
ঘটনার বিবরনে জানা যায়, গত ২০ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখ দুপুর ১২টার দিকে কয়েকজন শিশু মহিলা কলেজ মাঠে ব্যাডমিন্টন খেলতে যায়। কলেজের অধ্য মাঠে থাকা কয়েকজন মেয়ে শিশুকে কলেজ দেখানোর কথা বলে ডেকে ভবনের একটি কে নিয়ে যান। সেখানে তাদের বিস্কুট খাইয়ে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির ওই দুই ছাত্রীকে একটি কে নিয়ে সবাইকে বের করে দেন। পরে দরজা আটকিয়ে ওই দুই ছাত্রীকে জড়িয়ে ধরে তাদের স্পর্শকাতর অঙ্গে হাত দিতে থাকেন। এসময় তারা চিৎকার করলে এক ছাত্রীর মা এগিয়ে এসে কলেজের প্রধান ফটকে তালা আটকানো দেখতে পান। পরে কলেজের অফিস করনিক ইরশাদ আলী গেটের তালা খুলে দেন। এরপর ওই ছাত্রীর মা কলেজের একটি ক থেকে লুঙ্গি পড়া খালি গায় কলেজের অধ্য হারুন অর রশিদকে বের হতে দেখেন। পুলিশ খবর পেয়ে কলেজ অধ্য হারুন অর রশিদকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়ার কিছু সময় পরে ছেড়ে দেওয়া হয়।স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগেও একটি মেয়েকে ডেকে নিয়ে ওই অধ্য তার কে আটকিয়ে শ্লীলতাহানী ঘটিয়েছিল। এছাড়া ওই অধ্য কলেজের ছাত্রীদের সাথে অহরহ এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে থাকলেও লোকলজ্জায় তারা অভিযোগ করেন না।
ওই দুই ছাত্রীর অভিভাবক এ বিষয়ে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল মালেকের নিকট লিখিত অভিযোগ করেন। বিষয়টি টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলামের নজরে আসলে তিনি তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে মাধ্যমিক শিা অফিসার মো. হারুন অর রশিদকে আহবায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ঠ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন কৃষি অফিসার মো. মশিউর রহমান এবং মহিলা বিষয়ক অফিসার মিনু পারভীন।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর গত ২৪ জুন মহিলা কলেজ পরিচালনা পরিষদের এক বৈঠক শিকদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সর্বসম্ম তিক্রমে কলেজের অভিযুক্ত অধ্য হারুন অর রশিদকে সাময়িক বরখাস্ত এবং কারন দর্শানোর নোটিস দেয়া হয়। ১৫ দিনের মধ্যে উপযুক্ত কারন দর্শাতে ব্যার্থ হলে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন কলেজ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মো. জাকির হোসেন।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা,সারাদেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ