বুধবার-২৬শে জুন, ২০১৯ ইং-১২ই আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ১১:৫৬
পাইলট অভিনন্দনের গোঁফকে ‘জাতীয় গোঁফ’ ঘোষণার দাবি পার্লামেন্টে! অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বাংলাদেশ এখন অনন্য উচ্চতায় পার্বতীপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি’র মৌলিক ও মানবাধিকার বিষয়ে দিনব্যাপি কর্মশালা জলঢাকায় ফারাজ হোসেন এর স্মরণে ডিসিআই ও আরএসসির দিনব্যাপি ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা “ বান্দরবানের জেএসএস কর্মীকে গুলি করে হত্যা ডিজিটাল হাজিরা অনিশ্চিত মহেশপুরের ১৫২ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঢাকায় নিয়োগ দেবে সিভিসি ফাইন্যান্স

শতবর্ষী ইন্দ্রমোহন সুইটস

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: বাঙালির পছন্দের তালিকার শীর্ষে থাকে বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি। আমাদের সবচেয়ে প্রিয় মিষ্টির নাম শুনলেই মনে পড়ে যায় দক্ষিণাঞ্চল তথা খুলনার বিখ্যাত ইন্দ্রমোহন সুইটস। খুলনার সেরা মিষ্টির তালিকার রয়েছে ইন্দ্রমোহন সুইটস।

খুলনা শহরের ১২৮ বছরের পুরনো মিষ্টির দোকান ইন্দ্রমোহন সুইটস। তবে এই দোকানে বিশেষ রকমের পানতুয়া পাওয়া যায়।

ইন্দ্রমোহন সুইটসের ইতিহাস

১৮৯০ সালে ইন্দ্রমোহন দেব মিষ্টি বানানো শুরু করেন। বর্তমানে বড়বাজার, খুলনায়  ইন্দ্রমোহন সুইটসের অবস্থান । নতুন দোকানগুলোর মতো ভেজালের কারবার নেই এই দোকানে। মাত্র চার পদের মিষ্টি  সন্দেশ, চমচম, পানতোয়া,  রসগোল্লা বানায় ইন্দ্রমোহন সুইটস।

বর্তমানে ইন্দ্রমোহন দেবের নাতি ব্যবসা পরিচালনা করছেন। হয়তো দোকানে সুন্দর  পরিবেশ পাবেন না, পাবেন না চোখ ধাঁধানো কোনো প্যাকেট। আপনাকে মিষ্টি কিনে আনতে হবে কলাপাতায় মুড়িয়ে। তবে যেটা পাবেন তা হলো মন মাতানো  মিষ্টির স্বাদ।

যেভাবে তৈরি হয়

প্রতিদিন আশপাশের এলাকার ঘোষদের কাছ থেকে গরুর খাঁটি দুধ সংগ্রহ করে সেখান থেকে ছানা তৈরি করা হয়। গরুর খাঁটি দুধ থেকে পাওয়া ছানা দিয়ে পানতুয়া, রসগোল্লা ও সন্দেশ বানানো হয়। প্রতিদিন পানতুয়া, রসগোল্লা ও সন্দেশ তৈরি করতে ব্যবহৃত হয় ৫০  থেকে ৬০ কেজি ছানা।

পানতুয়া, রসগোল্লা মধ্যে আটা সুজি ব্যবহার করা হয় না। শুধু বেকিং পাউডার, ডিম ব্যবহার করা হয়। এখনকার পানতুয়া একেবারেই নরম। একবার কেউ বানানো পানতুয়া খেলে আরেকবার তাঁকে খেতেই হবে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় গরম পানতুয়া ও রসগোল্লা পাওয়া যায়।পানতুয়া, রসগোল্লা পাশাপাশি মজাদার সন্দেশ তৈরি করা হয়, যা অতুলনীয় স্বাদ।

প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ কেজি সন্দেশ এবং ২০০ থেকে ৩০০ পিস পানতুয়া বিক্রি হয়।

কেমন স্বাদ

বিশেষভাবে তৈরি পানতুয়া অনেক নরম। খেতে খুব সুস্বাদু । সুস্বাদু এ পানতুয়া মুখে দিলেই গলে যাবে।

দরদাম

প্রতি কেজি সন্দেশ ৪০০ টাকা এবং প্রতি পিস পানতুয়া ও রসগোল্লা ২০ টাকা করে বিক্রি হয়। আর এজন্য খুলনা তথা দক্ষিণাঞ্চলের শতবর্ষী সেরা মিষ্টি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে ইন্দ্রমোহনের মিষ্টি।সূত্র: এনটিভিনিউজ

আপনার মতামত লিখুন

লাইফস্টাইল বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ